পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন (120 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কর্পূর, আয়োডিন, ন্যাপথালিন, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করলে সরাসরি বাম্পে পরিণত হয়। এদেরকে উর্ধ্বপাতিত বস্তু বা উদ্বায়ী পদার্থ বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কঠিন পদার্থের কণাগুলো (অণু, পরমাণু বা আয়ন) একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি (Intermolecular Forces) অনেক শক্তিশালী হয়। এই তীব্র আকর্ষণের কারণেই কঠিন পদার্থের একটি নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে এবং কণাগুলো নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে শুধু কম্পন করতে পারে, কিন্তু চলাচল করতে পারে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔অঁতোয়ান হেনরি বেকেরেল (১৫ই ডিসেম্বর ১৮৫২ - ২৫শে আগস্ট ১৯০৮ ) একজন ফরাসি পদার্থবিদ।

✔ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তিনি তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে তেজস্ক্রিয়তার একটি এককের নাম রাখা হয়েছে বেকেরেল।

✔তিনি ১৯০২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্বাভাবিক অবস্থায় ৫টি ধাতু তরল অবস্থায় থাকে।
ধাতুগুলো হলো-
-পারদ (-৩৯ ডিগ্রি সে),
-ফ্র্যান্সিয়াম (২৭ ডিগ্রি সে) ,
-সিজিয়াম (২৮.৫ ডিগ্রি সে),
-গ্যালিয়াম (৩০ ডিগ্রি সে) ,
-রুবিডিয়াম (৩৯ ডিগ্রি সে)।

- তরল পদার্থগুলোর মধ্যে পারদ সর্বাপেক্ষা ভারী।পারদ সর্বাপেক্ষা নিম্নগলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু।অল্প তাপে এর আয়তন অনেক বৃদ্ধি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃষ্ঠটান (ইংরেজি: Surface Tension) হলো প্রবাহীর পৃষ্ঠের একটি স্থিতিস্থাপক প্রবণতা, যা তার উপরিতলকে সম্ভাব্য সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল প্রদান করে।
- তরলের পৃষ্ঠটান পরিমাপক যন্ত্রের নাম টেনসিওমিটার

পৃষ্ঠটান এর উদাহরণ

-কচুপাতায় জল ফেললে পৃষ্ঠটানের জন্য জল গোলাকার আকার ধারণ করে।
-পৃষ্ঠটানের জন্য বৃষ্টির জল গোলাকার পরিণত হয়।
-একটি দলবিহীন সুচ জলের উপরে সাবধানে রাখলে সুষ্ঠু ভেসে থাকে পৃষ্ঠটান এর জন্য।
-মাকড়সা জলের পৃষ্ঠটান এর জন্য জলের উপর দিয়ে হেঁটে যেতে পারে।
-নদীর তীরে ভিজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে পদচিহ্ন মিছে যায় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্লাজমা তৈরির উপায়: প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়। শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করেও প্লাজমা করা যায়। টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়। নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায় সেগুলাের ভেতরে প্লাজমা তৈরি হয় বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলাে দেখা যায় সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-Volatility হল তরলের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রবণতা। 
-এটি তরলের অণুগুলির গতিশীলতা এবং আন্তঃঅণু আকর্ষণ শক্তির উপর নির্ভর করে। 
-উচ্চতর গতিশীলতা এবং নিম্নতর আন্তঃঅণু আকর্ষণ শক্তির তরলগুলি আরও বেশি অস্থির হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভৌত পরিবর্তন এর উদাহরণ-
- একটি কাঁচ পাত্র ভেঙ্গে গেলে।
- লোহা চুম্বকে পরিণত হলে।
- মোমকে তাপ দিয়ে গলালে ইত্যাদি।
- মোমবাতি জ্বালানো একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বায়বীয় পদার্থ সবসময়ই যে পাত্রে রাখা হয় সে পাত্রজুড়ে অবস্থান করে৷ অর্থাৎ, একই পরিমাণ গ্যাস যদি একটি বড় সিলিন্ডারে এবং আরেকটি ছোটো সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে সেই গ্যাস পুরোটা জুড়ে থাকবে৷
প্রশ্নের প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র সেন্টই এই শর্ত পূরণ করতে পারে যেহেতু এটা গ্যাসীয় পদার্থ ।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দুনিয়ার বাকি সব পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তাদের ঘনত্ব কমে এবং তাপ কমালে ঘনত্ব বাড়ে । পানিকেও তাপ প্রয়োগ করলে এমনই আয়তন বাড়বে আর ঘনত্ব কমবে আবার তাপ কমিয়ে আনলে আয়তন কমবে আর ঘনত্ব বাড়বে । শুধুমাত্র এক জায়গায় ব্যাতিক্রম তা হলো । ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। এই কারণে এই তাপমাত্রায় পানির সঠিক আয়তন পাওয়া যায়।  সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল অবস্থায় থাকে । পানির তাপমাত্রা ০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে আসলে বরফে পরিণত হয় । ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। যেমন- কর্পুর, গন্ধক, আয়োডিন, ন্যাপথালিন, নিশাদল, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড,   কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্সেনিক, বেনজয়িক এসিড ইত্যাদি। কিন্তু বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।

-অ্যামোনিয়া নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত NH3। এটি সরলতম নিকটোজেন হাইড্রাইড, অ্যামোনিয়া হল চরিত্রগত কটু গন্ধ যুক্ত বর্ণহীন গ্যাস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আদর্শ বা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট
- যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে, তাকে ঐ তরলের স্ফুটনাংক (Boiling Point) বলা হয়।
- যতক্ষণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই তাপমাত্রা স্থির থাকে।
- পানির গলনাংক বা যে তাপমাত্রায় বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়, তা হলো ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৭৩.১৫ কেলভিন)।
- পাহাড়ের চূড়ায় বা উচ্চ স্থানে বায়ুর চাপ কম থাকায় সেখানে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কম তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর সময় এটি একটি ভৌত পরিবর্তন ঘটায়।
- ভৌত পরিবর্তনের সংজ্ঞা অনুযায়ী, পদার্থের বাহ্যিক অবস্থা বা ধর্ম পরিবর্তিত হয়, কিন্তু এর রাসায়নিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে।
- বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর সময় এর ফিলামেন্ট উত্তপ্ত হয়ে আলো উৎপন্ন করে, কিন্তু এতে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে পরিবর্তনের ফলে এক বা একাধিক বস্তু প্রত্যেকে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে এক নতুন ধর্ম বিশিষ্ট এক বা একাধিক বস্তুতে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে ।যেমন - লোহার উপর মরিচা পড়া ,দুধ থেকে দই ইত্যাদি ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তাপ প্রয়োগে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হওয়াকে গলন বলে।কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে প্রথমে তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে।একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলতে শুরু করে। এ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে গলনাঙ্ক বলে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ,আয়তন এবং দৃঢতা আছে তাদের কঠিন পদার্থ বলে।যেমন-বালু,পাথর,লবন ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিনত হতে থাকে।যতক্ষন পর্যন্ত সম্পূর্ন তরল বাষ্পে পরিনত না হয় ততক্ষন ঐ উষ্ণতা স্থির থাকে।ঐ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে তা বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক 0°C।
- যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে থাকে তা পানির স্ফুটনাংক। পানির স্ফুটনাংক 100°C। 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, বর্ণ হীন ও গন্ধহীন। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তাপ প্রয়োগে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হওয়াকে গলন বলে।কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে প্রথমে তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে।একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলতে শুরু করে। এ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে গলনাঙ্ক বলে।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পদার্থের অবস্থা ৩ টি।যথা- ১।কঠিনঃনির্দিষ্ট আয়তন ও আকার এবং দৃঢতা আছে। ২।তরলঃনির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই । ৩।বায়বীয়ঃনির্দিষ্ট আয়তন ও আকার নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। যেমন- কর্পুর, গন্ধক, আয়োডিন, ন্যাপথালিন, নিশাদল, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্সেনিক, বেনজয়িক এসিড ইত্যাদি। কিন্তু বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পানি যখন ফুটতে থাকে তার উষ্ণতার একই থাকে।

- স্ফুটনাঙ্ক হলো এমন একটি তাপমাত্রা যাতে পৌছালে তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়।তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে থাকলে এক পর্যায়ে তাপমাত্রা স্থীর হয়ে যায়।এরপর আর তাপ প্রয়োগ করলেও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয়না।
 
- একটি সময় পর অর্থাৎ যতক্ষণে সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত হয় ততক্ষণ পর আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।এই স্থির তাপমাত্রাটিই হলো স্ফুটনাঙ্ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লবণ ছাড়া অন্যগুলো পদার্থ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা গলনাংক এর মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হিগস কণাটি হিগস-বোসন কণা নামেও পরিচিত৷ এই বোসন নামটি এসেছে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোসের নাম থেকে ‘বোসন' নামের উৎপত্তি৷
- তিনি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন৷ । ১৯২৪ সালে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও আলবার্ট আইনস্টাইন বোসন জাতের কণার প্রথমে ব্যাখ্যা দেন। 

‘‘বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মৌলিক কণাগুলোকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করি৷ একটা ভাগ হচ্ছে ফার্মিয়ন৷ আর অন্যটা বোসন৷ ফার্মিয়ন। 
২০১২ সালের ৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সার্নের গবেষকেরাই ঘোষণা দিলেন হিগস বোসনের অনুরূপ একটি কণা আবিষ্কারের।
হিগস আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. লস্কর মোহাম্মদ কাশিফ৷।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাদেরকে মৌল বা মৌলিক পদার্থ বলা হয়। এদের একটি অণু একই রকম এক বা একাধিক পরমাণু/পরমাণুর সমন্বয়ে তৈরি। যেমন, একটি মৌলিক পদার্থ, অক্সিজেনের অণু O2 দুটি একইরকম অক্সিজেন পরমাণু O এর সমন্বয়ে গঠিত। এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮। প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ৯৮। কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ ২০টি। সোর্সঃ ৭ম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

-নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় বড় নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হলে তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলা হয় ।
-আবার ছোট ছোট নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে বড় নিউক্লিয়াসও তৈরি হতে পারে ।
-একে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া বলে 

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0