যে সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়। পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনাে স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা।
এখানে, √৭২ = √(৩৬ × ২) = √(2 × ৬২) = ৬√২; যা ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় না তাই অমূলদ সংখ্যা।
এটি একটি পাটিগণিত ধারা। যার প্রথম পদ (a) হলো ৪৮, কারণ ৪৮ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য (৪৮=৩×১৬)। শেষ পদ (l) হলো ৯৯, কারণ ৯৯ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য (৯৯=৩×৩৩) এবং ১০০ এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ৩ এর গুণিতক। সাধারণ অন্তর (d) হলো ৩, কারণ আমরা ৩ এর গুণিতক নির্ণয় করছি। যেখানে, n = পদসংখ্যা (আমরা যা নির্ণয় করতে চাই) l = শেষ পদ = ৯৯ a = প্রথম পদ = ৪৮ d = সাধারণ অন্তর = ৩
আমরা জানি, n = (l−a)/d + ১ = (৯৯-৪৮)/৩ + ১ = ৫১/৩ + ১ = ১৭ + ১ = ১৮
অর্থাৎ, ৪৮ থেকে ১০০ পর্যন্ত ৩ এর গুণিতক সংখ্যা হলো ১৮টি।
৬৩০০ = ৬৩ × ১০০ = ৯ × ৭ × ১০০ = ৩² × ৭ × ১০² = ৩² × ১০² × ৭ = ৩² × (২ × ৫)² × ৭ = ৩² × ২² × ৫² × ৭ অর্থাৎ ৬৩০০ = ২² × ৩² × ৫² × ৭¹
একটি সংখ্যা পূর্ণবর্গ হওয়ার জন্য এর সব মৌলিক উৎপাদকের ঘাত জোড় সংখ্যা হতে হবে।
৬৩০০ কে পূর্ণবর্গ বানাতে হলে ৭ এর ঘাত জোড় করতে হবে। যেহেতু ৭¹ আছে, তাই ৭ দিয়ে ভাগ করলে ৭ এর ঘাত ০ হবে (যা জোড়)। ৬৩০০ ÷ ৭ = ৯০০ = ২² × ৃ² × ৫² = (২ × ৩ × ৫)² = ৩০² তাই ৬৩০০ কে ৭ দিয়ে ভাগ করলে ৯০০ পাওয়া যাবে, যা ৩০ এর পূর্ণবর্গ।
ধরা যাক, লোকসংখ্যা হল x জন। প্রশ্ন অনুযায়ী, যতজন লোক ছিল প্রত্যেকে তত ছয় টাকা করে চাঁদা দিয়েছে। এর মানে হল, প্রত্যেক ব্যক্তি 6x টাকা করে চাঁদা দিয়েছে। মোট আদায়কৃত চাঁদার পরিমাণ, x × 6x = 3456 বা, 6x2 = 3456 বা, x2 = 3456/6 বা, x2 = 576 বা, x = √576 বা, x = 24
- ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ট। - সংখ্যা গুলো হলোঃ (২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭)। - ৪৩ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যার সংখ্যা ৪টি।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
দেওয়া আছে, m ও n হলো দুইটি বিজোড় সংখ্যা। আমরা জানি, দুইটি বিজোড় সংখ্যার গুণফল সর্বদা একটি বিজোড় সংখ্যা হয়। যেহেতু, m ও n উভয়ই বিজোড়, তাহলে, mn = একটি বিজোড় সংখ্যা।
এখন অপশনগুলো যাচাই করি: option 1: mn = বিজোড় সংখ্যা। option 2: mn + 1 = বিজোড় সংখ্যা + 1 = জোড় সংখ্যা। [যেমন: ৩ + ১ = ৪] option 3: mn + 2 = বিজোড় সংখ্যা + 2 = বিজোড় সংখ্যা। [যেমন: ৩ + ২ = ৫] option 4: mn + 4 = বিজোড় সংখ্যা + 4 = বিজোড় সংখ্যা। [যেমন: ৩ + ৪ = ৭]
যেহেতু mn একটি বিজোড় সংখ্যা এবং বিজোড় সংখ্যার সাথে 1 যোগ করলে পরবর্তী জোড় সংখ্যাটি পাওয়া যায়, তাই mn + 1 একটি জোড় সংখ্যা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো mn + 1।
শর্টকাট টেকনিক: ধরি, দুইটি বিজোড় সংখ্যা m = 3 এবং n = 1 তাহলে, mn = 3 × 1 = 3 এখন অপশনগুলো দেখি: 1. mn = 3 (বিজোড়) 2. mn + 1 = 3 + 1 = 4 (জোড়) 3. mn + 2 = 3 + 2 = 5 (বিজোড়) 4. mn + 4 = 3 + 4 = 7 (বিজোড়) শুধুমাত্র অপশন (2)-এর মান জোড় এসেছে। তাই সঠিক উত্তর mn + 1।
মনে করি, ক্রমিক সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x এবং (x + 1)
প্রশ্নমতে, (x + 1)² - x² = 37 বা, x² + 2x + 1 - x² = 37 [∵ (a + b)² = a² + 2ab + b² সূত্র প্রয়োগ করে] বা, 2x + 1 = 37 বা, 2x = 37 - 1 বা, 2x = 36 বা, x = 36 / 2 বা, x = 18 অতএব, ছোট সংখ্যাটি = 18 এবং বড় সংখ্যাটি = 18 + 1 = 19 সুতরাং, সংখ্যা দুটি ১৮ ও ১৯।
বিকল্প পদ্ধতি (শর্টকাট টেকনিক): দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর দেওয়া থাকলে সংখ্যা দুটি বের করার নিয়ম হলো: বড় সংখ্যা = (বর্গের অন্তর + ১) ÷ ২ = (৩৭ + ১) ÷ ২ = ৩৮ ÷ ২ = ১৯
ছোট সংখ্যা = (বর্গের অন্তর - ১) ÷ ২ = (৩৭ - ১) ÷ ২ = ৩৬ ÷ ২ = ১৮
দেওয়া আছে, দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ২৪ এবং একটি সংখ্যা = ১৩
আমরা জানি, দুইটি সংখ্যার যোগফল থেকে একটি সংখ্যা বিয়োগ করলে অপর সংখ্যাটি পাওয়া যায়। ∴ অপর সংখ্যাটি = (দুইটি সংখ্যার যোগফল − একটি সংখ্যা) = (২৪ − ১৩) = ১১ এখানে লক্ষনীয় যে, ১১ এবং ১৩ দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যা। অর্থাৎ, শর্তানুযায়ী ১১ ও ১৩ এর যোগফল (১১ + ১৩) = ২৪। সুতরাং, অপর সংখ্যাটি হলো ১১।
শর্টকাট টেকনিক: ক্রমিক বিজোড় সংখ্যাগুলোর মধ্যে পার্থক্য সব সময় ২ হয়। এখানে একটি সংখ্যা ১৩। যেহেতু যোগফল ২৪, তাই অপর সংখ্যাটি অবশ্যই ১৩ এর চেয়ে ছোট হবে। সুতরাং, ১৩ এর ঠিক আগের বিজোড় সংখ্যাটিই হবে নির্ণেয় সংখ্যা। ১৩ − ২ = ১১।
ধরি ,সংখ্যাগুলো x-২ ,x-১,x,x+১,x+২ x-২+x-১+x+x+১+x+২ বা , ৫x =১০০ বা x =২০ ∴ প্রথম সংখ্যা =২০-২=১৮ শেষ সংখ্যা =২০+২=২২ ∴ সংখ্যা দুটির গুনফল = (১৮×২২)=৩৯৬
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।