সাগর ও মহাসাগর (54 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এর অবস্থান হলো আমেরিকা ও এশিয়া মহাদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে।
- অর্থাৎ, এটি পূর্ব দিকে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া, পশ্চিম দিকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার তীরে অবস্থিত।
- এই মহাসাগর পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়া থেকে কলম্বিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চটি অবস্থিত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের সীমানায়, পুয়ের্তো রিকোর উত্তরে এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের সীমানায়।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের সবচেয়ে গভীর অংশ এবং প্রায় ৮,৪০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত পৌঁছায়, যা আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান হিসেবে বিবেচিত।
- ট্রেঞ্চটি ক্যারিবিয়ান সাগরের সীমানায় অবস্থিত হলেও এটি মূলত আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
- ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরের মধ্যে একটি প্লেট বাউন্ডারি অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে উত্তর আমেরিকার প্লেট ও ক্যারিবিয়ান প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর। এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গ কি.মি.। এটি দেখতে বৃহদাকার ত্রিভুজের মতো।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। এর গভীরতা ১১০৩৩ মিটার (৩৬১৯৯ ফুট)। এটি পৃথিবীর গভীরতম স্থান।
- Dead Sea (মৃত সাগর) একটি লবণাক্ত হ্রদ। এর দৈর্ঘ্য ৬৭ কিলোমিটার, গ্রন্থ ১৮ কিলোমিটার এবং গভীরতা ১,২৪০ ফুট। বৈকাল বিশ্বের গভীরতম হ্রদ। এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
আয়তনে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ – ওশেনিয়া
আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম মুসলিম দেশ – মালদ্বীপ
ক্ষুদ্রতম মহাসাগর – আর্কটিক মহাসাগর
ক্ষুদ্রতম গ্রহ – বুধ
ক্ষুদ্রতম নদী – ডি রিভার
ক্ষুদ্রতম পাখি – হামিং বার্ড
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশে ক্রমেই নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান (Continental Shelf) বলা হয়।
- এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি অল্প ঢালু অংশ, যা স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে ধীরে ধীরে নেমে যায়।
- মহীসোপানের গড় ঢাল সাধারণত ১° এর কম হয় এবং এর গভীরতা সর্বোচ্চ ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে প্রচুর সামুদ্রিক সম্পদ যেমন মাছ, খনিজ তেল, এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মরিশাস পূর্ব আফ্রিকার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম পোর্ট লুইস। সর্বপ্রথম ওলন্দাজ অভিযাত্রীরা ১৫০৭ সালে আদিবাসীবিহীন দ্বীপটি আবিষ্কার করে । ওলন্দাজরা ১৬৩৮ সালে দ্বীপটিতে বসতি স্থাপন করে এবং ১৭১০ সালে পরিত্যাগ করে । পাঁচ বছর পর, দ্বীপটি একটি ফরাসি উপনিবেশ হয়ে ওঠে এবং একে 'আইল ডি ফ্রান্স' নামকরণ করা হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সুন্দা খাত বা শুন্ডা খাত ভারত মহাসাগরের অন্যতম প্রধান গভীর সামুদ্রিক খাত।
- এই সামুদ্রিক খাতটির পূর্ব নাম "জাভা খাত"।
- সুন্দা খাত ভারত মহাসাগরের দ্বিতীয় গভীরতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গালফ অব মেক্সিকো (Gulf of Mexico) হলো উত্তর আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বৃহৎ সমুদ্র উপসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ এবং তিনটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত:

১) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অংশ, বিশেষ করে টেক্সাস, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, আলাবামা এবং ফ্লোরিডা রাজ্য)।
২) মেক্সিকো (মেক্সিকোর পূর্ব উপকূল)।
৩) কিউবা (কিউবার উত্তর উপকূল)।

গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
- আয়তন: প্রায় ১.৬ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- গভীরতা: গড় গভীরতা প্রায় ১,৬১৫ মিটার, তবে সবচেয়ে গভীর অংশ (সিগসবি ডিপ) প্রায় ৪,৩৮৪ মিটার গভীর।
- নদী সংযোগ: মিসিসিপি নদী এবং রিও গ্রান্ডে নদীর মতো বড় নদীগুলি গালফ অব মেক্সিকোতে পতিত হয়।

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব:
- তেল ও গ্যাস: গালফ অব মেক্সিকোতে প্রচুর তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- মৎস্য শিল্প: এখানে প্রচুর পরিমাণে মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী পাওয়া যায়, যা মৎস্য শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

- পর্যটন: ফ্লোরিডা এবং মেক্সিকোর উপকূলীয় অঞ্চলগুলি পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয়।

- পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ: তেল ছড়ানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন হারিকেন) এই অঞ্চলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মারিয়ানা খাত বা মারিয়ানা ট্রেঞ্চ হলো প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের একটি খাত বা পরিখা।
- এটি বিশ্বের গভীরতম সমুদ্র খাত।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত।
- মারিয়ানা খাত একটি বৃত্তচাপের আকারে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২৫৫০ কিমি ধরে বিস্তৃত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিয়ামি বিচ হল একটি উপকূলীয় রিসর্ট শহর মিয়ামি-ডেড কাউন্টি, ফ্লোরিডা , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি দক্ষিণ ফ্লোরিডার মিয়ামি মেট্রোপলিটন এলাকার অংশ।
- পৌরসভাটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং বিস্কাইন উপসাগরের মধ্যবর্তী প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট বাধা দ্বীপে অবস্থিত, যার পরেরটি মিয়ামি মূল ভূখণ্ডের শহর থেকে সমুদ্র সৈকতকে আলাদা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাল্টিক সাগর উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- উত্তরে: স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ
- পশ্চিমে: ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড
- দক্ষিণে: জার্মানি, পোল্যান্ড, রাশিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাতভিয়া, এবং এস্তোনিয়া
- পূর্বে: ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রশাান্ত মহাসাগরের তলদেশে দুটি বৃহৎ টেকটনিক প্লেট, প্রশান্ত প্লেট এবং ফিলিপাইন প্লেট, একে অপরের সাথে মুখোমুখি হয়।
- এই মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ভূত্বক বাঁকিয়ে গিয়ে গভীর সমুদ্রখাত সৃষ্টি হয়।
- সুতরাং গভীর সমুদ্রখাত সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে টেকটনিক প্লেট বা সমুদ্র পাতের মুখোমুখী হওয়া।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় পৃথিবী ছিল এক উত্তপ্ত জ্বলন্ত মন্ডল ।
(১) নিয়ত বায়ূপ্রবাহ :- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ হল সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারণ ।
(২) পৃথিবীর আবর্তন গতি:- নিজের আবর্তন গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অবিরাম ঘুরে চলেছে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কটকা সমুদ্র সৈকত সুন্দরবনের দক্ষিণ পূর্বকোনে বাংলাদেশের খুলনা ও বাগেরহাটে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পশ্চিম আফ্রিকার পার্শ্ববর্তী ভার্ট প্রণালী অতিক্রম করার পর ক্যানারী স্রোতের একটি শাখা গিনি স্রোত নামে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এ স্রোতধারাটি গ্রেইন, আইভরী ও শ্লেভ উপকূলের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ক্যামেরুন উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়কে বলা হয়- হারিকেন বঙ্গোপসাগরে ও ভারত মহাসাগরে সৃষ্টঝড়কে সাইক্লোন বলে প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়কে বলা হয়- টাইফুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- এর গড় গভীরতা ১৫০ মিটার এবং গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- এটি ১° কোণে ঢালু থাকে।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তিনদিকে স্থল দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর বলে। উপসাগর ২ প্রকার ঃ ১) বে ঃ হচ্ছে ৩ দিকে স্থল বিশিষ্ট জলরাশি। ২) গালফ হচ্ছে প্রায় ৪ দিক স্থল বিশিষ্ট জলরাশি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পোর্ট সৈয়দ হলো সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি সমুদ্র বন্দর। পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত এই বন্দর মিশরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
** মারিয়ানা ট্রেঞ্জ এশিয়া ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
** ন্যায়ার্স ইউরোপ আফ্রিকা ও আমেরিকার মাঝে অবস্থিত।
** সুন্দা ট্রেঞ্জ ভারত আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়া মাঝে অবস্থিত।
** ইউরেশিয়ান বেসিন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম । সুমাত্রার আয়তন ৪, ৭৩, ৪৮১ বর্গ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর দ্বীপগুলোর মধ্যে এটি আয়তনের দিক থেকে ৬ষ্ঠ। সংশ্লিষ্ট ছোটখাটো দ্বীপের অধিবাসীসহ সুমাত্রার জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর আবর্তন গতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
- পৃথিবীর কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময় পর পর জোয়ার ও ভাটা হয়।
- কোনো স্থানে একবার জোয়ার হওয়ার পর পরবর্তী জোয়ার হতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট সময় লাগে।
- অর্থাৎ, উপকূলে কোনো স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী সময় প্রায় ১২ ঘণ্টা
- অন্যদিকে, একটি জোয়ার ও একটি ভাটার মধ্যবর্তী সময় হলো প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
- পৃথিবীর নিজের অক্ষের ওপর একবার ঘুরতে সময় লাগে প্রায় ২৪ ঘণ্টা, তাই প্রতিটি স্থানে দিনে দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
» বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতের সাথে সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার।
» দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল সীমা রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
» ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভূক্ত।    
» বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল
» অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল। 

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0