ধাপে ধাপে দিকনির্দেশনা ও অতিক্রান্ত দূরত্ব বিশ্লেষণ করি:
১. প্রথমে যাত্রা শুরুর স্থান থেকে ৮ মাইল উত্তরে গেল। ২. এরপর ডানে ঘুরে ৫ মাইল পূর্বে হাঁটল। ৩. তারপর ৩ মাইল দক্ষিণে হাঁটল। (অর্থাৎ উত্তরের ৮ মাইলের মধ্যে সে ৩ মাইল ফিরে এসেছে। এখন উত্তর দিকে তার নিট দূরত্ব ৮ - ৩ = ৫ মাইল।) ৪. অতঃপর ডানে ঘুরে আরো ৫ মাইল পশ্চিমে হাঁটল। (যেহেতু সে পূর্বে ৫ মাইল গিয়েছিল এবং এখন পশ্চিমে ৫ মাইল ফিরে এসেছে, তাই পূর্ব-পশ্চিমের অতিক্রান্ত নিট দূরত্ব ৫ - ৫ = ০ হয়ে গেল)।
এখন সে যাত্রা শুরুর স্থানের ঠিক উত্তর দিকের রেখায় অবস্থান করছে। সুতরাং, যাত্রা শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান দূরত্ব = (উত্তরে যাওয়া মোট দূরত্ব) - (দক্ষিণে ফিরে আসা দূরত্ব) = ৮ - ৩ = ৫ মাইল
পাশাপাশি জোড়াগুলোর পার্থক্য ধাপে ধাপে যাচাই করি: • ৬ এবং ৪ এর পার্থক্য = |৬ - ৪| = ২ • ৪ এবং ১২ এর পার্থক্য = |৪ - ১২| = ৮ • ১২ এবং ২৮ এর পার্থক্য = |১২ - ২৮| = ১৬ • ২৮ এবং ৭৪ এর পার্থক্য = |২৮ - ৭৪| = ৪৬ • ৭৪ এবং ২১ এর পার্থক্য = |৭৪ - ২১| = ৫৩ • ২১ এবং ৫৩ এর পার্থক্য = |২১ - ৫৩| = ৩২ • ৫৩ এবং ৮৬ এর পার্থক্য = |৫৩ - ৮৬| = ৩৩ • ৮৬ এবং ২১ এর পার্থক্য = |৮৬ - ২১| = ৬৫ • ২১ এবং ৭১ এর পার্থক্য = |২১ - ৭১| = ৫০ • ৭১ এবং ৪১ এর পার্থক্য = |৭১ - ৪১| = ৩০ • ৪১ এবং ৩২ এর পার্থক্য = |৪১ - ৩২| = ৯ • ৩২ এবং ৮৬ এর পার্থক্য = |৩২ - ৮৬| = ৫৪
দেখা যাচ্ছে, এখানে শুধুমাত্র প্রথম জোড়াটি অর্থাৎ (৬, ৪) এর পার্থক্য ২। বাকি কোনো জোড়ার পার্থক্য ২ নয়।
সুতরাং, সিরিজে এমন জোড়ার সংখ্যা মাত্র ১টি। সঠিক উত্তর অপশন ১ অর্থাৎ এক।
⇒ Aggravate (উত্তেজিত করা / অবনতি ঘটানো / আরও খারাপ করা) এর antonym হলো Alleviate (প্রশমন করা / উপশম করা / কমানো)। ⇒ Example: Stress can aggravate the illness, while proper medicine will alleviate it.
অন্যদিকে, * Intimidate – ভয় দেখানো / আতঙ্কিত করা। * Bewilder – বিভ্রান্ত করা / হতবুদ্ধি করা। * Contemplate – গভীরভাবে চিন্তা করা / বিবেচনা করা।
Q4.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এই ধরনের মানসিক দক্ষতার চিত্রে সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক প্যাটার্ন বা সূত্র (যেমন: গুণ করে যোগ করা বা বর্গ করে যোগ করা) মেনে চলে। পূর্ববর্তী চিত্রের প্যাটার্নটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাইরের বা চারপাশের সংখ্যাগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট গাণিতিক প্রক্রিয়া প্রয়োগ করে উদ্দিষ্ট বা মাঝের সংখ্যাটি নির্ণয় করা হয়েছে। সেই একই ধারাবাহিকতা ও গাণিতিক নিয়ম শেষ চিত্রটিতে প্রয়োগ করলে সঠিক নির্ণেয় মান পাওয়া যায় ৪১।
দেওয়া আছে, ক্লাসে মোট ছাত্র-ছাত্রী = ৪২ জন। সিমুর অবস্থান প্রথম থেকে ২৬ তম। রিমার অবস্থান সিমুর থেকে ৮ ধাপ আগে, অর্থাৎ প্রথম থেকে রিমার অবস্থান = (২৬ - ৮) = ১৮ তম। এখন, রিমার পেছনে মোট ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে = (৪২ - ১৮) = ২৪ জন। অতএব, শেষের দিক থেকে রিমার অবস্থান হবে তার পেছনের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা + ১। শেষের দিক থেকে অবস্থান = (২৪ + ১) = ২৫ তম।
ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষরগুলোকে উল্টোদিক থেকে সাজিয়ে এই সিরিজটি তৈরি করা হয়েছে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে ১টি করে অক্ষরের গ্যাপ (বা -২ ধাপ) রয়েছে। ক্রমটি লক্ষ্য করি: - Z থেকে ১টি অক্ষর (Y) বাদ দিয়ে X - X থেকে ১টি অক্ষর (W) বাদ দিয়ে V - V থেকে ১টি অক্ষর (U) বাদ দিয়ে T - T থেকে ১টি অক্ষর (S) বাদ দিয়ে R একই নিয়মে, R এর আগের ১টি অক্ষর (Q) বাদ দিলে পরবর্তী অক্ষরটি হবে P।
কোনো শব্দ আয়নায় হুবহু একই রকম দেখাতে হলে শব্দটির প্রতিটি অক্ষরকে উল্লম্বভাবে প্রতিসম (Vertically Symmetrical) হতে হবে এবং শব্দটির অক্ষরের বিন্যাস ডান ও বাম দিক থেকে একই হতে হবে। এখানে 'OTTO' শব্দটির দিকে লক্ষ্য করি: - O এবং T উভয়েরই উল্লম্ব প্রতিসাম্য রেখা রয়েছে (অর্থাৎ মাঝ বরাবর ভাগ করলে ডান ও বাম পাশ একই রকম দেখায়)। - এছাড়া শব্দটি বাম থেকে ডানে এবং ডান থেকে বামে পড়লে একই (প্যালিনড্রোম) হয়। তাই আয়নায় প্রতিফলিত হলেও OTTO শব্দটি অপরিবর্তিত থাকবে। অন্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে আয়নায় প্রতিচ্ছবি উল্টো দেখাবে।
দেওয়া আছে শর্তগুলো থেকে আমরা 'চিকন থেকে মোটা' ক্রমানুসারে সাজাই (যেখানে '<' মানে 'এর চেয়ে চিকন'): - R, P এর চেয়ে চিকন: R < P - Q, S এর চেয়ে মোটা (অর্থাৎ S < Q) - S, T এর চেয়ে মোটা (অর্থাৎ T < S) - P, S এর চেয়ে চিকন: P < S - T, P এর চেয়ে মোটা (অর্থাৎ P < T) শর্তগুলো একত্রিত করলে পাই: R < P < T < S < Q ক্রমটি থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে, R হলো সবচেয়ে চিকন।
ধরি, ক বছর পর পিতার বয়স তার ছেলের বয়সের চার গুণ হবে।
দেওয়া আছে, পিতার বর্তমান বয়স = ২৮ বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৪ বছর
ক বছর পর, পিতার বয়স হবে = (২৮ + ক) বছর পুত্রের বয়স হবে = (৪ + ক) বছর
প্রশ্নমতে, পিতার বয়স = ৪ × পুত্রের বয়স ⇒ ২৮ + ক = ৪ × (৪ + ক) ⇒ ২৮ + ক = ১৬ + ৪ক ⇒ ৪ক - ক = ২৮ - ১৬ ⇒ ৩ক = ১২ ⇒ ক = ১২ ÷ ৩ ⇒ ক = ৪
সুতরাং, ৪ বছর পর পিতার বয়স ছেলের বয়সের চার গুণ হবে।
শর্টকাট বা অপশন টেস্ট (পরীক্ষার হলের জন্য): অপশন (৪) অনুযায়ী, ৪ বছর পর হিসাব করে দেখি: ছেলের বয়স হবে = ৪ + ৪ = ৮ বছর পিতার বয়স হবে = ২৮ + ৪ = ৩২ বছর দেখা যাচ্ছে, ৩২ হলো ৮ এর চার গুণ (৮ × ৪ = ৩২)। তাই সঠিক উত্তর ৪ বছর।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
আমাদের এমন '৯' খুঁজে বের করতে হবে যার জন্য দুটি শর্ত পূরণ হয়: শর্ত ১: ৯ এর ঠিক আগে ৫ থাকা যাবে না (অর্থাৎ '৫৯' হওয়া যাবে না)। শর্ত ২: ৯ এর ঠিক পরে ২ অথবা ৩ থাকতে হবে (অর্থাৎ '৯২' বা '৯৩' হতে হবে)।
এখন সিরিজটি থেকে '৯' গুলো খুঁজে বের করি এবং শর্ত মিলিয়ে দেখি: ১) ১ ৯ ২ (আগে ১ আছে এবং পরে ২ আছে - এটি গ্রহণযোগ্য) ২) ৫ ৯ ৩ (আগে ৫ আছে, তাই শর্ত ১ মানেনি - এটি বাদ) ৩) ৩ ৯ ৩ (আগে ৩ আছে এবং পরে ৩ আছে - এটি গ্রহণযোগ্য) ৪) ৫ ৯ ২ (আগে ৫ আছে, তাই শর্ত ১ মানেনি - এটি বাদ) ৫) ২ ৯ ৩ (আগে ২ আছে এবং পরে ৩ আছে - এটি গ্রহণযোগ্য) ৬) ৬ ৯ ৮ (পরে ৮ আছে, তাই শর্ত ২ মানেনি - এটি বাদ)
তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, মোট ৩ বার এই শর্তগুলো মিলেছে।
এখানে কোডিংয়ের নিয়মটি হলো, প্রতিটি বর্ণ ইংরেজি বর্ণমালার পূর্ববর্তী (আগের) বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। যেমন: 'MFNPO' এর ক্ষেত্রে: M - ১ = L F - ১ = E N - ১ = M P - ১ = O O - ১ = N একইভাবে, 'NBOHP' এর অর্থ বের করতে প্রতিটি বর্ণের আগের বর্ণ নিতে হবে: N - ১ = M B - ১ = A O - ১ = N H - ১ = G P - ১ = O সুতরাং, সঠিক শব্দ হবে MANGO।
দুটি গিয়ার সংযুক্ত অবস্থায় থাকলে ছোট চাকাটি বড় চাকার চেয়ে দ্রুতগতিতে চলবে। - সংযুক্ত অবস্থায় উভয় চাকার দাঁতের রৈখিক গতি একই থাকে। অর্থাৎ, একই সময়ে ছোট চাকার যতগুলো দাঁত বড় চাকার দাঁতের সংস্পর্শে আসবে, তাদের গতি সমান হবে। - ছোট চাকার পরিধি বড় চাকার চেয়ে কম হওয়ায়, এটিকে একবার পূর্ণ ঘোরার জন্য বড় চাকার চেয়ে কম দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। - যেহেতু উভয় চাকার দাঁতের গতি সমান এবং ছোট চাকাটিকে কম দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়, তাই নির্দিষ্ট সময়ে ছোট চাকাটি বড় চাকার চেয়ে বেশি পাক দেবে বা দ্রুত চলবে।
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
জটিল বাক্যের বৈশিষ্ট্য: • জটিল বাক্যে একটি স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে। • এতে এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে যা প্রধান বাক্যের ওপর নির্ভরশীল। • সাধারণত যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে।
প্রদত্ত বাক্যের বিশ্লেষণ: 'সে যে কোথায় তা আমার জানা নেই' বাক্যটিতে দুটি অংশ রয়েছে: ১. 'সে যে কোথায়' - এটি একটি আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য, যা নিজের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য অন্য অংশের ওপর নির্ভরশীল। ২. 'তা আমার জানা নেই' - এটি প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য।
এখানে 'যে' এবং 'তা' এর মাধ্যমে একটি খণ্ডবাক্য অপর খণ্ডবাক্যের ওপর সাপেক্ষভাবে নির্ভরশীল হয়ে অর্থ সম্পূর্ণ করেছে। তাই এটি একটি জটিল বাক্য।
উঁচু রাস্তার পাদদেশ থেকে উপরে ওঠার ক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণ বলের বিপরীতে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সবগুলো পদক্ষেপই অনুসরণ করতে হয়: - সামনের দিকে ঝোঁকা: এটি শরীরের ভারকে পায়ের সামনের দিকে স্থানান্তর করে, যা উপরে উঠতে সাহায্য করে। - হাঁটু কিছুটা ভাঁজ করা: এটি হাঁটুতে নমনীয়তা তৈরি করে এবং পেশির ওপর চাপ কমিয়ে সহজে উপরে উঠতে সাহায্য করে। - গোড়ালি উঁচু করা: এটি পায়ের আঙুলের ওপর ভার স্থানান্তর করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে সহায়তা করে।
প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর ধারাটিকে দুটি আলাদা ধারায় ভাগ করা যায়: ১ম ধারা (বিজোড় অবস্থানের সংখ্যা): ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ (প্রতিটি সংখ্যা ১ করে বাড়ছে) ২য় ধারা (জোড় অবস্থানের সংখ্যা): ৪, ৫, ৬, ৭, ... লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ২য় ধারায় ৭ এর পরবর্তী সংখ্যাটি ৮ হওয়া উচিত (৪, ৫, ৬, ৭, ৮...)। সুতরাং, ধারায় ৯ থাকলে তা ভুল সংখ্যা হিসেবে বিবেচিত হবে (কারণ ৭ এর পর ৮ বসবে, ৯ নয়)।
মানুষের জীবনের মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র বা অর্থ হলেও, প্রকৃত শিক্ষা ব্যতীত মনুষ্যত্ব অর্জন করা সম্ভব নয়। - শিক্ষা মানুষের ভেতরের সুপ্ত গুণাবলির বিকাশ ঘটায়। - এটি ন্যায়-অন্যায় বোধ জাগ্রত করে এবং বিবেকবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
পানিতে কোনো অক্ষর বা শব্দের প্রতিচ্ছবি (Water Image) নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল নিয়মটি হলো— অক্ষরটির উপরের অংশ নিচে এবং নিচের অংশ উপরে চলে আসে (Top becomes Bottom and Bottom becomes Top)। তবে অক্ষরটির ডান পাশ এবং বাম পাশ সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে।
এখন, 'FAMILY' শব্দটির প্রতিটি অক্ষরের পানিতে প্রতিচ্ছবি কেমন হবে তা ধাপে ধাপে লক্ষ্য করি: F : এর খাড়া রেখাটি আগের মতই বাম পাশে থাকবে, কিন্তু উপরের আনুভূমিক দাগগুলো নিচে চলে আসবে। A : এর শীর্ষবিন্দুটি নিচের দিকে চলে যাবে, ফলে এটি দেখতে উল্টানো 'V' (মাঝে দাগসহ) এর মতো হবে। M : এর উপরের কোণাগুলো নিচে চলে যাবে, ফলে এটি দেখতে ইংরেজি 'W' অক্ষরের মতো হয়ে যাবে। I : অক্ষরটি উপর-নিচ একই রকম হওয়ায় পানিতে এর কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে না। L : এর খাড়া রেখাটি বাম পাশেই থাকবে, তবে নিচের আনুভূমিক দাগটি উপরে ডানদিকে চলে যাবে। Y : এর উপরের 'V' আকৃতির খোলা অংশটি নিচে চলে যাবে এবং নিচের সোজা রেখাটি উপরে চলে আসবে।
এবার প্রদত্ত অপশনগুলো যাচাই করি: Option1: এখানে অক্ষরগুলো ডান থেকে বামে উল্টো ক্রমে সাজানো এবং তাদের ডান-বাম দিক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তাই এটি ভুল। Option2 ও Option3: এখানে 'L' অক্ষরটির প্রতিচ্ছবি ভুল দেওয়া আছে। এতে খাড়া রেখাটি ডান পাশে চলে গেছে, যা পানিতে প্রতিচ্ছবির ক্ষেত্রে ঘটে না। তাই এগুলোও ভুল। Option4: একমাত্র এই অপশনটিতে 'FAMILY' শব্দটির প্রতিটি অক্ষরের নিখুঁত এবং সঠিক পানির প্রতিচ্ছবি ক্রমানুসারে দেওয়া আছে।
প্রথম ৫টি মৌলিক সংখ্যা হলো: ২, ৩, ৫, ৭ এবং ১১। গড় বের করার নিয়ম: সংখ্যাগুলোর যোগফলকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে। সংখ্যাগুলোর যোগফল = ২ + ৩ + ৫ + ৭ + ১১ = ২৮ মোট সংখ্যা = ৫ নির্ণেয় গড় = ২৮ ÷ ৫ = ৫.৬
নৌকাকে বেশি গতিতে চালানোর জন্য বৈঠা পিছনে ব্যবহার করতে হয়। • এটি নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র (প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে) অনুযায়ী কাজ করে। • যখন বৈঠা দিয়ে পিছনের দিকে জল ঠেলা হয়, তখন জলও সমান ও বিপরীত দিকে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই ধাক্কার ফলে নৌকা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। • পিছনের দিকে যত জোরে বৈঠা টানা হবে, নৌকা তত বেশি গতিবেগ পাবে এবং নৌকার দিক নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ হবে।
এটি একটি সাদৃশ্য (Analogy) বা সম্পর্ক নির্ণয় বিষয়ক সমস্যা। এখানে শব্দগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক বুঝতে হবে। - সম্পর্ক: প্রথম জোড়ায় কিরণমালী হলো সূর্য-এর একটি সমার্থক শব্দ (যার কিরণ বা আলোর মালা আছে)। - একইভাবে, দ্বিতীয় জোড়ায় শশধর শব্দটি কার সমার্থক তা নির্ণয় করতে হবে। শশধর অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ (কথিত আছে চাঁদের কলঙ্কের দাগ দেখতে শশ বা খরগোশের মতো, তাই চাঁদকে শশধর বলা হয়)। সুতরাং, কিরণমালী যদি সূর্যের প্রতিশব্দ হয়, তবে শশধর নিশ্চিতভাবেই চন্দ্র-এর প্রতিশব্দ হবে।
এখানে a2 + b2 এর মান 25 বিবেচনা করতে হবে (যা সমাধানে ধরে নেওয়া হয়েছে)। দেওয়া আছে, a + b = 7 a2 + b2 = 25 আমরা জানি বীজগাণিতিক সূত্র, (a + b)2 = (a2 + b2) + 2ab মান বসিয়ে পাই: (7)2 = 25 + 2ab বা, 49 = 25 + 2ab বা, 2ab = 49 - 25 বা, 2ab = 24 বা, ab = 24 / 2 অতএব, ab = 12
এটি একটি Analogy বা সাদৃশ্যবাচক প্রশ্ন। - Cloth (কাপড়) এর ওপর সুতো দিয়ে কারুকাজ বা নকশা করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাকে Embroider (নকশা করা) বলা হয়। - একইভাবে, কোনো কিছুর ওপর Gold (সোনা) এর প্রলেপ দিয়ে বা সোনালি রঙ করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাকে Gild (সোনালি করা) বলা হয়।
অর্থাৎ, প্রথমটি হলো কাজ (Verb) এবং দ্বিতীয়টি হলো সেই কাজের সাথে সম্পর্কিত বস্তু (Noun)। অন্য বিকল্পগুলোতে এই ধরনের যৌক্তিক সম্পর্ক নেই।
ইংরেজি বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষরের অবস্থানগত মান (Place Value) যোগ করে এই মান বের করা হয়েছে। • PEN শব্দটির ক্ষেত্রে: P (১৬ তম বর্ণ) + E (৫ম বর্ণ) + N (১৪ তম বর্ণ) = ১৬ + ৫ + ১৪ = ৩৫।
একইভাবে PAGE শব্দটির মান হবে: • P (১৬) + A (১) + G (৭) + E (৫) • = ১৬ + ১ + ৭ + ৫ = ২৯।
সঠিক উত্তরটি পেতে হলে প্রদত্ত রাশিতে যোগ (+) চিহ্নের পরিবর্তে ভাগ (÷) চিহ্ন বিবেচনা করতে হবে। গাণিতিক রাশি: ০.০৮ ÷ ০.৮ দশমিক ভগ্নাংশকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই: ০.০৮ = ৮/১০০ ০.৮ = ৮/১০ এখন, (৮/১০০) ÷ (৮/১০) = (৮/১০০) × (১০/৮) = ১০/১০০ = ১/১০ = ০.১
একটি সংখ্যাকে বৃহত্তম করতে হলে এর প্রতিটি স্থানে সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় অঙ্ক বসাতে হবে। অঙ্কগুলো হলো: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্ক হলো ৯। শর্ত অনুযায়ী, ৬ অঙ্কের সংখ্যাটি ৬ দিয়ে শুরু এবং ৬ দিয়ে শেষ হতে হবে। সুতরাং, সংখ্যাটির প্রথম এবং শেষ অঙ্কটি হলো ৬। মাঝের বাকি ৪টি স্থানে বৃহত্তম অঙ্ক ৯ বসালে আমরা সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি পাব। অতএব, নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যাটি হলো: ৬৯৯৯৯৬।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
• নিয়ম অনুযায়ী, ডানদিক থেকে শুরু হয়ে ডানদিকে ফিরে গেলে অবস্থান বিয়োগ করতে হয়। • এখানে ডানদিক থেকে নির্ণেয় অবস্থান = (১৪ - ৬) = ৮ম বর্ণ। • ইংরেজি বর্ণমালায় ডানদিক থেকে ৮ম বর্ণটি হলো S। (বি.দ্র: গাণিতিকভাবে সঠিক উত্তর S হবে। প্রশ্নে যদি ডানদিকের ৫ম অক্ষরের কথা বলা হতো, তবে ডানদিক থেকে ৯ম বর্ণ হিসেবে উত্তর R হতো।)
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।