সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

GS-dump

১২৬৭ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে কোনো পরিবাহী রাখলে বা পরিবাহীর সাপেক্ষে চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন করলে পরিবাহীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়াকে তাড়িত চৌম্বক আবেশ বলা হয়। বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে এটি আবিষ্কার করেন। জেনারেটর ও ট্রান্সফরমার এই নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে রোধের কারণে ফিলামেন্টটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর ফলে তড়িৎ শক্তি প্রধানত আলোক শক্তি এবং তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে চারপাশে আলো ও উত্তাপ ছড়ায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
তড়িৎ ক্ষমতা: কোনো তড়িৎ যন্ত্র প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যয় করে বা অন্য শক্তিতে রূপান্তর করে, তাকে তড়িৎ ক্ষমতা বলে ।
- এটি কাজ সম্পন্ন করা বা শক্তি রূপান্তরের হার।
- তড়িৎ ক্ষমতার SI একক হলো ওয়াট (Watt) ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বাইরে থেকে তড়িৎ শক্তি প্রয়োগ করে দ্রবণ বা গলিত পদার্থে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হয়।
এর ফলে তড়িৎ শক্তি পরিবর্তিত হয়ে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে জমা হয়।
সুতরাং, এই প্রক্রিয়ায় মূলত তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে না, তাদের অপরিবাহী বলে ।
- পরিবাহী: বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হয় (তামা, লোহা) ।
- অপরিবাহী: বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না (রাবার, কাঁচ, শুকনো কাঠ) ।
- অর্ধপরিবাহী: পরিবহন ক্ষমতা মাঝামাঝি (সিলিকন, জার্মেনিয়াম) ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ধর্মের জন্য পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তাকে রোধ বলে । একটি আদর্শ পরিবাহী-র মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে কোনো প্রকার বাধা থাকে না। তাই আদর্শ পরিবাহীর রোধের মান হয় শূন্য ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৮২৬ সালে জার্মান পদার্থবিদ জর্জ সাইমন ওহম পরিবাহীর তড়িৎ প্রবাহ, বিভব পার্থক্য ও রোধের গাণিতিক সম্পর্ক প্রকাশ করে ওহমের সূত্র আবিষ্কার করেন ।
- সূত্রটি হলো: রোধ (R) = বিভব পার্থক্য (V) / তড়িৎ প্রবাহ (I) ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান 
ব্যাখ্যা (Explanation)
E = mc² হলো আলবার্ট আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি রূপান্তর সমীকরণ । ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে পদার্থ ও শক্তি অভিন্ন । এখানে:
- E = শক্তি
- m = ভর
- c = আলোর বেগ
ক্ষুদ্র ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বিপুল শক্তি নির্গত হওয়ার নীতি এটি ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সিরকা বা ভিনেগার হলো এসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিডের ৬%-১০% জলীয় দ্রবণ । এটি মূলত একটি জৈব এসিড যা প্রধানত খাদ্য পচন থেকে রক্ষা করতে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
pH হলো কোনো দ্রবণের অম্লতা বা ক্ষারীয়তা পরিমাপের স্কেল ।
- pH < ৭ হলে দ্রবণটি অম্লীয় ।
- pH > ৭ হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় ।
- বিশুদ্ধ পানি একটি নিরপেক্ষ দ্রবণ ।
তাই বিশুদ্ধ পানির pH-এর মান ৭ ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরুভূমিতে গরমের দিনে বালুসংলগ্ন বাতাসের স্তর হালকা ও ঘন স্তরের সৃষ্টি করে। গাছের পাতা থেকে আসা আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হলে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে । ফলে আলো প্রতিসরিত না হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে এবং পথিকের চোখে পড়লে মাটিতে পানির মতো উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি হয়, যাকে মরীচিকা বলে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ০°C তাপমাত্রায় এবং স্বাভাবিক চাপে বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩২ m/s । - প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বায়ুতে শব্দের বেগ ০.৬ m/s বৃদ্ধি পায় । - তাই স্বাভাবিক অবস্থায় বায়ুতে শব্দের প্রমিত বেগ ৩৩২ m/s ধরা হয় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৬১০ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও প্রথম জটিল বা যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র উদ্ভাবন করেন ।
- গ্যালিলিও: ১৬১০ সালে যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন ।
- রবার্ট হুক: ১৬৬৫ সালে কোষ আবিষ্কার করেন ।
- অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক: অণুজীববিজ্ঞানের জনক ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
চোখের আলোকসংবেদী অংশ রেটিনায় দুই ধরনের কোষ থাকে ।
- কোন কোষ: উজ্জ্বল আলো ও রঙিন বস্তু দেখতে সাহায্য করে ।
- রড কোষ: মৃদু আলোতে সাদা-কালো বস্তু দেখতে সাহায্য করে ।
তাই সঠিক উত্তর হলো কোন কোষ ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোকবিজ্ঞানে লাল, নীল ও সবুজ—এই তিনটি বর্ণকে মৌলিক বা প্রাথমিক বর্ণ বলা হয় ।
- এগুলো অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না ।
- এই তিনটি বর্ণ বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে দৃশ্যমান আলোকের অন্য সব বর্ণ তৈরি করা সম্ভব ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
বৃষ্টির দিনে বাতাসে ভেসে থাকা জলকণা প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যের আলো এতে প্রবেশ করলে আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটে। ফলে সাদা আলো সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে আকাশে রঙধনু সৃষ্টি করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো প্রতিসরিত হলে বিচ্ছুরণের মাধ্যমে তা সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে বর্ণালী তৈরি করে । এই রঙের ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো বেনীয়াসহকলা।
রঙের ক্রম:
- বে = বেগুনি
- নী = নীল
- য়া = আসমানী
- স = সবুজ
- হ = হলুদ
- ক = কমলা
- লা = লাল
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাদা আলো মূলত সাতটি বর্ণের আলোর মিশ্রণ । এই যৌগিক আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হলে প্রতিসরণের ফলে বিভিন্ন বর্ণের আলো ভিন্ন ভিন্ন কোণে বেঁকে যায় এবং সাতটি পৃথক বর্ণে বিভক্ত হয় । সাদা আলোর এভাবে বিভিন্ন বর্ণে বিভক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকেই আলোর বিচ্ছুরণ বলে ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় যে আপতন কোণের জন্য প্রতিসরণ কোণ ৯০° হয়, তাকে সংকট কোণ বলে ।
হীরকের ক্ষেত্রে আপতন কোণ ২৪° হলে প্রতিসরণ কোণ ৯০° হয়, তাই হীরকের সংকট কোণ ২৪° । আপতন কোণ ২৪°-এর চেয়ে বেশি হলে আলো প্রতিসরিত না হয়ে ভেতরে ফিরে আসে, যাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সমতল দর্পণে আলোর প্রতিফলনের ফলে গঠিত বিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিম্ব সর্বদা অবাস্তব ও সোজা হয় এবং তা পর্দায় ফেলা যায় না।
- বিম্বের আকার সর্বদা বস্তুর আকারের সমান হয়।
- দর্পণ থেকে বস্তুর দূরত্ব ও বিম্বের দূরত্ব সমান থাকে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
অবতল দর্পণ আলোকরশ্মিকে এক বিন্দুতে ফোকাস করে উজ্জ্বল আলো সৃষ্টি করে। এর সুবিধা হলো:
- এটি ফোকাস দূরত্বের ভেতরে থাকা বস্তুর সোজা ও বড় (বিবর্ধিত) প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- ফলে ডাক্তারগণ নাক, কান ও গলার অন্ধকার ও সূক্ষ্ম অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সহজে ও স্পষ্টভাবে দেখতে পান।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
লেজার (LASER) হলো একটি আলোকের উৎস যা উদ্দীপ্ত নির্গমন (Stimulated Emission) প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত তীব্র, সুসংগত ও একবর্ণী আলোক রশ্মি উৎপন্ন করে। এর পূর্ণরূপ হলো Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation। অন্যদিকে এলইডি হলো আলোক নির্গমনকারী ডায়োড এবং ফোটন হলো আলোর কণা।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
তাড়িত চৌম্বক বর্ণালী হলো বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গের বিস্তৃত পরিসর ।
গামা রশ্মি, এক্স-রে, অতিবেগুনি বিকিরণ ও দৃশ্যমান আলোসহ সকল বিকিরণ এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পার্থক্যের ভিত্তিতে একই বর্ণালীর অন্তর্ভুক্ত ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৬৭২ সালে বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন আলোর 'কণা তত্ত্ব' (Corpuscular Theory) প্রদান করেন । এই তত্ত্ব অনুসারে, আলো উৎস থেকে অতি সূক্ষ্ম কণার স্রোত হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে ।
- তরঙ্গ তত্ত্ব: ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস (১৬৭৮)
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব: ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক (১৯০০)

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
এন্ট্রপি হলো কোনো সিস্টেমের শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা অপ্রাপ্যতার পরিমাপ । কোনো তাপগতিবিদ্যা সংক্রান্ত ব্যবস্থা থেকে যে পরিমাণ তাপশক্তি আর কার্যকর কাজে রূপান্তর করা সম্ভব হয় না, সেটিই হলো এন্ট্রপি । অর্থাৎ সিস্টেমের কাজের শক্তির রূপান্তরহীনতাই হলো এন্ট্রপি ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের আয়তন ও আণবিক গতি তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়ে যায়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয় । সেলসিয়াস স্কেলে এই তাপমাত্রার মান –273°C (বা -273.15°C) এবং কেলভিন স্কেলে তা 0 K । এটিই মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভাব্য তাপমাত্রা ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সেলসিয়াস (C) ও ফারেনহাইট (F) স্কেলের সম্পর্কসূচক সমীকরণ: C/5 = (F - 32)/9 ।
উভয় স্কেলে সমান পাঠের জন্য C = F = x ধরি।
তাহলে, x/5 = (x - 32)/9
বা, 9x = 5x - 160
বা, 4x = -160
বা, x = -40°
সুতরাং, -40° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলে সমান পাঠ পাওয়া যায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা আলোর মাধ্যমে প্রেরিত হয় । আলো কাঁচতন্তুর ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হলে বাইরে না গিয়ে ভেতরেই সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে । এর ফলে আলো রশ্মি আটকে থেকে দ্রুত ডেটা পরিবহন করে ।
সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, যা Penicillium notatum ছত্রাক থেকে প্রাপ্ত ।
- অন্যান্যদের মধ্যে লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক , এডওয়ার্ড জেনার গুটিবসন্ত এবং রবার্ট কক যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।