১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যগণ ভারতের আগরতলায় একত্রে হয়ে একটি সরকার গঠন করার সর্বসম্মত দিদ্ধান্ত উপনীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। এরপর ১৭ এপ্রিল ,১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের পর গঠিত মন্ত্রীসভার সদস্য ৬ জন ।
যথা ঃ
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। - রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। - অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী। - স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং - পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের জন্য সুপরিকল্পিত নির্ধারিত রীতিনীতিই হচ্ছে Protocol .ইন্টারনেট বহুল ব্যবহৃত প্রটোকল হচ্ছে Transmission Control Protocol /Internet protocol । এ protocol -টি ১৯৮২ সালে উদ্ভাবিত হয় TCP/IP প্রটোকলে ৪ টি স্তর রয়েছে ।
-American Standard Code for information Interchange (ASCII) বিশেষ ধরনের কোড পদ্ধতি, যা অধিকাংশ মাইক্রোকম্পিউটারে বর্ণমালা সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়.
- ১৯৬৫ সালে Robert William Bemer 7 বিটের ASCII কোড ,উদ্ভাবন করেন ।
- এটি একটি বহুল প্রচলিত 7 বিট কোড ,যার বাম দিকের ৩ টি বিটকে জোন ,এবং ডান দিকের 4 টি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট ধরা হয় ,তবে সর্ব বামে 1 টি প্যারিটি বিট যোগ করে এক 8 বিট ASCII তে পরিণত করা হয় ।
- এই কোডের 7 টি বিট দ্বারা 2⁷=128 টি ক্যারেক্টার প্রকাশ করা যায়।
৮ জুলাই ,২০২২ সালে জাপানের নারা শহরের এক ট্রেন স্টেশনের কাছে নির্বাচনী পথসভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় তেতসুইয়া ইয়ামাগামি নামের এক বন্দুকধারীর হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে নিহত হন ।উল্লেখ্য ,শিনজো আবে ২০০৬ সালে ১ম বারের মতো জাপানের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত হন ।তিনি স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ।
হ্যাকারঃ হ্যাকার হচ্ছে এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, যারা কম্পিউটারের ব্যবস্থার ব্যাপারে সাধারণের চেয়ে বেশি আগ্রহী এবং তারা একটি কম্পিউটার ব্যবস্থার খুঁটিনাটি সব জানতে চায়। তারা সাধারণ মানুষের চেয়ে একটু ভিন্নভাবে একটি কম্পিউটার ব্যবস্থাকে চিন্তা করে। মূলত তারা কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তারা অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাপারে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি জানে। একটি কম্পিউটার ব্যবস্থা বা নেটওয়ার্কের কোথাও কোনো ফাঁক আছে কি না তারা তার খোঁজ করে। সিস্টেম বা নেটওয়ার্কটির ব্যাপারে বিস্তারিত জানে এবং সংশ্লিষ্টদের সেই সিস্টেমের ত্রুটির ব্যাপারে জানায় এবং এ ত্রুটি কেন হয়, কীভাবে তা বন্ধ করা যায় তাও বের করে। তারা তাদের সংগৃহীত জ্ঞান সবার জন্য মুক্ত করে দেয়। হ্যাকাররা এসব কাজ কোনো অর্থনৈতিক লাভের আশায় করে না। নিউ হ্যাকারস ডিকশনারি (এমআইটি প্রেস ১৯৯৬) বইয়ে এরিক এস রাইমন্ড হ্যাকারদের সংজ্ঞা দেন এভাবে− ‘হ্যাকার হচ্ছে এমন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি, যে বিভিন্ন প্রোগ্রামেবল সিস্টেমে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে।’ হ্যাকাররা যে শুধু কম্পিউটার সিস্টেমেই ঘুরে বেড়ায় তা নয়, তারা বিভিন্ন সফটওয়্যারের ত্রুটি বের করে সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানকে জানায়।
✿ হ্যাকার তিন ধরনেরঃ
- White hat hacker - Grey hat hacker - Black hat hacker
∎ White hat hacker: White hat hacker হ্যাকাররাই তার প্রমান করে যে হ্যাকিং খারাপ কাজ না। যেমন একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিকে ত্রুটি দ্রুত জানায়। এবার সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে্ একটি ওয়েব সাইট, একটি সফটোয়ার ইত্যাদি।
∎ Grey hat hacker: Grey hat hacker হচ্ছে দু মুখো সাপ। কেন বলছি এবার তা ব্যাখ্যা করি। এরা যখন একটি একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করবে। তার মন ঐ সময় কি চায় সে তাই করবে। সে ইচ্ছে করলে ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিকে ত্রুটি জানাতে ও পারে অথবা ইনফরমেশন গুলো দেখতে পারে বা নষ্ট ও করতে পারে। আবার তা নিজের স্বার্থের জন্য ও ব্যবহার করতে পারে। বেশির ভাগ হ্যকার রাই এ ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে।
∎ Black hat hacker: আর সবছেয়ে ভয়ংকর হ্যাকার হচ্ছে এ Black hat hacker । এরা কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করলে দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। ঐ সিস্টেম নষ্ট করে। বিভিন্ন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়। ভাবিষ্যতে নিজে আবার যেন ঢুকতে পারে সে পথ রাখে। সর্বোপরি ঐ সিস্টেমের অধিনে যে সকল সাব-সিস্টেম রয়েছে সে গুলোতেও ঢুকতে চেষ্টা করে।
ক্র্যাকারঃ ক্র্যাকাররাও একধরনের হ্যাকার, তবে এরা বিভিন্ন সিস্টেমে ঢুকে সেটির অনেক কিছু পরিবর্তন করে কম্পিউটার ভাইরাস দিয়ে সব তথ্য মুছে দেয়। অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করে তার বিনিময়ে টাকা দাবি করে। এ ধরনের হ্যাকারকে ক্র্যাকার বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের পুনরুজ্জীবিত এবং চাঙ্গা করতে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে I2U2 নতুন অর্থনৈতিক জোট গঠন করা হয় । এ জোটের ৪ টি সদস্য দেশ হল -ইসরাইল ,ভারত ,যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
FIFA World Cup -2022 - আয়োজক দেশ : কাতার - আসর : ২২তম - মাসকট : লায়েব - অফিসশিয়াল বলের নাম : আল রিহলা - অংশগ্রহণকারী দেশ : ৩২ টি - ম্যাচ সংখ্যা: ৬৪ - শুরু হবে : ২১ নভেম্বর ২০২২ - শেষ হবে : ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ (১৮ ডিসেম্বর কাতারের জাতীয় দিবস) - খেলা হবে : ৫ টি শহরের ৮ টি মাঠে।
যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম The Bank of England .এটি ১৬৯৪ সালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়. পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
BRICS হল উদীয়মান অর্থনৈতিক পরাশক্তিদের একটি জোট । - এটি ২০০৮ সালে BRIC নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগদান করার পর এর নামকরণ করা হয় BRICS . - এর বর্তমান সদস্য ১০ (ব্রাজিল,রাশিয়া,ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব) - ১৫তম সম্মেলন জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা -এ আরো নতুন ৬ দেশকে অনুমোদন দেয়। - BRICS এর উদ্যোগে ২০১৪ সালে New Development Bank প্রতিষ্ঠায় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং - ২১ জুলাই, ২০১৫ সালে NDB এর পরিচালনা পর্ষদ BRICS জোটের বাহিরে বাংলাদেশ ,সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং উরুগুয়েকে নতুন সদস্য হিসেবে অনুমোদন দেয় . - ১৬ সেপ্টেম্বর ,২০২১ সালে বাংলাদেশ এ ব্যাংকে সদস্য হিসেবে যোগদান করে. - ২৭ জুন, ২০২২ সালে ইরান ও আর্জেন্টিনা BRICS জোটের সদস্য পদের জন্য আবেদন জমা দেয়।
টাইম্স স্কয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কেন্দ্রস্থলে ম্যানহাটানে অবস্থিত একটি সড়ক চত্বর। টাইমস স্কয়ার নিয় ইয়র্ক শহরের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক এলকা। একে 'পৃথিবীর সড়ক সংযোগস্থল' বলা হয়।
এই সিরিজে দুইটা পার্ট আছে, একটা জোড় সংখ্যার সিরিজ ও অন্যটি বিজোড় সংখ্যার সিরিজ। প্রতিটি সিরিজে সংখার সাথে ২ যোগ হয়ে পরবর্তী সংখ্যা হয়। তাই ৮ + ২ = ১০ হবে।
(1,13) ও (-3,6) বিন্দু দুটি দ্বারা গঠিত রেখার সমীকরণ , (x-1)/1-(-3) =(y-13)/(13-6) বা, (x-1)/4=(y-13)/7 বা, 4y-52=7x-7 বা, 4y=7x-7+52 অতএব, y=(7/4)x+45 সমীকরণটিকে y=mx+c এর সাথে তুলনা করে পাই , m=7/4 = 1.75 সুতরাং ঢাল =1.75
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ বর্তমান কোর্সঃ
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩) ৫১ তম বিসিএস প্রস্তুতি ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস ৪) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৫) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৬) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতির লং কোর্স (২৭৬ দিন) ৭) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ৮) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। - ১৯তম সমাজ বিজ্ঞান ও গ্রন্থগার