সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

সাগর ও মহাসাগর

৫৫ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে । এসময় সূর্য ও চাঁদের মিলিত মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে সমুদ্র ও নদীর পানি প্রবল বেগে ফুলে ওঠে, যাকে তেজকটাল বা ভরা কটাল বলা হয়। বিপরীতে, সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে সূর্য ও চাঁদ সমকোণে থাকায় আকর্ষণ কমে 'মরা কটাল' সৃষ্টি হয়।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এর অবস্থান হলো আমেরিকা ও এশিয়া মহাদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে।
- অর্থাৎ, এটি পূর্ব দিকে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া, পশ্চিম দিকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার তীরে অবস্থিত।
- এই মহাসাগর পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়া থেকে কলম্বিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চটি অবস্থিত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের সীমানায়, পুয়ের্তো রিকোর উত্তরে এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের সীমানায়।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের সবচেয়ে গভীর অংশ এবং প্রায় ৮,৪০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত পৌঁছায়, যা আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান হিসেবে বিবেচিত।
- ট্রেঞ্চটি ক্যারিবিয়ান সাগরের সীমানায় অবস্থিত হলেও এটি মূলত আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
- ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরের মধ্যে একটি প্লেট বাউন্ডারি অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে উত্তর আমেরিকার প্লেট ও ক্যারিবিয়ান প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর। এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গ কি.মি.। এটি দেখতে বৃহদাকার ত্রিভুজের মতো।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। এর গভীরতা ১১০৩৩ মিটার (৩৬১৯৯ ফুট)। এটি পৃথিবীর গভীরতম স্থান।
- Dead Sea (মৃত সাগর) একটি লবণাক্ত হ্রদ। এর দৈর্ঘ্য ৬৭ কিলোমিটার, গ্রন্থ ১৮ কিলোমিটার এবং গভীরতা ১,২৪০ ফুট। বৈকাল বিশ্বের গভীরতম হ্রদ। এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
আয়তনে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ – ওশেনিয়া
আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম মুসলিম দেশ – মালদ্বীপ
ক্ষুদ্রতম মহাসাগর – আর্কটিক মহাসাগর
ক্ষুদ্রতম গ্রহ – বুধ
ক্ষুদ্রতম নদী – ডি রিভার
ক্ষুদ্রতম পাখি – হামিং বার্ড
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশে ক্রমেই নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান (Continental Shelf) বলা হয়।
- এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি অল্প ঢালু অংশ, যা স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে ধীরে ধীরে নেমে যায়।
- মহীসোপানের গড় ঢাল সাধারণত ১° এর কম হয় এবং এর গভীরতা সর্বোচ্চ ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে প্রচুর সামুদ্রিক সম্পদ যেমন মাছ, খনিজ তেল, এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরিশাস পূর্ব আফ্রিকার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম পোর্ট লুইস। সর্বপ্রথম ওলন্দাজ অভিযাত্রীরা ১৫০৭ সালে আদিবাসীবিহীন দ্বীপটি আবিষ্কার করে । ওলন্দাজরা ১৬৩৮ সালে দ্বীপটিতে বসতি স্থাপন করে এবং ১৭১০ সালে পরিত্যাগ করে । পাঁচ বছর পর, দ্বীপটি একটি ফরাসি উপনিবেশ হয়ে ওঠে এবং একে 'আইল ডি ফ্রান্স' নামকরণ করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সুন্দা খাত বা শুন্ডা খাত ভারত মহাসাগরের অন্যতম প্রধান গভীর সামুদ্রিক খাত।
- এই সামুদ্রিক খাতটির পূর্ব নাম "জাভা খাত"।
- সুন্দা খাত ভারত মহাসাগরের দ্বিতীয় গভীরতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গালফ অব মেক্সিকো (Gulf of Mexico) হলো উত্তর আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বৃহৎ সমুদ্র উপসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ এবং তিনটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত:

১) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অংশ, বিশেষ করে টেক্সাস, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, আলাবামা এবং ফ্লোরিডা রাজ্য)।
২) মেক্সিকো (মেক্সিকোর পূর্ব উপকূল)।
৩) কিউবা (কিউবার উত্তর উপকূল)।

গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
- আয়তন: প্রায় ১.৬ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- গভীরতা: গড় গভীরতা প্রায় ১,৬১৫ মিটার, তবে সবচেয়ে গভীর অংশ (সিগসবি ডিপ) প্রায় ৪,৩৮৪ মিটার গভীর।
- নদী সংযোগ: মিসিসিপি নদী এবং রিও গ্রান্ডে নদীর মতো বড় নদীগুলি গালফ অব মেক্সিকোতে পতিত হয়।

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব:
- তেল ও গ্যাস: গালফ অব মেক্সিকোতে প্রচুর তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- মৎস্য শিল্প: এখানে প্রচুর পরিমাণে মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী পাওয়া যায়, যা মৎস্য শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

- পর্যটন: ফ্লোরিডা এবং মেক্সিকোর উপকূলীয় অঞ্চলগুলি পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয়।

- পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ: তেল ছড়ানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন হারিকেন) এই অঞ্চলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- মারিয়ানা খাত বা মারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের একটি খাত বা পরিখা।
- এটি বিশ্বের গভীরতম সমুদ্র খাত।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত।
- মারিয়ানা খাত একটি বৃত্তচাপের আকারে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২৫৫০ কিমি ধরে বিস্তৃত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মিয়ামি বিচ হল একটি উপকূলীয় রিসর্ট শহর মিয়ামি-ডেড কাউন্টি, ফ্লোরিডা , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি দক্ষিণ ফ্লোরিডার মিয়ামি মেট্রোপলিটন এলাকার অংশ।
- পৌরসভাটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং বিস্কাইন উপসাগরের মধ্যবর্তী প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট বাধা দ্বীপে অবস্থিত, যার পরেরটি মিয়ামি মূল ভূখণ্ডের শহর থেকে সমুদ্র সৈকতকে আলাদা করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাল্টিক সাগর উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- উত্তরে: স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ
- পশ্চিমে: ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড
- দক্ষিণে: জার্মানি, পোল্যান্ড, রাশিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাতভিয়া, এবং এস্তোনিয়া
- পূর্বে: ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রশাান্ত মহাসাগরের তলদেশে দুটি বৃহৎ টেকটনিক প্লেট, প্রশান্ত প্লেট এবং ফিলিপাইন প্লেট, একে অপরের সাথে মুখোমুখি হয়।
- এই মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ভূত্বক বাঁকিয়ে গিয়ে গভীর সমুদ্রখাত সৃষ্টি হয়।
- সুতরাং গভীর সমুদ্রখাত সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে টেকটনিক প্লেট বা সমুদ্র পাতের মুখোমুখী হওয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় পৃথিবী ছিল এক উত্তপ্ত জ্বলন্ত মন্ডল ।
(১) নিয়ত বায়ূপ্রবাহ :- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ হল সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারণ ।
(২) পৃথিবীর আবর্তন গতি:- নিজের আবর্তন গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অবিরাম ঘুরে চলেছে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কটকা সমুদ্র সৈকত সুন্দরবনের দক্ষিণ পূর্বকোনে বাংলাদেশের খুলনা ও বাগেরহাটে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পশ্চিম আফ্রিকার পার্শ্ববর্তী ভার্ট প্রণালী অতিক্রম করার পর ক্যানারী স্রোতের একটি শাখা গিনি স্রোত নামে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এ স্রোতধারাটি গ্রেইন, আইভরী ও শ্লেভ উপকূলের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ক্যামেরুন উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়কে বলা হয়- হারিকেন বঙ্গোপসাগরে ও ভারত মহাসাগরে সৃষ্টঝড়কে সাইক্লোন বলে প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়কে বলা হয়- টাইফুন

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- এর গড় গভীরতা ১৫০ মিটার এবং গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- এটি ১° কোণে ঢালু থাকে।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
তিনদিকে স্থল দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর বলে। উপসাগর ২ প্রকার ঃ ১) বে ঃ হচ্ছে ৩ দিকে স্থল বিশিষ্ট জলরাশি। ২) গালফ হচ্ছে প্রায় ৪ দিক স্থল বিশিষ্ট জলরাশি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পোর্ট সৈয়দ হলো সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি সমুদ্র বন্দর। পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত এই বন্দর মিশরে অবস্থিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
** মারিয়ানা ট্রেঞ্জ এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
** ন্যায়ার্স ইউরোপ আফ্রিকা ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
** সুন্দা ট্রেঞ্জ ভারত আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়া মাঝে অবস্থিত।
** ইউরেশিয়ান বেসিন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)

সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম । সুমাত্রার আয়তন ৪, ৭৩, ৪৮১ বর্গ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর দ্বীপগুলোর মধ্যে এটি আয়তনের দিক থেকে ৬ষ্ঠ। সংশ্লিষ্ট ছোটখাটো দ্বীপের অধিবাসীসহ সুমাত্রার জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর আবর্তন গতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
- পৃথিবীর কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময় পর পর জোয়ার ও ভাটা হয়।
- কোনো স্থানে একবার জোয়ার হওয়ার পর পরবর্তী জোয়ার হতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট সময় লাগে।
- অর্থাৎ, উপকূলে কোনো স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী সময় প্রায় ১২ ঘণ্টা।
- অন্যদিকে, একটি জোয়ার ও একটি ভাটার মধ্যবর্তী সময় হলো প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।
- পৃথিবীর নিজের অক্ষের ওপর একবার ঘুরতে সময় লাগে প্রায় ২৪ ঘণ্টা, তাই প্রতিটি স্থানে দিনে দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।