ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন (47 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভেক্টর রাশিকে উপাংশে ভাগ করা সম্ভব।
- এটি ভেক্টর বিভাজন (Resolution of Vectors) নামে পরিচিত।
- একটি ভেক্টরকে দুটি বা ততোধিক উপাংশে বিভক্ত করা যায়, যা মূল ভেক্টরের সম্মিলিত প্রভাবের সমতুল্য হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি বল (যা একটি ভেক্টর রাশি) যদি কোনো বস্তুর ওপর তির্যকভাবে কাজ করে, তবে এটিকে অনুভূমিক ও উল্লম্ব উপাংশে ভাগ করা যায়।
- এই উপাংশগুলোর সমষ্টি আবার মূল ভেক্টরটিকে নির্দেশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিথ্যা ধরার যন্ত্রকে পলিগ্রাফ বলে।
- ১৯২১ সালে জন এ লারসন পলিগ্রাফ আবিষ্কার করেন।
- মিথ্যা ধরার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো মিথ্যাবাদীর শরীর ।একজন মানুষ যখন মিথ্যা কথা বলে তখন সাধারণত তার শ্বাস-প্রশ্বাসের হার,হৃদস্পন্দন ,রক্তচাপ,ঘাম প্রভৃতির কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।পলিগ্রাফ এই পরিবর্তনগুলোকেই পর্যালোচনা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রেডিও মিটার: তাপ বিকিরণ সংক্রান্ত গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।
ফটোমিটার: আলােকের তীব্রতা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার: বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ ও জটিল গণনায় ব্যবহৃত হয়।
অ্যামমিটার: তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাইড্রোমিটার হচ্ছে তরল পদার্থের আপেক্ষিক ঘনত্ব বা Relative Density পরিমাপের একটি যন্ত্র। যেহেতু এটা "আপেক্ষিক" ঘনত্ব পরিমাপ করে তার মানে হলো এটি কোন একটি তরল পদার্থের স্বাপেক্ষে অন্য কোন তরল পদার্থ কতটা/কত গুণ ঘন সেটা পরিমাপ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-ফনোগ্রাফ যন্ত্র আবিষ্কার করেন টমাস আলভা এডিসন।
- তিনি ১৮৭৭ সালে এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন।
- ফনোগ্রাফ হলো একটি যান্ত্রিক যন্ত্র যা শব্দকে রেকর্ড এবং পুনরুদ্ধার করতে পারে। 
-এটি একটি সিলিন্ডার বা ডিস্কের উপর শব্দ তরঙ্গগুলিকে রেকর্ড করে। 
-যখন সিলিন্ডার বা ডিস্কটি ঘুরানো হয়, তখন শব্দ তরঙ্গগুলি একটি ডায়াফ্রামকে কম্পন করে তোলে এবং এটি একটি শব্দ উৎপন্ন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

মাদাম কুরি’ একজন মহীয়সী নারী বিজ্ঞানী । তিনি একটি নয়, দু-দুটো নোবেল পেয়েছিলেন, একটি পদার্থ বিজ্ঞানে(১৯০৩) অন্যটি রসায়নে(১৯১১)। তিনিই নোবেল বিজয়ী প্রথম নারী এবং দু’টি নোবেল বিজয়ী প্রথম ব্যক্তি। মাদাম কুরি তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম আবিষ্কার করেছিলেন এবং তিনি মানব দেহের ওপর রেডিয়ামের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। যে রেডিয়াম তিনি নিজে আবিষ্কার করেছিলেন, তার ক্ষতিকর প্রভাবেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মানুষকে ব্যথামুক্ত জীবন দিতে গিয়ে নিজেই অবর্ণণীয় ব্যাথা সহ্য করেছিলেন।

কুরি’র এগিয়ে যাবার পথ ছিলনা সোনায় রাঙানো বরং সেই ছোটবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্ট, অনাহারি দিন এবং অপবাদ ছিলো কুরি’র জীবনের নিত্য সঙ্গী। তবুও, বিজ্ঞানের এই ধ্রুব তারা থমকে যায়নি ; নিজের লক্ষ্যপানে ছুটে চলেছিল নিরন্তর এবং নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন অনন্য উচ্চতায়।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদানের জন্য বিখ্যাত। আপেক্ষিক তত্ত্ব বলতে সাধারণত বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নামের দুটি পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত তত্ত্বকে বোঝায়, যেটা যথাক্রমে ১৯০৫ এবং ১৯১৫ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন প্রকাশ করেন। বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি মহাকর্ষের অনুপস্থিতিতে সমস্ত ভৌত ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । আর সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি জ্যোতির্বিদ্যা সহ অন্যান্য মহাজাগতিক ক্ষেত্রে এবং জ্যোতির্পদার্থগত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাইড্রোমিটার (Hydrometer) - তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
অ্যাটমোমিটার (Atmometer) - বাষ্পীভবনের হার 
পাইরোমিটার (Pyrometer) - উচ্চ তাপমাত্রা
স্পিডোমিটার (Speedometer) - ধাবমান বস্তুর গতি, বেগ
স্ফিগোমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) - রক্ত চাপ
অডিওমিটার (Audiometer) - শ্রাব্যতা
ব্যারোমিটার (Barometer) - বায়ুচাপ 
গ্যালভানোমিটার (Galvanometer) - বিদ্যুৎ
হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) - আর্দ্রতা
ল্যাক্টোমিটার (Lactometer) - দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
বলোমিটার (Bolometer) - তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ
ক্যালোরিমিটার (Calorimeter) - রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ধারণের জন্য বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত স্কেলের নাম হলো রিখটার স্কেল
- সিসমোগ্রাফ (Seismograph) যন্ত্র থেকে পাওয়া তথ্য এবং রেখাচিত্র বিশ্লেষণ করে গাণিতিকভাবে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিখটার স্কেলের মাধ্যমে।
- রিখটার স্কেলে সাধারণত ০ থেকে ১০ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা যায়।
- ১৯৩৫ সালে চার্লস এফ. রিখটার এই স্কেলটি উদ্ভাবন করেন এবং এটি একটি ১০-ভিত্তির লগারিদমীয় পরিমাপ পদ্ধতি।
- অন্যদিকে কার্ডিওগ্রাফ দিয়ে হৃৎস্পন্দন, ক্রেসকোগ্রাফ দিয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং কম্পাস দিয়ে দিক নির্ণয় করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
- Sphygmomanometer শব্দটি মূলত দুটি ভিন্ন শব্দের সমন্বয়।
- গ্রীক Sphygmos = Pulse এবং বৈজ্ঞানিক পরিভাষা Manometer = চাপ পরিমাপক যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রে মূলত একটি প্রসারণক্ষম হস্তবন্ধনী (Cuff) এবং একটি ম্যানোমিটার থাকে।
- যন্ত্রের কাফে সংশ্লিষ্ট ধমনীর প্রবাহকে বাঁধাগ্রস্থ করে আর ম্যানোমিটার রক্তচাপ পরিমাপ করে।
- কাফের চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকলে একটি নির্দিষ্ট চাপে রক্তপ্রবাহ পুনরায় শুরু হয় এবং একসময় পুরোপুরি বাঁধাহীন হয়।
- যে চাপে রক্তপ্রবাহ শুরু হয় তাকে সিস্টোলিক চাপ আর যে চাপে রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণ বাঁধামুক্ত হয় তাকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে।
- রক্তপ্রবাহ শুরু এবং বাঁধাহীন হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে একধরণের বিশেষ শব্দ (Korotkoff sound) শোনা যায়।
- এই শব্দ শোনার জন্য ম্যানুয়াল স্ফিগমোম্যানোমিটারের সাথে একটি স্টেথোস্কোপ ব্যবহৃত হয়।
- এই যন্ত্র সাধারণত মি.মি. পারদ চাপ (mmHg) এককে রক্তচাপ পরিমাপ করে। 
- স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল রিটার ভন বাস্ক (১৮৩৭-১৯০৫) নামক একজন অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক ১৮৮১ সালে এটি আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে অধিকতর সহজ করে ব্যবহার উপযোগী করেন ইটালিয়ান শিশু চিকিৎসক রিভা রকি।
- তবে ১৯০১ সালে এই যন্ত্রের আধুনিকায়ন করে মেডিকেল কমিউনিটিতে জনপ্রিয় করেন Cushing Syndrome এর আবিষ্কারক হার্ভে উইলিয়াম কুশিং।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

 

 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।

- ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
- ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র।
- জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
- এনিমোমিটার - বাতাসের গতিবেগ ও শক্তি পরিমাপক যন্ত্র।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পারসেক ইংরেজি parsec হলো মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপে ব্যবহৃত একটি একক। যেসব নক্ষত্রের লম্বন ১ সেকেন্ড তাদের দূরত্ব ১ পারসেক। ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ। রাতের আকাশে আমরা যে সকল নক্ষত্র দেখতে পাই তার বেশীরভাগই সূর্য থেকে ৫০০ পারসেক দূরত্বের মধ্যে অবস্থান করছে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে নিক্তির মাধ্যমে কোনো বস্তুর ওজন সরাসরি পরিমাপ করা যায় তাকে স্প্রিং নিক্তি বলে। স্প্রিং নিক্তি যা নিউটন মিটার হিসাবে পরিচিত, স্প্রিং নিক্তি দিয়ে বস্তুর ওজন মাপা হয়। এটিতে একটি স্প্রিং অন্তর্ভুক্ত যা অন্য প্রান্তে বিভিন্ন বস্তু সংযুক্ত করার জন্য হুকের সাথে এক প্রান্তে স্থির করা হয়েছে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

• আলোর ফ্লাক্সের (Luminous Flux) একক - লুমেন
• চৌম্বক ফ্লাক্সের একক - ওয়েবার  
• দীপন তীব্রতার (Luminous intensity) একক - ক্যান্ডেলা
• দীপন মাত্রার (Illumination) একক - লাক্স

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0