সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ভূগোল - বিশ্ব

১২৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর ৩৬০° আবর্তন করতে সময় নেয় ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট ।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট ।
- সুতরাং, ৩০° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হবে (৩০ × ৪) = ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নিরক্ষরেখা থেকে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিত রেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয় ।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে ।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে সুমেরুবৃত্ত রেখা বলে ।
- গ্রিনিচের ওপরের ০° দ্রাঘিমারেখা হলো মূল মধ্যরেখা ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবী নিজ অক্ষে ৩৬০° ঘুরতে ২৪ ঘণ্টা বা (২৪ × ৬০) = ১৪৪০ মিনিট সময় নেয় ।
অতএব, ১° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময় লাগে (১৪৪০ ÷ ৩৬০) = ৪ মিনিট ।
সুতরাং, প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাকাশ থেকে আসা উচ্চশক্তির প্রাথমিক মহাজাগতিক রশ্মি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর বায়ুর পরমাণুর সাথে তীব্র সংঘর্ষে লিপ্ত হয় ।
এই সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট ক্ষণস্থায়ী কণা ভেঙে গিয়ে গৌণ কণা হিসেবে মিউঅন (Muon) তৈরি করে, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভূপৃষ্ঠের দিকে নেমে আসে ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
কারমান লাইন (Karman Line) হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের সীমানা নির্দেশকারী একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কাল্পনিক রেখা।

• আন্তর্জাতিক অ্যারোনটিক্যাল ফেডারেশন (FAI)-এর মতে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উঁচুতে এই রেখার অবস্থান ধরা হয়।
• বিখ্যাত হাঙ্গেরীয়-মার্কিন মহাকাশ প্রকৌশলী এবং পদার্থবিদ থিওডোর ভন কারমান (Theodore von Kármán)-এর নামানুসারে এই রেখার নামকরণ করা হয়েছে।
• তিনি প্রথম হিসাব করে দেখিয়েছিলেন যে, এই উচ্চতায় বায়ুমণ্ডল এতই পাতলা হয়ে যায় যে সাধারণ বিমান উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজনীয় লিফট বা ঊর্ধ্বমুখী বল তৈরি করা সম্ভব হয় না।
• এই সীমারেখা পার হয়ে মহাশূন্যে ভাসতে হলে বা মহাকাশযান চালাতে হলে যানটিকে অরবিটাল ভেলোসিটি বা কক্ষপথীয় বেগ অর্জন করতে হয়।
• এছাড়া, অপশনে থাকা আর্মস্ট্রং লাইন (Armstrong Line) হলো প্রায় ১৮-১৯ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত একটি স্তর, যেখানে বায়ুর চাপ এতই কমে যায় যে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই রক্ত বা পানি ফুটতে শুরু করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অপসূর (Aphelion) হলো সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যকার কক্ষপথের সেই অবস্থান, যেখানে পৃথিবী সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে অবস্থান করে।

• পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একটি সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, বরং উপবৃত্তাকার (elliptical) কক্ষপথে আবর্তন করে। এর ফলে সারা বছর সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সমান থাকে না।
• যখন পৃথিবী সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে (প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিলোমিটার বা ১৫২ মিলিয়ন কি.মি.), তখন সেই মহাজাগতিক অবস্থাকে অপসূর (Aphelion) বলা হয়। সাধারণত প্রতি বছর ৪ জুলাই তারিখে অপসূর ঘটে থাকে।
• অন্যদিকে, যখন পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে (প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিলোমিটার), তখন সেই অবস্থাকে অনুসূর (Perihelion) বলা হয়। এটি সাধারণত ৩ জানুয়ারি ঘটে।
• অপশনে থাকা অন্যান্য পরিভাষাগুলোর মধ্যে অ্যাপোজি (Apogee) হলো পৃথিবী থেকে চাঁদ বা কোনো কৃত্রিম উপগ্রহের সর্বোচ্চ দূরত্ব এবং পেরিজি (Perigee) হলো পৃথিবী থেকে চাঁদ বা উপগ্রহের সর্বনিম্ন বা নিকটতম দূরত্ব।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ৩ জানুয়ারি পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করে, এই অবস্থানকে অনুসূর (Perihelion) বলে।
- অপসূর: ৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর সর্বাধিক দূরত্ব।
- অনুভূ ও অপভূ: পৃথিবী ও চাঁদের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দূরত্ব।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাশূন্যের নক্ষত্রগুলোর দূরত্ব পরিমাপে আলোকবর্ষ ব্যবহৃত হয়:
- আলোকবর্ষ হলো আলো এক বছরে মহাশূন্যে যে দূরত্ব অতিক্রম করে ।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার বেগে চলে ।
- মহাজাগতিক বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য এটি প্রধান একক ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
• ঐতিহাসিক নগরী কনস্টান্টিনোপল (Constantinople)-এর বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।
• এটি তুরস্কের বৃহত্তম শহর যা এশিয়া ও ইউরোপ—উভয় মহাদেশেই বিস্তৃত।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- জেরুজালেম শহরটি 'পবিত্র ভূমি' (Holy Land) হিসেবে সুপরিচিত।
- এই শহরে পবিত্র আল-আকসা (বায়তুল মুকাদ্দাস) মসজিদ অবস্থিত, যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা।
- জেরুজালেম একইসঙ্গে মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান তিন ধর্মের মানুষদের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র স্থান।
- ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে নেয় এবং বর্তমানে এর মালিকানা নিয়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলমান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
  • সূর্যকে নিজ কক্ষপথে একবার প্রদক্ষিণ করতে শুক্র গ্রহের ২২৫ দিন সময় লাগে। অর্থাৎ, শুক্র গ্রহে ২২৫ দিনে এক বছর হয়।

  • অন্যদিকে, আমাদের পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
ব্যাখ্যা (Explanation)
  • পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ বা মেরুরেখা (Axis) বলা হয়।

  • এই অক্ষরেখার উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু (North Pole) এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু (South Pole) বলে।

  • অন্যদিকে, দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা (Equator) বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
  • নিকোলাস কোপার্নিকাস প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ (Heliocentric theory) প্রদান করেন।

  • তিনি প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী নয় বরং সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

  • তিনি একাধারে একজন প্রখ্যাত গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
  • প্রথম 'Geography' শব্দটি ব্যবহার করেন প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোস্থেনিস। এজন্য তাঁকে ভূগোলের জনক বলা হয়।

  • 'Geo' (ভূ বা পৃথিবী) এবং 'Graphy' (বর্ণনা) শব্দ দুটি মিলে 'Geography' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।

  • অধ্যাপক ডাডলি স্ট্যাম্পের মতে, 'পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণণাই হলো ভূগোল'।

  • অধ্যাপক কার্ল রিটার একে পৃথিবীর বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
UNEP-এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Environment Programme (জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি) । ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোম সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় । বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এটি কাজ করে ।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ । - সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
কৃত্রিম উপগ্রহের নেভিগেশন ব্যবস্থা (যেমন জিপিএস) দিয়ে চলমান যানের অবস্থান ও দিক নির্ণয় করা হয়।
- আকাশে বিমান ও সমুদ্রে সমুদ্রগামী জাহাজ নিরাপদে চলাচলে এই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে।
- তেল খনি, মেঘ বা ফসলের রোগ শনাক্ত করতে রিমোট সেন্সিং ব্যবহৃত হয়।
সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলনদ।
- এর দৈর্ঘ্য ৬৬৯০ কি.মি.।
- নদীটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপত্তি হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।
- এটি আফ্রিকার ১১টি দেশের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

- পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী- আমাজন।
- এটি আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- টলেমি ছিলেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ।
- তার বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ 'গাইড টু জিওগ্রাফী ' এবং 'অ্যালমাজেন্ট’ . জ্যোতির্বিদ্যা ও ভূগোলবিদ্যা ছাড়াও 'অপটিকস ' নামে আলোকবিদ্যার উপরও টলেমি বই লেখেন ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: গ) গ্র্যান্ড ক্যানেল।
• পৃথিবীর দীর্ঘতম এবং প্রাচীনতম কৃত্রিম খাল হলো চীনের ‘গ্র্যান্ড খাল’ (Grand Canal)।
• এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৮০০ কিলোমিটার (১,১০০ মাইল), যা উত্তর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সাথে দক্ষিণ চীনের হাংচৌ (Hangzhou) শহরকে সংযুক্ত করেছে।
• প্রাচীন চীনে মূলত অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগ এবং পণ্য (বিশেষ করে চাল ও কৃষিপণ্য) পরিবহনের সুবিধার জন্য খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দী থেকে এই বিশাল খালটির খননকাজ শুরু হয়। এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে ২০১৪ সালে এটি ইউনেস্কো (UNESCO) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা লাভ করে।

==========================
 বিভ্রান্তি নিরসন:
পরীক্ষায় খাল সম্পর্কিত প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই কনফিউজড হয়ে 'সুয়েজ খাল' উত্তর করে ফেলে। অপশনে থাকা বাকি খালগুলোর তথ্য পরিষ্কারভাবে মনে রাখুন, তাহলে আর ভুল হবে না:
• ১. গ্র্যান্ড খাল (Grand Canal) 
- এটি সামগ্রিকভাবে পৃথিবীর 'দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল' এবং 'প্রাচীনতম খাল'।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,৭৭৬ কি.মি.।
- অবস্থান: চীন।
• ২. সুয়েজ খাল (Suez Canal) 
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম 'লকবিহীন' (Lockless বা পানি নিয়ন্ত্রক গেট ছাড়া সমতল) খাল।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাল, যা ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে এশিয়া ও ইউরোপের দূরত্ব কমিয়েছে।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১৯৩ কি.মি.।
- অবস্থান: মিশর।
• ৩. পানামা খাল (Panama Canal) 
- এটি প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাল, তবে এটি লক (Lock) বা জলকপাট যুক্ত।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৮২ কি.মি.।
- অবস্থান: পানামা।
 
[***টিপস***: প্রশ্নে যদি শুধু 'দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল' বলা থাকে, তবে নিঃসংকোচে উত্তর হবে 'গ্র্যান্ড খাল'। আর যদি 'দীর্ঘতম লকবিহীন খাল' উল্লেখ থাকে, তবে উত্তর হবে 'সুয়েজ খাল'।]

[উৎস: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস (Guinness World Records), ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার (UNESCO World Heritage Centre) এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা (Encyclopedia Britannica)]

==============
পৃথিবীর দীর্ঘতম:
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত - কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত (বাংলাদেশ)
দীর্ঘতম নদী - নীল নদ (৬৬৯০ কি.মি.)
দীর্ঘতম নদী (এককভাবে) - নীল নদ
পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা - আন্দিজ পর্বতমালা (দ. আমেরিকা)
দীর্ঘতম হ্রদ - কাস্পিয়ান
দীর্ঘতম নদী অববাহিকা - আমাজন অববাহিকা
দীর্ঘতম রেলপথ ট্রান্স - সাইবেরিয়ান রেলপথ
দীর্ঘতম সেতু - ওয়াহি গ্রান্ড সেতু, চীন, ৭৯.৭৩ কি.মি.
দীর্ঘতম খাল - গ্র্যান্ড ক্যানেল (চীন)
দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল - সুয়েজ খাল
দীর্ঘতম প্রাচীর - চীনের মহাপ্রাচীর

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)

- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে সর্বদা ঘূর্ণায়মান ।
- পৃথিবীর এই ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সময়ের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়, তাই ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় দিনের সময় কালকে ছোট মনে হয় । 

ব্যাখ্যা (Explanation)
বায়ুমন্ডলের স্তরগুলি:
1. ট্রপোস্ফিয়ার
- পৃথিবীর সবচেয়ে নিচের স্তর
- উচ্চতা: 0-18 কিমি
- এখানে সব আবহাওয়া পরিবর্তন ঘটে

2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
- ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের স্তর
- উচ্চতা: 18-50 কিমি
- ওজোন স্তর এখানে অবস্থিত

3. মেসোস্ফিয়ার
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উপরের স্তর
- উচ্চতা: 50-80 কিমি
- উল্কাপিন্ড এখানে পুড়ে যায়

হাইড্রোস্ফিয়ার:
- এটি বায়ুমন্ডলের স্তর নয়
- হাইড্রোস্ফিয়ার হল পৃথিবীর জলমন্ডল
- এর মধ্যে পড়ে:
* মহাসাগর
* নদ-নদী
* হ্রদ
* ভূগর্ভস্থ জল
* মেঘ ও বরফ
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ স্তরগুলি উপর থেকে নীচের দিকে এবং তাদের তাপমাত্রা নিম্নরূপ:

1. ভূ-ত্বক (Crust)
- সবচেয়ে উপরের স্তর
- পুরুত্ব: 5-70 কিমি
- তাপমাত্রা: 200-400°C
- এখানে আমরা বাস করি

2. ম্যান্টল (Mantle)
- ভূ-ত্বকের নীচের স্তর
- পুরুত্ব: 2900 কিমি
- তাপমাত্রা: 400-4000°C
- গলিত শিলার স্তর

3. বহির্নিউক্লিয়াস (Outer Core)
- ম্যান্টলের নীচের স্তর
- পুরুত্ব: 2200 কিমি
- তাপমাত্রা: 4000-5000°C
- তরল অবস্থায় থাকে

4. অন্তঃনিউক্লিয়াস (Inner Core)
- সবচেয়ে গভীরের স্তর
- পুরুত্ব: 1250 কিমি
- তাপমাত্রা: 5000-6000°C
- কঠিন অবস্থায় থাকে

সঠিক উত্তর D) অন্তঃনিউক্লিয়াস কারণ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরে অবস্থিত স্তর
- এখানে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ (প্রায় 6000°C)
- অত্যধিক চাপের কারণে কঠিন অবস্থায় থাকে
- মূলত লোহা ও নিকেল দ্বারা গঠিত
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মহীসোপানের শেষসীমা থেকে ভূ-ভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীর তলদেশের সঙ্গে মিশে যাওয়াকে বলে- মহীঢাল
- মহীঢালের গভীরতা- ২০০ থেকে ৩০০০ মিটার
- মহীঢালের গড় প্রশস্ত— প্রায় ১৬ থেকে ৩২ কি.মি.
- অপ্রশস্ত ও অসমান উপরিভাগ
- ভূমি— বন্ধুর প্রকৃতির
ব্যাখ্যা (Explanation)
»» যখন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়, তখন দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল হয়।

»» কারণ মূলত:
»» পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে 23.5° কোণে কাত হয়ে আছে।

»» এই কারণে, বছরের বিভিন্ন সময়ে, উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন অংশে সূর্যের রশ্মি সরাসরি আপতিত হয়।

»» গ্রীষ্মকালে, সূর্যের রশ্মি উত্তর গোলার্ধের উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) সরাসরি আপতিত হয়।

»» এ সময়, দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের রশ্মি দক্ষিণ অক্ষাংশে (মকরক্রান্তি) তির্যকভাবে আপতিত হয়।

»» তির্যকভাবে আপতিত সূর্যের রশ্মি কম তাপ প্রদান করে। ফলে, দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল অনুভূত হয়।

»» উল্লেখ্য:
- 21শে জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালের সূচনা হয় এবং 22শে ডিসেম্বর শীতকালের সূচনা হয়।

- 22শে ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকালের সূচনা হয় এবং 21শে জুন শীতকালের সূচনা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় । এ দুদিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন - রাত্রি সমান হয় । সেদিনকে বিষুব ( Equinox ) বলে ।

- ২১ মার্চ উত্তর গােলার্ধে বসন্তকাল , তাই একে বাসন্ত বিষুব ( Vernal equinox ) বলে ।

- ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তর গােলার্ধে শরৎকাল , তাই ঐ দিনকে শারদ বিষুব ( Autumnal equinox ) বলে ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।

- মহাকাশে ১০০ বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে।

- সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল। কোন একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলো যেমন প্রতিনিয়ত সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, তেমনি সূর্য ও তার গ্রহগুলোসমেত তার নিজ গ্যালাক্সির চারপাশে ঘুরছে।

- আবার এই গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ তার অন্তর্ভুক্ত তারকারাজিসহ নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে সর্বদা পরিভ্রমণরত। ছায়াপথে তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার ঘুরে আসতে যে সময় লাগে, তাকে 'কসমিক ইয়ার' বা 'কসমিক বর্ষ' বলে।

- একইভাবে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর যে সময় লাগে, তাকে 'সােলার ইয়ার' (Solar year) বা, সৌর বছর' বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-- বুধ গ্রহ:
- সৗরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস, পানি ও প্রাণীর কোনো অস্তিত্ব নেই।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কালমার সুইডেনের দক্ষিণ-পূর্বেবাল্টিক সাগরেরতীরে অবস্থিত একটি শহর।

- ২০২০ সালে এখানে ৪১৩৮৮ জন বাসিন্দা ছিল।

- এই শহরটি Live at Heart অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যা সুইডেনের বৃহত্তম মিউজিক্যাল শোকেস ইভেন্টগুলির মধ্যে একটি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- বিশ্বব্যাপী জৈব পরিবেশ রক্ষার জন্য ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ 'Convention on Wetlands' চুক্তি স্বাক্ষর করে। ১৯৭৫ সালে রামসার কনভেনশন চুক্তি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশের দুটি এলাকা-সুন্দরবন (২১ মে, ১৯৯২) ও টাঙ্গুয়ার হাওড় (১০ জুলাই, ২০০০) রামসার সাইট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। 
- টাঙ্গুয়ার হাওড় সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও তাহিরপুরে অবস্থিত। 
- এটি স্থানীয়ভাবে ‘নয় কুড়ি কান্দা ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।