বাংলাদেশের সুন্দরবন দেশের মোট বনভূমির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বা ৬০১,৭০০ হেক্টর, যা দেশের মোট বনভূমির প্রায় ৪২% প্রতিনিধিত্ব করে ।
বাংলাদেশের মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১.৪২৯ মিলিয়ন হেক্টর । এই হিসাবে, সুন্দরবন দেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।
পদ্ধতি-১: ১২ জন লোক কাজটি করতে পারে = ৯ দিনে ১ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১২ × ৯) দিনে [১ জন করলে সময় বেশি লাগবে, তাই গুণ] ১৮ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১২ × ৯) / ১৮ দিনে [লোক বাড়লে সময় কম লাগবে, তাই ভাগ] = ৬ দিনে।
পদ্ধতি-২: আমরা জানি, ১ম লোক × ১ম দিন = ২য় লোক × ২য় দিন এখানে, ১ম লোক = ১২ জন ১ম দিন = ৯ দিন ২য় লোক = ১৮ জন ২য় দিন = ?
প্রশ্নমতে, ১৮ × ২য় দিন = ১২ × ৯ বা, ২য় দিন = (১২ × ৯) / ১৮ বা, ২য় দিন = ৬
- বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । - তিনি ১৮৪৭ সালে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের মাধ্যমে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন । - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বাংলা গদ্যে কিছুটা ছন্দ আনলেও সে গদ্য দূরীন্বয়ী দোষ থেকে গেছে । - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্পগুণান্বিত করে তোলেন । - বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিলেন । - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলাগদ্যের 'প্রথম শিপ্লী' হিসেবে অভিহিত করেছেন ।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধার (স্থান)-কে অধিকরণ কারক বলে। সহজ কথায়, ক্রিয়াটি কোথায় বা কখন সংঘটিত হচ্ছে তা বোঝালে সেটি অধিকরণ কারক হয়।
প্রদত্ত বাক্যটিতে 'এ বাড়িতে কেউ নেই' বলতে একটি নির্দিষ্ট স্থান বা জায়গা বোঝানো হচ্ছে। প্রশ্ন করা যেতে পারে— 'কোথায় কেউ নেই?' উত্তর আসবে— 'বাড়িতে'। যেহেতু 'বাড়ি' একটি স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।
এবার বিভক্তি নির্ণয় করা যাক: মূল শব্দ 'বাড়ি' এর সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ', 'য়', 'তে', 'এতে'— এই বিভক্তিগুলো সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন।
সুতরাং, সামগ্রিকভাবে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো: * ক্রিয়াকে 'কোথায়' (স্থান), 'কখন' (সময়) বা 'কী বিষয়ে' (বিষয়) দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক। * অধিকরণ কারক প্রধানত তিন প্রকার: ১. কালাধিকরণ: যে কালে বা সময়ে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। (যেমন: প্রভাতে সূর্য ওঠে।) ২. আধারাধিকরণ: যে স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। (যেমন: বনে বাঘ থাকে।) ৩. ভাবাধিকরণ: যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। (যেমন: কান্নায় কি শোক কমে?)
• উদাহরণ: - তিলে তৈল আছে। (আধারাধিকরণ - ঐকদেশি্ক) - পুকুরে মাছ আছে। (আধারাধিকরণ - ঐকদেশি্ক) - সকালে সে আসবে। (কালাধিকরণ) - তিনি ব্যাকরণে পন্ডিত। (বিষয়াধিকরণ)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - অপাদান কারক: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। যেমন— 'গাছ থেকে পাতা পড়ে'। কিন্তু এখানে কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না, বরং একটি স্থানে অবস্থান (বা না থাকা) বোঝাচ্ছে। - করণ কারক: 'করণ' শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণকে করণ কারক বলে। যেমন— 'কলম দিয়ে লিখি'। বাড়িতে কোনো উপকরণ বা মাধ্যম নয়। - কর্ম কারক: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে কর্ম কারক পাওয়া যায়। এখানে বাড়ি কোনো কাজকে আশ্রয় দিচ্ছে না, বরং স্থান নির্দেশ করছে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।