প্রণালী (51 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হরমুজ প্রণালী হলো পারস্য উপসাগর (Persian Gulf) এবং ওমান উপসাগর (Gulf of Oman) কে সংযুক্তকারী একটি সরু জলপথ। এর গুরুত্বের কারণগুলো হলো:
-বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানি রুট
-ভূ-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা
-অর্থনৈতিক প্রভাব
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কুক প্রণালি নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপ (North Island) এবং দক্ষিণ দ্বীপকে (South Island) পৃথক করেছে। এর পশ্চিমে তাসমান সাগর এবং পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর অবস্থিত। ফলে এই প্রণালিটি তাসমান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সুন্দা প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ এবং সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করে।
- এই প্রণালীটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জাহাজ চলাচলের একটি প্রধান পথ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ম্যাগেলান প্রণালী (Strait of Magellan)

- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে।
- সংযুক্ত করে: আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর

গুরুত্ব:
- এটি প্যানামা খালের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার নৌপরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:

- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী
- এই প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
-সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ "কান্নার দ্বার"।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফ্লোরিডা প্রণালী
মনে রাখার উপায় - 'কি'ফ্লো' 'মেক্সি' কিনতে 'আটলান্টিক' হয়ে 'ফ্লোরিডায়' যায়।
যুক্ত করেছে -
আটলান্টিক - আটলান্টিক মহাসাগর
মেক্সি - মেক্সিকো উপসাগর

বিভক্ত করেছে -
কি - কিউবা
ফ্লো - ফ্লোরিডা
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৪৯২ সালে কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন। পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে। 
- পানামা খালকে বলা হয় প্রশান্ত মহাসগরের প্রবেশদ্বার । 
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে ।
- দৈর্ঘ্য ৮০ কিমি ও প্রস্থে ৯১ মিটার হলেও এটি পৃথিবীর গরভীরতম (১৪ মিটার ) খাল । 
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৩ সালে এটি খনন করে। পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর ১৯৯৯ এটিকে পানামার নিকট হস্তান্তর করা হয় ।
 - এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি’ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৪৯২ সালে কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন। পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে। 
- পানামা খালকে বলা হয় প্রশান্ত মহাসগরের প্রবেশদ্বার । 
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে ।
- দৈর্ঘ্য ৮০ কিমি ও প্রস্থে ৯১ মিটার হলেও এটি পৃথিবীর গরভীরতম (১৪ মিটার ) খাল । 
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯১৩ সালে এটি খনন করে। পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর ১৯৯৯ এটিকে পানামার নিকট হস্তান্তর করা হয় ।
- এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি’ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জিব্রাল্টার প্রণালীকে  "ভূমধ্যসাগরের চাবি" বলা হয়।
- এই প্রণালীটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 
- ঐতিহাসিকভাবে, যে শক্তি এই প্রণালীটি নিয়ন্ত্রণ করেছে, সেই শক্তিই ভূমধ্যসাগরে নৌচলাচল এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
- এর কৌশলগত গুরুত্বের কারণেই একে "ভূমধ্যসাগরের চাবি" হিসেবে অভিহিত করা হয়।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
♦ এশিয়া - আমেরিকাকে পৃথক করেছে ‘ বেরিং প্রণালী';
♦ এশিয়া - ইউরােপকে পৃথক করেছে 'বসফরাস প্রণালী এবং‘ দার্দানেলিস প্রণালী';
♦ এশিয়া - আফ্রিকাকে পৃথক করেছে ‘ বাব - এল - মানদেব ’ এবং
♦ ইউরােপ - আফ্রিকাকে পৃথক করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাবেল মান্দেব প্রণালী লোহিত সাগরে অবস্থিত। এটি লোহিত সাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। এর পশ্চিমে জিবুতি এবং পূর্বে ইয়ামেন অবস্থিত। এটি এশিয়া ও আফ্রিকাকে আলাদা করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ডোভার প্রণালী (ইংরেজি: Strait of Dover) গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স তথা ইউরোপীয় মহাদেশীয় ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্নকারী সমুদ্রপ্রণালী।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরের সংযোগসাধন করেছে।
- ফরাসিরা এটিকে কালে প্রণালী নামে ডাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীর যে-কোনো অংশের দুটি ভূখন্ড, যেমন-দ্বীপ, দেশ, উপমহাদেশ বা মহাদেশকে পৃথককারী এবং বৃহৎ জলরাশি যেমন- উপসাগর, সাগর, মহাসাগরকে যোগকারী দীর্ঘ ও সরু প্রাকৃতিক জলরাশিকে প্রণালী বলে।

- পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রণালী হল মোজাম্বিক প্রণালী। এটি আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত, মোজাম্বিক এবং মাদাগাস্কারের মধ্যে। মোজাম্বিক প্রণালী প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার (১০০০ মাইল) দীর্ঘ, যা এটিকে পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রণালী করে তোলে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-হরমুজ প্রণালী একটি সরু জলপথ যা পশ্চিমের পারস্য উপসাগরকে পূর্বে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
-এই সামুদ্রিক পথটি আন্তর্জাতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ খনিজতেলবাহী জাহাজ যাতায়াতের এটিই একমাত্র পথ।
-বিশ্বব্যাপী পেট্রোলিয়াম পরিবহনে প্রণালীটির কৌশলগত গুরুত্ব অত্যধিক।
-হরমুজ প্রণালী দিয়ে পৃথিবীর ৪০ শতাংশ খনিজ তেল পরিবহন করা হয়ে থাকে।
-হরমুজ দিয়ে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেলের মতো তেলজাত দ্রব্য রপ্তানি হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ লোহিত সাগর (Red Sea) মূলত ভারত মহাসাগরের একটি অংশ, যা আফ্রিকা মহাদেশ এবং এশিয়া মহাদেশের মাঝখানে প্রাকৃতিকভাবে অবস্থিত।
⇒ এই সাগরটি পশ্চিমে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো (যেমন- মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া) এবং পূর্বে এশিয়া মহাদেশের আরব উপদ্বীপ (যেমন- সৌদি আরব, ইয়েমেন) থেকে পৃথক করেছে।
⇒ এর উত্তর দিকে রয়েছে বিখ্যাত ‘সুয়েজ খাল’, যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে এবং ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে নৌ-বাাণিজ্যের পথ সুগম করেছে।
⇒ দক্ষিণে এটি ‘বাব-এল-মান্দেব’ প্রণালীর মাধ্যমে এডেন উপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

-মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ (৮০৫ কিমি) সমুদ্রপ্রণালী।
-১৪০০ থেকে ১৫১১ খ্রিষ্টাব্দে দ্বীপের শাসক মালাক্কা সালতানাতের নামে এর নামকরণ করা হয়।
-মালাক্কা প্রণালী উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে এবং
-মালয় উপদ্বীপকে সুমাত্রা দ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
-প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজগামী সমুদ্রপথের অন্যতম।  
-ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ার  সমুদ্র বাণিজ্য এর মধ্য দিয়ে সংঘটিত হয়।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

প্রণালী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

∎ মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র বিভক্তকারী সীমারেখা--সনোরা লাইন.

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বসফরাস প্রণালী সংযুক্ত করেছে মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে,বেরিং প্রণালীকে সংযুক্ত করেছে উত্তর সাগর ও বেরিং সাগরকে,মেসিনা প্রণালী সংযুক্ত করেছে টিরহেনিয়ান সাগর ও আইওনিয়ান সাগরকে আর ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে ডোবার প্রণালী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিখ্যাত কিছু প্রণালী:
• আমেরিকা-এশিয়াকে পৃথক করেছে যে প্রণালী— বেরিং প্রণালী ।
• জিব্রাল্টার প্রণালী যে দুটি দেশকে পৃথক করেছে— মরক্কো ও স্পেনকে।
• উত্তর আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে— জিব্রাল্টার প্রণালী ।
• বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে— মালাক্কা প্রণালী
• ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে— ডোভার প্রণালী ।
• বসফরাস প্রণালী যে দুটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে— মর্মর ও কৃষ্ণসাগর ।
• যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত— ডোভার প্রণালী ।
• পক প্রণালী যে দুটি দেশকে পৃথক করেছে— ভারত-শ্রীলংকাকে ।
• হরমুজ প্রণালী অবস্থিত— ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর ।
• হরমুজ প্রণালী নিয়ে যে দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে— ইরান ও ওমানের মধ্যে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

প্রণালী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

প্রণালী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

জিব্রাল্টার প্রণালী আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং আফ্রিকা(মরক্কো) ও ইউরোপ(স্পেন) মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রনালি কৃষ্ণসাগরের সাথে মর্মর সাগরকে ,
- হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরের সাথে ওমান উপসাগরকে,
- আর পক প্রণালি বঙ্গোপসাগরকে ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

 প্রণালি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0