বন অধিদপ্তর - (বন প্রহরী) - ২৫.০৪.২০২৫ (70 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

বাংলাদেশের সুন্দরবন দেশের মোট বনভূমির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বা ৬০১,৭০০ হেক্টর, যা দেশের মোট বনভূমির প্রায় ৪২% প্রতিনিধিত্ব করে ।​

বাংলাদেশের মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১.৪২৯ মিলিয়ন হেক্টরএই হিসাবে, সুন্দরবন দেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গমিটার
ভূমি = ১৮ মিটার

আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
⇒ ২১৬ = (১/২) × ১৮ × উচ্চতা
⇒ ৯ × উচ্চতা = ২১৬
⇒ উচ্চতা = ২১৬/৯
⇒ উচ্চতা = ২৪ মিটার

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পদ্ধতি-১:
১২ জন লোক কাজটি করতে পারে = ৯ দিনে
১ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১২ × ৯) দিনে [১ জন করলে সময় বেশি লাগবে, তাই গুণ]
১৮ জন লোক কাজটি করতে পারে = (১২ × ৯) / ১৮ দিনে [লোক বাড়লে সময় কম লাগবে, তাই ভাগ]
= ৬ দিনে।


পদ্ধতি-২:
আমরা জানি,
১ম লোক × ১ম দিন = ২য় লোক × ২য় দিন
এখানে,
১ম লোক = ১২ জন
১ম দিন = ৯ দিন
২য় লোক = ১৮ জন
২য় দিন = ?

প্রশ্নমতে,
১৮ × ২য় দিন = ১২ × ৯
বা, ২য় দিন = (১২ × ৯) / ১৮
বা, ২য় দিন = ৬

সঠিক উত্তর: (B) ৬ দিন

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।
- তিনি ১৮৪৭ সালে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের মাধ্যমে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন । 
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বাংলা গদ্যে কিছুটা ছন্দ আনলেও সে গদ্য দূরীন্বয়ী দোষ থেকে গেছে ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্পগুণান্বিত করে তোলেন ।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিলেন ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলাগদ্যের 'প্রথম শিপ্লী' হিসেবে অভিহিত করেছেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধার (স্থান)-কে অধিকরণ কারক বলে। সহজ কথায়, ক্রিয়াটি কোথায় বা কখন সংঘটিত হচ্ছে তা বোঝালে সেটি অধিকরণ কারক হয়।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'এ বাড়িতে কেউ নেই' বলতে একটি নির্দিষ্ট স্থান বা জায়গা বোঝানো হচ্ছে। প্রশ্ন করা যেতে পারে— 'কোথায় কেউ নেই?' উত্তর আসবে— 'বাড়িতে'। যেহেতু 'বাড়ি' একটি স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।

এবার বিভক্তি নির্ণয় করা যাক:
মূল শব্দ 'বাড়ি' এর সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ', 'য়', 'তে', 'এতে'— এই বিভক্তিগুলো সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন।

সুতরাং, সামগ্রিকভাবে এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
* ক্রিয়াকে 'কোথায়' (স্থান), 'কখন' (সময়) বা 'কী বিষয়ে' (বিষয়) দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক
* অধিকরণ কারক প্রধানত তিন প্রকার:
১. কালাধিকরণ: যে কালে বা সময়ে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। (যেমন: প্রভাতে সূর্য ওঠে।)
২. আধারাধিকরণ: যে স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। (যেমন: বনে বাঘ থাকে।)
৩. ভাবাধিকরণ: যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। (যেমন: কান্নায় কি শোক কমে?)

উদাহরণ:
- তিলে তৈল আছে। (আধারাধিকরণ - ঐকদেশি্ক)
- পুকুরে মাছ আছে। (আধারাধিকরণ - ঐকদেশি্ক)
- সকালে সে আসবে। (কালাধিকরণ)
- তিনি ব্যাকরণে পন্ডিত। (বিষয়াধিকরণ)

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারক: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। যেমন— 'গাছ থেকে পাতা পড়ে'। কিন্তু এখানে কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না, বরং একটি স্থানে অবস্থান (বা না থাকা) বোঝাচ্ছে।
- করণ কারক: 'করণ' শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণকে করণ কারক বলে। যেমন— 'কলম দিয়ে লিখি'। বাড়িতে কোনো উপকরণ বা মাধ্যম নয়।
- কর্ম কারক: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে কর্ম কারক পাওয়া যায়। এখানে বাড়ি কোনো কাজকে আশ্রয় দিচ্ছে না, বরং স্থান নির্দেশ করছে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0