ধারাটির পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য বা ব্যবধান লক্ষ্য করলে দেখা যায়, প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবধান ১ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে: • ২য় পদ - ১ম পদ = ৩ - ১ = ২ • ৩য় পদ - ২য় পদ = ৬ - ৩ = ৩ • ৪র্থ পদ - ৩য় পদ = ১০ - ৬ = ৪ • ৫ম পদ - ৪র্থ পদ = ১৫ - ১০ = ৫
এই গাণিতিক নিয়ম অনুসারে, পরবর্তী পদগুলোর বৃদ্ধি হবে যথাক্রমে ৬ এবং ৭।
ধাপে ধাপে পরবর্তী পদ নির্ণয়: • ৬ষ্ঠ পদ হবে: ৫ম পদ + ৬ = ১৫ + ৬ = ২১ • ৭ম পদ হবে: ৬ষ্ঠ পদ + ৭ = ২১ + ৭ = ২৮
সুতরাং, ধারাটির ৭ম পদটি হলো ২৮।
গাণিতিক নিয়ম (ত্রিভুজাকার সংখ্যা): এই ধারার সংখ্যাগুলোকে গাণিতিক ভাষায় ত্রিভুজাকার সংখ্যা (Triangular Numbers) বলা হয়। এর n-তম পদ নির্ণয়ের সাধারণ সূত্র হলো n(n+1) ÷ ২। এই সূত্র প্রয়োগ করে ৭ম পদ = ৭(৭+১) ÷ ২ = ৫৬ ÷ ২ = ২৮।
এখানে, ২৫ সংখ্যাটি আছে ২ বার ২৭ সংখ্যাটি আছে ২ বার ২৯ সংখ্যাটি আছে ৩ বার ১৯, ৫৯, ৬৯ সংখ্যাগুলো আছে ১ বার করে
আমরা জানি, কোনো উপাত্তে যে সংখ্যাটি সর্বাধিক বার থাকে, তাকে উপাত্তের প্রচুরক বলে। পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, এখানে ২৯ সংখ্যা সর্বাধিক ৩ বার করে আছে। সুতরাং, নির্ণেয় প্রচুরক = ২৯
শর্টকাট টেকনিক: সাধারণত প্রচুরক বের করার সময় সংখ্যাগুলো গুনতে হয়। ২৫ $\rightarrow$ ২টা ২৯ $\rightarrow$ ৩টা ২৭ $\rightarrow$ ২টা বাকিরা ১টা করে। সবচেয়ে বেশি বার যারা আছে তারাই উত্তর।
আমরা জানি, প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের সমষ্টির সূত্র: 1³ + 2³ + 3³ + ... + n³ = [n(n+1)/2]² এবং প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টির সূত্র: 1 + 2 + 3 + ... + n = n(n+1)/2
প্রশ্ন অনুসারে, [n(n+1)/2]² / [n(n+1)/2] = 210 ⇒ n(n+1)/2 = 210 ⇒ n(n+1) = 420 ⇒ n² + n - 420 = 0 ⇒ n² + 21n - 20n - 420 = 0 ⇒ n(n + 21) - 20(n + 21) = 0 ⇒ (n - 20)(n + 21) = 0 ⇒ n = 20 অথবা n = -21 যেহেতু n ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা, তাই n = 20।
প্রদত্ত ধারাটি 1-1+1-1 + ...... একটি গুণোত্তর ধারা ।
যারা প্রথম পদ a = 1.
সাধারণ অনুপাত r = -1/1 = -1 < 1
আমরা জানি,
কোনো গুণোত্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টি sn = a(1-rn )/1-r
প্রদত্ত ধারার (2n+1) পদের সমষ্টি
= a(1- r2n+1 )/1-r
= 1{1-(-1)2n+1 }/1-(-1)
= 1-(-1)2n (-1)/2
= 1-(1)(-1)/2 [n e হওয়ায় (-1)2n = 1]
= 2/2 = 1
(প্রিলির জন্য শর্ট ট্রিক- 1-1+1-1 এখানে একটি ধনাত্বক 1 & তারপরেই একটি ঋনাত্বক 1. এভাবে প্রতি জোড়া ধনাত্বক ঋনাত্বক 1 মিলে শূন্য হয়ে যাবে। অর্থাৎ সিরিজে জোড় সংখ্যক উপাদান থাকলে উত্তর=০, এবং বিজোড় সংখ্যক উপাদান থাকলে উত্তর=1. এখানে (2n+1) একটি বিজোড় সংখ্যা সুতরাং উত্তর হবে 1 )
প্রতি দুটি পদের যোগফল শূন্য এবং প্রতি বিজোড়তম পদ a । তাই, ৬০টি পদের সমষ্টি শূণ্য হবে । অতএব,৬১টি পদের সমষ্টি হবে_ = ৬০টি পদের সমষ্টি + ৬১তম পদ = ০ + a = a
( a-a+a-a+.. এখানে একটি ধনাত্বক a & তারপরেই একটি ঋনাত্বক a. এভাবে প্রতি জোড়া ধনাত্বক ঋনাত্বক a মিলে শূন্য হয়ে যাবে। - অর্থাৎ সিরিজে জোড় সংখ্যক উপাদান থাকলে উত্তর=০, - এবং বিজোড় সংখ্যক উপাদান থাকলে উত্তর=a. - এখানে 61 একটি বিজোড় সংখ্যা সুতরাং উত্তর হবে a )
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।