ধরি, আগে চালের দাম ছিল ১০০ টাকা এবং ব্যবহার হতো ১০০ কেজি। মোট খরচ হতো = ১০০ × ১০০ = ১০,০০০ টাকা।
এখন দাম ২০% বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন দাম হলো ১২০ টাকা। খরচ অপরিবর্তিত (১০,০০০ টাকা) রাখতে হলে, এখন ১২০ টাকা দরে চাল কিনতে হবে। এখন চাল কেনা যাবে = ১০,০০০ ÷ ১২০ = ২৫০/৩ কেজি।
তাহলে ব্যবহার কমাতে হবে = ১০০ - (২৫০/৩) = (৩০০ - ২৫০)/৩ = ৫০/৩ কেজি।
শতকরা ব্যবহার কমাতে হবে = (৫০/৩) % = ১৬ ২/৩ %।
শর্টকাট সূত্র: ব্যবহার কমানোর হার = {বৃদ্ধির হার ÷ (১০০ + বৃদ্ধির হার)} × ১০০% = {২০ ÷ (১০০ + ২০)} × ১০০% = (২০ ÷ ১২০) × ১০০% = (১ ÷ ৬) × ১০০% = ৫০ ÷ ৩ % = ১৬ ২/৩ %
শিক্ষার্থী ৩৮১ নম্বর পেয়েছে এবং ১৪৪ নম্বরের জন্য ফেল করেছে। এর অর্থ হলো, পাস করতে তার আরও ১৪৪ নম্বর দরকার ছিল। সুতরাং, পাস নম্বর = ৩৮১ (প্রাপ্ত নম্বর) + ১৪৪ (যে নম্বরের জন্য ফেল করেছে) = ৫২৫ নম্বর। আমরা জানি, এই ৫২৫ নম্বর হলো মোট নম্বরের ৩৫%। ধরি, পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর হলো 'X'। তাহলে, X এর ৩৫% = ৫২৫ বা, X ∗ ৩৫/১০০ = ৫২৫ বা, X = ৫২৫ ∗ ১০০/৩৫ বা, X = ১৫ ∗ ১০০ বা, X = ১৫০০
দেওয়া আছে, মোট ছাত্র সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্র সংখ্যা = ৪২ জন ∴ পাশ করা ছাত্র সংখ্যা = (৬০ - ৪২) জন = ১৮ জন
এখন, ৬০ জনের মধ্যে পাশ করে ১৮ জন ∴ ১ জনের মধ্যে পাশ করে $^{১৮}/_{৬০}$ জন ∴ ১০০ জনের মধ্যে পাশ করে $^{১৮ \times ১০০}/_{৬০}$ জন = $^{১৮০০}/_{৬০}$ = ৩০ জন উত্তর: পাশের হার ৩০%।
শর্টকাট টেকনিক: পরীক্ষায় দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা সরাসরি পাশের হার বের করতে পারি:
$\text{পাশের হার}$ = $^{(\text{মোট ছাত্র} - \text{ফেল করা ছাত্র})}/_{\text{মোট ছাত্র}} \times ১০০$ = $^{(৬০ - ৪২)}/_{৬০} \times ১০০$ = $^{১৮}/_{৬০} \times ১০০$ = $^{৩}/_{১০} \times ১০০$ [১৮ কে ৬ দ্বারা ভাগ করে ৩ এবং ৬০ কে ৬ দ্বারা ভাগ করে ১০] = $৩ \times ১০$ = ৩০%
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
বিক্রেতা তার আপেলের ২০% বিক্রি করেন বিক্রির পর অবশিষ্ট আপেল = ৩২০টি
ধরি, প্রাথমিক আপেলের সংখ্যা = x টি ২০% বিক্রি করার পর অবশিষ্ট = ১০০% - ২০% = ৮০% অর্থাৎ, x এর ৮০% = ৩২০টি এখন, x × ৮০/১০০ = ৩২০ বা, x × ০.৮ = ৩২০ বা, x = ৩২০ ÷ ০.৮ বা, x = ৪০০
ধরি, পরিক্ষার্থী ভুল উত্তর দেন xটি । ∴ " সঠিক উত্তর দেন (৮০ − x) টি প্রশ্নমতে, (৮০− x)x১ − x ×(১এর ২৫/১০০)= ৬০ ⇒ ৮০ − x − x/৮ = ৬০ ⇒x+(x/৪) = ৮০ − ৬০ ⇒(৪x + x )/৪ = ২০ ⇒ ৫x = ৮০ ∴ x =১৬
ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক তাহলে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) = ১০,০০০ বর্গ একক ২০% বৃদ্ধিতে বাহুর দৈর্ঘ্য হয় = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১২০ × ১২০) = ১৪,৪০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পেল = ১৪,৪০০ - ১০,০০০ = ৪,৪০০ বর্গ একক শতকরা বৃদ্ধি = (৪,৪০০ / ১০,০০০) × ১০০ % = ৪৪% উত্তর: ৪৪%
শর্টকাট টেকনিক: যদি বাহুর দৈর্ঘ্য A% বৃদ্ধি পায়, তবে ক্ষেত্রফল বাড়ার সূত্র: বৃদ্ধি = A + A + (A × A) / ১০০ এখানে A = ২০, = ২০ + ২০ + (২০ × ২০) / ১০০ = ৪০ + ৪০০ / ১০০ = ৪০ + ৪ = ৪৪%
ধরি,বর্গের একবাহু = xএকক অতএব,বর্গের ক্ষেত্রফল = x2 বর্গ একক ৫০% বৃদ্ধি পাওয়ায় বাহুর দৈর্ঘ্য হয় x এর ৫০% =x/২ অতএব নতুন দৈর্ঘ্য ={x+(x/২)}একক = ৩x/২ একক অতএব দৈর্ঘ্যের ক্ষেত্রফল =(৩x/২)২=৯x২/৪ বর্গএকক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি =৯/৪x২ - x২=৫x২/৪ বর্গএকক শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি ={(৫x২/৪)( ১০০/ x২)}%=১২৫%
ধরি, ১ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য = $x$ টাকা $\therefore$ ২০ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য =$20x$ টাকা এবং ২৫ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য = $25x$ টাকা
প্রশ্নমতে, ২০ মিটার কাপড়ের বিক্রয়মূল্য = ২৫ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য = $25x$ টাকা অবশ্যই লাভ হয়েছে, কারণ একই মূল্যে কম পরিমাণ কাপড় বিক্রয় করা হয়েছে। লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য = ($25x$ - $20x$) টাকা = $5x$ টাকা
আমরা জানি, লাভ বা ক্ষতি সর্বদা ক্রয়মূল্যের উপর হিসাব করা হয়। এখানে আমরা ২০ মিটার কাপড়ের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য নিয়ে হিসাব করছি। $20x$ টাকায় লাভ হয় $5x$ টাকা $\therefore$ ১ টাকায় লাভ হয় $\frac{5x}{20x}$ টাকা $\therefore$ ১০০ টাকায় লাভ হয় $\frac{5x \times 100}{20x}$ টাকা = ২৫ টাকা $\therefore$ লাভ ২৫%
শর্টকাট টেকনিক: এ ধরণের অঙ্কের ক্ষেত্রে (যেখানে এতটি পণ্যের ক্রয়মূল্য = এতটি পণ্যের বিক্রয়মূল্য বলা থাকে), লাভের হার বের করার সূত্র হলো: লাভের হার = $\frac{\text{পার্থক্যের পরিমাণ}}{\text{বিক্রয় করা পণ্যের পরিমাণ}} \times 100\%$
এখানে, পার্থক্যের পরিমাণ = ২৫ - ২০ = ৫ মিটার বিক্রয় করা পণ্যের পরিমাণ = ২০ মিটার $\therefore$ লাভ = $\frac{5}{20} \times 100\%$ = $5 \times 5\%$ = 25%
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।