পরিসংখ্যান (38 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংখ্যাগুলোকে মানের ক্রমানুসারে সাজালে,
২, ৪, ৫, ৭, ৮, ৯, ১২, ১৩, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২০

এখানে মোট পদ আছে ১৩ টি।
এই ক্ষেত্রে, n = ১৩।
সুতরাং, মধ্যক হবে (১৩+১)/২ = ১৪/২ = ৭ম পদ।
৭ম পদ = ১২
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজিয়ে = ১৫৫, ১৫৮, ১৬০, ১৬৩, ১৬৫, ১৬৮, ১৭০, ১৭২, ১৭৫
মোট তথ্যের সংখ্যা, n = ৯ (বিজোড় সংখ্যা)

বিজোড় সংখ্যক তথ্যের জন্য মধ্যকের অবস্থান = (n + 1) ÷ 2
= (৯ + ১) ÷ ২
= ১০ ÷ ২
= ৫ম অবস্থান

৫ম অবস্থান অবস্থিত মধ্যক = ১৬৫ সে.মি.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
9 জন খেলোয়াড় থেকে 6 জনকে নির্বাচন করা যায়
= ⁹C₆ উপায়ে
= 9!/3!6!
= 9.8.7.6!/3.2.1.6!
= 84 উপায়ে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ডেটা সেটকে মানের ক্রমানুসারে সাজানোর পর মাঝের মানটি হলো মধ্যক।
- যদি ডেটা সেটে জোড় সংখ্যক মান থাকে, তবে মাঝের দুটি মানের গড় হলো মধ্যক।
- মধ্যক অস্বাভাবিক বড় বা ছোট মান দ্বারা তেমন প্রভাবিত হয় না, কারণ এটি কেবল ডেটার মাঝামাঝি অবস্থানের উপর নির্ভর করে।
- যেহেতু প্রশ্নে অস্বাভাবিক বড় ও ছোট মানের কথা বলা হয়েছে, যা গড়কে প্রভাবিত করতে পারে, তাই কেন্দ্রিয় প্রবণতা নির্ণয়ের জন্য মধ্যক একটি নির্ভরযোগ্য পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশ্নে বলা হচ্ছে। প্রদত্ত ডাটা সেটের প্রচুরকের মধ্যক কত ? 

প্রদত্ত ডাটাসেট কে আমরা ক্রমানুসারে সাজিয়ে পাই ( ছোট থেকে বড় আকারে ) ঃ 
-5, -4, -1, 1, 2, 2, 3, 3, 4, 4, 5, 6, 7, 7, 8 এখানে 2, 3, 4 এবং 7 প্রত্যেকেই আছে দুই বার করে । তাই প্রচুরকগুলি হলো 2, 3, 4 এবং 7 

∴ প্রচুরকগুলির মধ্যক = 3+4/2 = 7/2 = 3.5 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রথমে সংখ্যাগুলোকে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজিয়ে পাই,

২, ৩, ৪, ৫, ৭, ৮, ৯

এখানে, মোট সংখ্যা ৭টি, যা বিজোড়।

সুতরাং, মধ্যক হবে (৭+১)/২ = ৪ তম সংখ্যাটি।

এখানে, ৪ তম সংখ্যাটি ৫।

অতএব, মধ্যক ৫।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
৩টি সংখ্যার গড় ২৯ হলে এদের সমষ্টি = ৩ × ২৯ = ৮৭
দুইটি সংখ্যা ২৪ এবং ৩৫ হলে অপর সংখ্যাটি হবে = ৮৭ - (২৪ + ৩৫) = ২৮
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১ থেকে ২২ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো ৪, ৮, ১২, ১৬, ২০

∴ ১ থেকে ২২ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক = ১২
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২৫ - ৩০ এর শ্রেণি ব্যবধান = (৩০ - ২৫) + ১
= ৫ + ১
= ৬

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১ থেকে ১৭ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫

∴ ১ থেকে ১৭ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক = ৯
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কমিটির সংখ্যা = (C৪ × C) + (C৩ × C) + (C২ × C)
 = ৩৫ × ৬ + ৩৫ × ৪ + ২১
 = ৩৭১
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
2 থেকে 10 পর্যন্ত জোড় সংখ্যাসমূহ 2,4,6,8,10
∴ মধ্যক = 6
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-পরিসর হল একটি পরিসংখ্যান যা একটি ডেটাসেটের সর্বোচ্চ মান এবং সর্বনিম্ন মানের মধ্যে পার্থক্যকে বোঝায়।
-এই ক্ষেত্রে, ডেটাসেটের সর্বোচ্চ মান হল 23 এবং সর্বনিম্ন মান হল 5।
সুতরাং, পরিসর = 23 - 5 = 18
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ ৩ টি, পরিমাপগুলো হলো :
১. গাণিতিক গড় বা গড়,
২. মধ্যক ও
৩. প্রচুরক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

দেওয়া আছে,
৩টি সংখ্যার গড় = ১০
অতএব, ৩টি সংখ্যার সমষ্টি = ১০ × ৩ = ৩০

প্রশ্নে বলা হয়েছে, ৩টি সংখ্যার মধ্যে একটি সংখ্যা ১২।
সুতরাং, বাকি ২টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩০ - ১২ = ১৮

আমরা জানি, কোনো উপাত্তে যে সংখ্যাটি সবচেয়ে বেশিবার থাকে, তাকে প্রচুরক বলে।
উপাত্তে যেহেতু মাত্র ৩টি সংখ্যা আছে এবং এর একটি "একমাত্র প্রচুরক" থাকতে হবে, তাই ৩টি সংখ্যার মধ্যে অন্তত ২টি সংখ্যা পরস্পর সমান হতে হবে।

যেহেতু প্রশ্নে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে "একটি সংখ্যা ১২" (অর্থাৎ ১২ সংখ্যাটি একবারই আছে বিবেচনা করা যায়), তাই প্রচুরক নির্ণয়ের জন্য বাকি ২টি সংখ্যাকে অবশ্যই পরস্পর সমান হতে হবে।

তাহলে সমান সংখ্যা দুটির প্রতিটি হবে:
= ১৮ ÷ ২
= ৯

সুতরাং, সংখ্যা তিনটি দাঁড়ায় ৯, ৯ এবং ১২।
যেহেতু এই উপাত্তে ৯ সংখ্যাটি সর্বাধিক (দুইবার) রয়েছে, তাই উপাত্তের একমাত্র প্রচুরক হবে ৯।

 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উপাত্তগুলো = ২, ৫, ৯, ১০, ৪, a মোট ৬টি
মানের ক্রমানুসারে সাজালে = ২, ৪, ৫, ৯, ১০ এবং a
∴ মধ্যক ৬ = (৫ + অন্য একটি সংখ্যা)/২
এখানে a ছাড়া অন্য কোনটা ধরলে মধ্যক ৬ হয় না। সুতরাং ধরে নেয়া যায় যে সংখ্যাটি a হবে।
∴ (৫+a)/২ = ৬
বা, ৫+a = ১২
∴ a = ৭
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সারণি ভুক্ত শ্রেণিবিন্যস্ত উপাত্তের সংখ্যা হল n, মধ্যক শ্রেণির নিম্নসীমা L, মধ্যক শ্রেণির পূর্ববর্তী শ্রেণির ক্রমযোজিত গণ সংখ্যা fc, মধ্যক শ্রেণির গণ সংখ্যা fm এবং শ্রেণিব্যাপ্তি h হলে, মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র
= L + (n/2 - fc) × h/fm
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
৩ দ্বারা বিভাজ্য প্রথম ১০টি সংখ্যা
৩, ৬, ৯, ১২, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭, ৩০
এখানে,
n  = ১০

মধ্যক = {(১০/২) তম পদ ও (১০/২) + ১ তম পদের যোগফল}/২
          = { ৫তম পদ ও ৬ তম পদের যোগফল}/২  
         =(১৫ + ১৮)/২
         = ৩৩/২
         = ১৬.৫
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

আমরা জানি, একটি ত্রিভুজ গঠন করার জন্য ৩টি বিন্দুর প্রয়োজন।
এখানে, মোট বিন্দুর সংখ্যা, n = ১২
ত্রিভুজ গঠনের জন্য বাছাই করতে হবে, r = ৩ টি বিন্দু।

সুতরাং, নির্ণেয় ত্রিভুজ সংখ্যা = 12C3
= (১২ x ১১ x ১০) / (৩ x ২ x ১)
= ২ x ১১ x ১০
= ২২০ টি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পরিসংখ্যানের অন্যতম প্রধান কাজ হলো বিপুল সংখ্যক জটিল তথ্য বা ডেটাকে সহজবোধ্য আকারে উপস্থাপন করা।
- এটি অবিন্যস্ত এবং বিশাল পরিমাণ উপাত্ত সংগ্রহ করে সেগুলোকে সারণি, গ্রাফ বা চার্টের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত ও সুশৃঙ্খল করে তোলে।
- পরিসংখ্যানের সাহায্যে জটিল সংখ্যাত্মক তথ্যকে এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই তা বুঝতে পারে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
- প্রদত্ত ব্যাখ্যায় ডাটাবেজের কথা বলা হয়েছে, যা পরিসংখ্যানের মূল সংজ্ঞা থেকে কিছুটা ভিন্ন; পরিসংখ্যান মূলত তথ্যের গাণিতিক বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন নিয়ে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অঙ্কগুলো হলো: ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮।
এখানে মোট অঙ্ক সংখ্যা = ৭ টি।
আমাদের ৪ অঙ্কের সংখ্যা গঠন করতে হবে এবং প্রতিটি অঙ্ক কেবল একবারই নেওয়া যাবে (পুনরাবৃত্তি ছাড়া)।
বিন্যাস বা Permutation-এর সূত্র অনুযায়ী, $\text{n}$ সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন জিনিস থেকে প্রতিবার $\text{r}$ সংখ্যক জিনিস নিয়ে গঠিত সাজানো বা বিন্যাস সংখ্যা হলো ${}^{\text{n}}\text{P}_{\text{r}}$।

এখানে,
মোট অঙ্ক সংখ্যা, $\text{n} = \text{7}$
প্রতিবার নিতে হবে, $\text{r} = \text{4}$
$\therefore$ নির্ণেয় সংখ্যা গঠনের উপায় = ${}^{\text{7}}\text{P}_{\text{4}}$
আমরা জানি, ${}^{\text{n}}\text{P}_{\text{r}} = \frac{\text{n}!}{(\text{n}-\text{r})!}$

সুতরাং,
${}^{\text{7}}\text{P}_{\text{4}} = \frac{\text{7}!}{(\text{7}-\text{4})!} = \frac{\text{7}!}{\text{3}!}$
$= \frac{\text{7} \times \text{6} \times \text{5} \times \text{4} \times \text{3}!}{\text{3}!}$
$= \text{7} \times \text{6} \times \text{5} \times \text{4}$
$= \text{840}$

শর্টকাট টেকনিক:
৪ অঙ্কের সংখ্যা গঠন করতে হবে, তাই আমরা ৪টি কাল্পনিক ঘর বিবেচনা করি: [_] [_] [_] [_]
১ম ঘরটি পূরণ করা যায় ৭টি ভিন্ন উপায়ে (কারণ আমাদের হাতে ৭টি অঙ্ক আছে)।
২য় ঘরটি পূরণ করা যায় ৬টি ভিন্ন উপায়ে (একটি অঙ্ক ১ম ঘরে বসে গেছে)।
৩য় ঘরটি পূরণ করা যায় ৫টি ভিন্ন উপায়ে।
৪র্থ ঘরটি পূরণ করা যায় ৪টি ভিন্ন উপায়ে।
মোট উপায় = $\text{7} \times \text{6} \times \text{5} \times \text{4} = \text{840}$
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে:
মোট ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা: 40 জন
ছেলেদের সংখ্যা: 30 জন
পুরো ক্লাসের গড় নম্বর: 45
ছেলেদের গড় নম্বর: 50

প্রথমে মেয়েদের সংখ্যা বের করি:

মেয়েদের সংখ্যা = 40 - 30 = 10 জন

Weighted Average Formula:
(পুরো ক্লাসের গড় × মোট ছাত্র-ছাত্রী) = (ছেলেদের গড় × ছেলেদের সংখ্যা) + (মেয়েদের গড় × মেয়েদের সংখ্যা)

সূত্রে মান বসাই:
45 × 40 = 50 × 30 + মেয়েদের গড় × 10

সমীকরণ সমাধান করি:
1800 = 1500 + মেয়েদের গড় × 10
1800 - 1500 = মেয়েদের গড় × 10
300 = মেয়েদের গড় × 10
মেয়েদের গড় = 300 ÷ 10 = 30

সুতরাং, মেয়েদের গড় নম্বর হল 30।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

  ১ কেজি ওজন বেড়ে যাওয়ার পর ৩১ কেজি হলে আগে ছিল ৩০ কেজি 

৩০ জনের মোট ওজন = ৩০ \( \times \) ৩০ = ৯০০ 

৩১ জনের মোট ওজন = ৩১ \( \times \) ৩১ = ৯৬১ 

 কোচের ওজন = ৯৬১ - ৯০০ = ৬১ কেজি  

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

 

১১ জন লোকের মোট ওজন (১১ x ৭০) কেজি = ৭৭০ কেজি

৯০ কেজি ওজনের একজন  চলে গেলে  , (১১-১)=১০ জনের মোট ওজন = (৭৭০-৯০)=৬৮০ কেজি তাহলে , একজনের ওজন =(৬৮০/১০) কেজি = ৬৮ কেজি  

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
(প্রশ্ন- তিনজন যুবকের গড় ওজন ৫৩ কেজি।কারো ওজন ৫১ কেজি এর কম না হলে একজনের ওজন সর্বোচ্চ কত কেজি হতে পারে?)

এভাবে যেকোনো প্রশ্নে সর্বনিম্ন মান দেওয়ার পর সর্বোচ্চটি বের করতে বলা হলে সর্বনিম্ন ধরেই হিসেব করতে হবে।গড় কোনো কিছু থেকে যখন একজনেরটি সর্বনিম্ন হয় তখনি অন্য জনেরটি সর্বোচ্চ হতে পারে।
তিন জনের মোট ওজন ৫৩× ৩=১৫৯ কেজি
২ জন কম ওজনের =৫১× ২=১০২ কেজি
অতএব একজনের ওজন সর্বোচ্চ হতে পারে=১৫৯-১০২=৫৭ কেজি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

সাধারন নিয়মে ৩ জনের মোট ওজন ৩৩ \( \times \) ৩  = ৯৯ কেজি । আবার ২ জনের ওজন ৩১ কেজি করে ধরলে অন্য জনের ওজন বেশি হবে । তাই ২ জনের মোট ওজন = ৩১ \( \times \) ২ = ৬২ । একজনের ওজন সর্বোচ্চ হতে পারে ৯৯ - ৬২ = ৩৭ ।  

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

১১ জন লোকের মোট ওজন (১১ x ৭০) কেজি = ৭৭০ কেজি

৯০ কেজি ওজনের একজন  চলে গেলে  , (১১-১)=১০ জনের মোট ওজন = (৭৭০-৯০)=৬৮০ কেজি তাহলে , একজনের ওজন =(৬৮০/১০) কেজি = ৬৮ কেজি  

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
৮টি সংখ্যার গড় = ১৪
আমরা জানি, গড় × রাশির সংখ্যা = সমষ্টি
∴ ৮টি সংখ্যার সমষ্টি = (১৪ × ৮) = ১১২
আবার, ৬টি সংখ্যার গড় = ১৬
∴ ৬টি সংখ্যার সমষ্টি = (১৬ × ৬) = ৯৬
বাকি সংখ্যা দুটির সমষ্টি = (৮টি সংখ্যার সমষ্টি) – (৬টি সংখ্যার সমষ্টি)
= ১১২ – ৯৬
= ১৬
বাকী সংখ্যা ২ টির গড় = (সংখ্যা ২ টির সমষ্টি) ÷ ২
= ১৬ ÷ ২
= ৮

শর্টকাট টেকনিক:
৮টি সংখ্যার গড় ১৪। কিন্তু ৬টি সংখ্যার গড় ১৬, অর্থাৎ গড় থেকে ২ করে বেশি নিয়েছে।
মোট বেশি নিয়েছে = ৬ × ২ = ১২
এই বাড়তি ১২ সংখ্যাটি বাকী দুটি সংখ্যা থেকে কমে যাবে।
বাকি দুটি সংখ্যার গড় হবে = ১৪ – (১২ ÷ ২)
= ১৪ – ৬
= ৮
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, ১১টি সংখ্যার গড় = ৬০
∴ ১১টি সংখ্যার সমষ্টি = (১১ × ৬০) = ৬৬০
প্রথম ৫টি সংখ্যার গড় = ৫৮
∴ প্রথম ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = (৫ × ৫৮) = ২৯০
শেষ ৫টি সংখ্যার গড় = ৫৬
∴ শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = (৫ × ৫৬) = ২৮০
এখন, ৬ষ্ঠ সংখ্যাটি বের করতে হলে ১১টি সংখ্যার মোট সমষ্টি থেকে প্রথম ৫টি ও শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে।
∴ ৬ষ্ঠ সংখ্যাটি = ১১টি সংখ্যার সমষ্টি - (প্রথম ৫টি সংখ্যার সমষ্টি + শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি)
= ৬৬০ - (২৯০ + ২৮০)
= ৬৬০ - ৫৭০
= ৯০

শর্টকার্ট টেকনিক:
গড় মান থেকে সংখ্যাগুলো কত কম বা বেশি তা হিসাব করে খুব সহজে এই ধরনের অঙ্ক সমাধান করা যায়।
১১টি সংখ্যার গড় ৬০।
প্রথম ৫টি সংখ্যার গড় ৫৮ (গড় থেকে ২ কম)।
মোট কম = ৫ × (-২) = -১০
শেষ ৫টি সংখ্যার গড় ৫৬ (গড় থেকে ৪ কম)।
মোট কম = ৫ × (-৪) = -২০
∴ মোট ঘাটতি বা কম = (-১০) + (-২০) = -৩০
যেহেতু বাকি ১০টি সংখ্যার সমষ্টিতে ৩০ কম আছে, তাই ভারসাম্য বজায় রাখতে ৬ষ্ঠ সংখ্যাটিকে মূল গড় (৬০) এর চেয়ে ৩০ বেশি হতে হবে।
∴ ৬ষ্ঠ সংখ্যাটি = মূল গড় + ঘাটতি পূরণ
= ৬০ + ৩০
= ৯০

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
১০টি সংখ্যার যোগফল = ৩৮০

প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫০
∴ প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = (৫০ × ৪) = ২০০

শেষ ৫টি সংখ্যার গড় = ৩২
∴ শেষ ৫টি সংখ্যার যোগফল = (৩২ × ৫) = ১৬০

আমরা জানি,
পঞ্চম সংখ্যাটি = (১০টি সংখ্যার মোট যোগফল) – (প্রথম ৪টির যোগফল + শেষ ৫টির যোগফল)
= ৩৮০ – (২০০ + ১৬০)
= ৩৮০ – ৩৬০
= ২০

শর্টকাট টেকনিক:
৫ম সংখ্যা = মোট যোগফল - (১ম ৪টির যোগফল + শেষ ৫টির যোগফল)
= ৩৮০ - {(৫০ × ৪) + (৩২ × ৫)}
= ৩৮০ - (২০০ + ১৬০)
= ৩৮০ - ৩৬০
= ২০
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0