সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

পিএসসি (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়) - সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সামুদ্রিক মৎস্য শাখার পরিদর্শক (সেট : ৩) - ২০.০১.২০২৬

৯৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভিটামিন 'সি'-এর রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক এসিড (Ascorbic Acid)।
- ভিটামিন 'সি'-এর অভাবে মূলত স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয়।
- স্কার্ভি রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া এবং মাড়ি থেকে রক্ত ও পুঁজ পড়া।
- এছাড়া এই ভিটামিনের অভাবে শরীরের ক্ষত সারতে বা ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগতে অনেক দেরি হয়।
- ভিটামিন 'সি' ত্বক, হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয় এবং ভিটামিন 'বি-৩' (নিয়াসিন)-এর অভাবে পেলাগ্রা রোগ হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) হলো প্রাণীজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্ব।
- সমগ্র প্রাণীজগতের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ প্রাণীই এই পর্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এদের দেহ সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিশিষ্ট এবং দেহ খণ্ডিত।
- এই পর্বের প্রাণীদের দেহে কাইটিন নির্মিত শক্ত বহিঃকঙ্কাল থাকে যা তাদের রক্ষা করে।
- চিংড়ি, কাঁকড়া, মাছি, তেলাপোকা এবং বিভিন্ন ধরণের কীটপতঙ্গ এই পর্বের উদাহরণ।
- প্রাণীজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্ব হলো মলাস্কা (Mollusca)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জন্মের সময় মানব শিশুর দেহে প্রায় ২৭০-৩০০টি হাড় থাকে, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে একে অপরের সাথে জোড়া লেগে সংখ্যায় কমে যায়।
- একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি হাড় নিয়ে গঠিত।
- মানব কঙ্কালতন্ত্র প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত: অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial Skeleton) এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular Skeleton)।
- অক্ষীয় কঙ্কালে মোট ৮০টি হাড় থাকে যা মাথা, মেরুদণ্ড এবং বুক নিয়ে গঠিত।
- উপাঙ্গীয় কঙ্কালে মোট ১২৬টি হাড় থাকে যা হাত, পা এবং কোমরের অংশের হাড়গুলো নিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
* জন্ডিস (Jaundice) মূলত যকৃত বা লিভারের দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল একটি রোগ, যা ইক্টেরাস (Icterus) নামেও পরিচিত।
* লিভারের প্রদাহ বা হেপাটাইটিসের কারণে এই রোগ হয়; ফলে রক্তে বিলিরুবিনের (Bilirubin) মাত্রা বেড়ে যায়।
* জন্ডিস হলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ এবং অন্যান্য মিউকাস ঝিল্লি হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
* একজন সুস্থ মানুষের রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা থাকে ১.২ mg/dL এর নিচে।
* রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা ৩ mg/dL বা তার বেশি হলে তাকে জন্ডিস হিসেবে গণ্য করা হয়।
* বাকি অপশনগুলোর মধ্যে টাইফয়েড ও কলেরা হলো অন্ত্রের রোগ এবং হাম হলো ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সেফালোকর্ডাটা উপপর্বের প্রাণীদের দেহের দুপাশে মায়োটম পেশী দেখা যায়।
- এই পেশীগুলো দেখতে অনেকটা ইংরেজী 'V' বা '>' আকৃতির হয়ে থাকে।
- এই পেশীগুলোর সংকোচনের ফলে প্রাণীর দেহ ডানে ও বামে আন্দোলিত হয় এবং সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ব্রাঙ্কিওস্টোমা (Branchiostoma) বা অ্যাম্ফিঅক্সাস (Amphioxus) নামক প্রাণীর দেহে এই ধরনের পেশী সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
- কর্ডাটা পর্বের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এদের দেহে নটোকর্ড এবং স্নায়ুরজ্জু আজীবন বিদ্যমান থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যকৃত (Liver) হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
- এটি দেখতে অনেকটা ত্রিকোণাকার এবং এর রঙ গাঢ় লালচে বা খয়েরি হয়।
- এটি পেটের ওপরের দিকে ডানপাশে, উদরগহ্বরে মধ্যচ্ছদার ঠিক নিচে অবস্থিত।
- যকৃত পিত্তরস বা Bile Juice তৈরি করে যা খাদ্য পরিপাকে বিশেষ করে চর্বি জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে।
- এই পিত্তরস যকৃতের নিচের দিকে থাকা ছোট একটি থলিতে জমা থাকে, যাকে পিত্তথলি (Gall bladder) বলা হয়।
- যকৃতকে ‘মানবদেহের রসায়নাগার’ বা 'Chemical Laboratory of the Body' বলা হয় কারণ এখানে বিভিন্ন প্রকার জৈব-রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
- অন্যদিকে, মানুষের শরীরের সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- হাইড্রার স্নায়ুকোষগুলো মূলত মেসোগ্লিয়া ঘেঁষে অবস্থান করে।
- এই স্নায়ুকোষগুলো অ্যাক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম উভয় স্তরেই জালের মতো বিন্যস্ত থাকে।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হলো পরিবেশ উদ্দীপনা গ্রহণ করা এবং সেই অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা।
- বিশেষ করে হাইড্রার পদতল ও কর্ষিকার গোড়ায় এদের সংখ্যা বেশি দেখা যায়।
- স্নায়ুকোষগুলো সংবেদি কোষ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং পেশোষের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাপ Squamata বর্গের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাণী বা সরীসৃপ।
- ল্যাটিন শব্দ 'Squamatus' মানে হলো আঁশযুক্ত, তাই যেসব প্রাণীর দেহ আঁশ দ্বারা আবৃত, তাদের Squamata বর্গের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এ বর্গের প্রাণীদের মধ্যে সাপ ও গিরগিটি জাতীয় প্রাণীদের ত্বক এপিডারমাল আঁশ দ্বারা আবৃত থাকে।
- Squamata বর্গে তিনটি উপ-বর্গ রয়েছে: Lacertilia (গিরগিটি বা লিজার্ড), Serpentes (সাপ), এবং Amphisbaenia (কৃমি-লিজার্ড)।
- সরীসৃপ শ্রেণির মধ্যে Squamata হলো সবথেকে বড় এবং বৈচিত্র্যময় বর্গ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কিছু প্রাণী, বিশেষ করে আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীরা (যেমন: চিংড়ি, তেলাপোকা) এবং সরীসৃপরা (যেমন: সাপ) তাদের পুরানো বহিঃকঙ্কাল বা ত্বক ত্যাগ করে, যাকে খোলস মোচন বা একডাইসিস বলে।
- প্রাণীর দেহে বিপাকীয় ক্রিয়ার ফলে যেসব বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়, তার কিছুটা অংশ ত্বকে বা খোলসে জমা থাকে।
- খোলস ত্যাগের মাধ্যমে প্রাণী তার দেহের বর্জ্য পদার্থগুলোকে দেহ থেকে অপসারণ করে, যা রেচনের একটি অংশ হিসেবে কাজ করে।
- তাই খোলস নির্মচন প্রক্রিয়াটি রেচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মৌমাছি হলো দলবদ্ধ বা সামাজিক পতঙ্গ।
- এরা রানী মৌমাছির নেতৃত্বে হাজার হাজার সদস্য মিলে কলোনি বা মৌচাক তৈরি করে বসবাস করে।
- মৌমাছিরা তাদের কাজের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত থাকে, যেমন— রানী মৌমাছি, পুরুষ মৌমাছি এবং শ্রমিক মৌমাছি।
- রানী মৌমাছির প্রধান কাজ হলো বংশবৃদ্ধির জন্য ডিম পাড়া, যা একটি সামাজিক কাঠামোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- শ্রমিক মৌমাছিরা মধু সংগ্রহ করে এবং মৌচাক রক্ষার কাজ করে, যা তাদের সহযোগিতামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
- এই সুশৃঙ্খল এবং দলবদ্ধ জীবনযাপনের কারণেই মৌমাছিকে সামাজিক প্রাণী বা পতঙ্গ বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে (Carolus Linnaeus) আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।
- ১৭৩৫ সালে তাঁর প্রকাশিত 'Systema Naturae' নামক গ্রন্থে তিনি শ্রেণিবিন্যাসের নীতিগুলো উপস্থাপন করেন।
- তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর নামকরণের জন্য দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) পদ্ধতির প্রবর্তন করেন।
- এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকে—প্রথমটি গণ (Genus) এবং দ্বিতীয়টি প্রজাতি (Species)।
- শ্রেণিবিন্যাসের একটি নির্দিষ্ট ধাপ বা একককে ট্যাক্সন (Taxon) বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গ্লাইকোলাইসিস হলো গ্লুকোজ বিপাকের প্রথম ধাপ, যা কোষের সাইটোপ্লাজমে (cytoplasm) সংঘটিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ ভেঙে দুই অণু পাইরুভিক অ্যাসিড, ২ অণু ATP এবং ২ অণু NADH উৎপন্ন হয়।
- গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ার জন্য কোনো অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না, তাই সবাত ও অবাত উভয় প্রকার শ্বাসনেই এটি ঘটে।
- কোষের সাইটোপ্লাজমে গ্লাইকোলাইসিসের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমগুলো দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- মাইটোকন্ড্রিয়ায় এই প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো (যেমন- ক্রেবস চক্র) সংঘটিত হয়, কিন্তু গ্লাইকোলাইসিস নয়।
- নিউক্লিয়াস মূলত কোষের জেনেটিক উপাদান (DNA) ধারণ করে এবং কোষের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেয় না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মূত্রের স্বাভাবিক হলুদ রঙের জন্য মূলত দায়ী 'ইউরোক্রোম' (Urochrome) নামক রঞ্জক পদার্থ।
- শরীরে হিমোগ্লোবিন ভেঙে যাওয়ার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় উপজাত বা বর্জ্য পদার্থ হিসেবে এই ইউরোক্রোম তৈরি হয়।
- আমরা যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করি, তখন মূত্রের এই হলুদ রঙ হালকা হয়ে আসে।
- কিন্তু শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে বা পানিশূন্যতা তৈরি হলে ইউরোক্রোমের ঘনত্ব বেড়ে যায়, ফলে মূত্রের রঙ গাঢ় হলুদ দেখায়।
- এছাড়া কিছু সুনির্দিষ্ট ভিটামিন (যেমন- ভিটামিন বি) বা ওষুধের কারণেও মূত্রের রঙে পরিবর্তন আসতে পারে।
- যকৃতে উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থ 'বিলিরুবিন'-এর উপস্থিতি সাধারণত মূত্র বা মলকে কালচে বা হলুদাভ করতে পারে, তবে স্বাভাবিক অবস্থায় মূত্রের প্রধান হলুদ রঙের কারণ ইউরোক্রোমই।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গ্রিক শব্দ Ethos এবং Logos থেকে Ethology শব্দটি এসেছে যার অর্থ চরিত্র বা অভ্যাস এবং জ্ঞান।
- প্রাণিবিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখায় প্রাণির স্বভাব, চরিত্র এবং আচরণ বা Animal Behaviour নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে Ethology বলে।
- Entomology হলো প্রাণিবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে পোকামাকড় (Insects) নিয়ে বিস্তারিত অধ্যয়ন করা হয়।
- Ecology হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে জীব এবং তাদের পরিবেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাকে বাংলায় বাস্তুসংস্থান বলা হয়।
- Toxicology হলো বিষক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞান, যেখানে বিষ, বিষাক্ত পদার্থ এবং জীবদেহে তাদের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মানুষের মস্তিষ্ক প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত: ১. অগ্রমস্তিষ্ক (Forebrain), ২. মধ্যমস্তিষ্ক (Midbrain), এবং ৩. পশ্চাৎমস্তিষ্ক (Hindbrain)।
- সেরেব্রাম (Cerebrum) হলো অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান এবং সবচাইতে বড় অংশ, যা গুরুমস্তিষ্ক নামেও পরিচিত।
- অগ্রমস্তিষ্ক তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত: ক) সেরেব্রাম, খ) থ্যালামাস এবং গ) হাইপোথ্যালামাস।
- এই অংশটি মানুষের চিন্তা, বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি, ইচ্ছাশক্তি এবং ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপশনে থাকা অন্য অংশগুলোর মধ্যে সেরেবেলাম ও পনস্ হলো পশ্চাৎমস্তিষ্কের অংশ এবং কর্পোরা (কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা) মধ্যমস্তিষ্কের অংশ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হলো একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা, যা বায়ুমণ্ডলে ভাসমান বৃষ্টির কণা বা জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে সৃষ্টি হয়।
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে, অর্থাৎ সাদা আলোকে বিশ্লিষ্ট করে সাতটি রঙে ভাগ করে দেয়।
- সাধারণত বৃষ্টির পর যখন আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করে, তখন আকাশে সূর্যের ঠিক বিপরীত দিকে রংধনু দেখা যায়।
- যেহেতু রংধনু সর্বদা সূর্যের বিপরীতে তৈরি হয়, তাই সকালে (যখন সূর্য পূর্বে থাকে) রংধনু দেখা যায় পশ্চিমাকাশে।
- অন্যদিকে বিকালে (যখন সূর্য পশ্চিমে থাকে) রংধনু দেখা যায় পূর্বাকাশে।
- রংধনুর সাতটি রঙের (বেনীআসহকলা) মধ্যে সবুজ হলো মধ্যম রং।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মানুষের চোখের রেটিনায় কোন কোষের ত্রুটির কারণে বর্ণ সঠিকভাবে চিনতে না পারার অক্ষমতাকে বর্ণান্ধতা বলে এবং এটি একটি এক্স-লিংকড বা সেক্স-লিংকড বৈশিষ্ট্য।
- হিমোফিলিয়া হলো একটি বংশগত রক্তক্ষরণজনিত রোগ যেখানে রক্ত জমাট বাঁধার ফ্যাক্টর অনুপস্থিত থাকে, এটিও এক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্সের উদাহরণ।
- মায়োপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি চোখের একটি সমস্যা যার কিছু জিনগত কারণ থাকতে পারে, এবং কিছু ক্ষেত্রে এটি এক্স-লিংকড হতে পারে।
- অন্যদিকে, জন্ডিস কোনো জিনগত রোগ বা সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয়; এটি সাধারণত লিভারের সমস্যা বা রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ মাত্র।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র জন্ডিস সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Budding হলো এক ধরনের অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়া, যা প্রধানত Hydra তে দেখা যায়।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রাণীর দেহ থেকে একটি কুঁড়ি বা Bud তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পায়।
- পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার পর এই কুঁড়িটি মূল দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি নতুন স্বাধীন জীবে পরিণত হয়।
- হাইড্রা ছাড়াও কিছু এককোষী ছত্রাক যেমন—ইস্টের মধ্যেও এই বাডিং প্রক্রিয়াটি লক্ষ্য করা যায়।
- অপরদিকে, ইউগ্লেনাতে দ্বিবিভাজন (Binary Fission) পদ্ধতিতে প্রজনন ঘটে, বাডিং পদ্ধতিতে নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র উন্মুক্ত (Open) প্রকৃতির, অর্থাৎ এদের রক্ত কোনো বদ্ধ নালীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয় না।
- এদের দেহগহ্বর রক্তে পূর্ণ থাকে, এ ধরনের রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে 'হিমোসিল' (Haemocoel) বলা হয়।
- তেলাপোকার রক্ত বর্ণহীন, একে হিমোলিম্ফ (Hemolymph) বলে, কারণ এতে হিমোগ্লোবিন জাতীয় কোনো শ্বসনরঞ্জক থাকে না।
- এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র মূলত হহৃৎপিণ্ড এবং হিমোসিল নিয়ে গঠিত এবং এদের হৃদপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট নলাকার অঙ্গ।
- হিমোলিম্ফ সরাসরি দেহকোষ ও টিস্যুর সংস্পর্শে এসে পুষ্টি ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্রবণীয়তার গুণের ওপর ভিত্তি করে ভিটামিনকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: চর্বিতে দ্রবণীয় এবং পানিতে দ্রবণীয়।
- ভিটামিন-এ (Vitamin A), ভিটামিন-ডি, ভিটামিন-ই এবং ভিটামিন-কে হলো চর্বি বা স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন।
- অন্যদিকে, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স (যেমন: B6, B12 ইত্যাদি) হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।
- প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে ভিটামিন-সি, বি-সিক্স এবং বি-টুয়েলভ পানিতে মিশে যায়, কিন্তু ভিটামিন-এ চর্বিতে মিশে শরীরে শোষিত হয়।
- এই কারণে সঠিক উত্তর হলো ভিটামিন-এ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ হলো বৃক্ক বা কিডনি, যা মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহের নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে।
- বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একককে নেফ্রন (Nephron) বলা হয়।
- প্রতিটি বৃক্কে নেফ্রনের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের একককে নিউরন বলা হয়, যা উদ্দীপনা পরিবহন করে।
- নেফ্রন প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা: রেনাল করপাসল বা মালপিজিয়ান বডি এবং রেনাল টিউবিউল।
- নেফ্রন রক্ত থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল ছেঁকে মূত্র তৈরি করতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মাছেদের হৃদপিণ্ডকে ভেনাস হার্ট (Venous Heart) বলা হয়।
- কারণ এদের হৃদপিণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বদা কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত বা দূষিত রক্ত প্রবাহিত হয়।
- মাছের হৃদপিণ্ড দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট, যেখানে একটি অলিন্দ এবং একটি নিলয় থাকে।
- এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র হলো একচক্রী, অর্থাৎ রক্ত হৃদপিণ্ডের মধ্য দিয়ে মাত্র একবার প্রবাহিত হয়।
- ভেনাস হার্ট মূলত ফুলকার সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করার জন্য রক্ত পাম্প করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বর ডায়াফ্রাম (Diaphragm) বা মধ্যচ্ছদা নামক একটি পেশিবহুল পর্দা দিয়ে পৃথক থাকে।
- এটি মূলত বুকের খাঁচার নিচে অবস্থিত একটি গম্বুজ আকৃতির পেশী।
- শ্বসন প্রক্রিয়ার সময়, বিশেষ করে শ্বাস গ্রহণের সময় এটি সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নেমে আসে এবং বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি করে।
- ডায়াফ্রাম স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য যা শ্বাস-প্রশ্বাস পরিচালনায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯২৮ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী এবং নোবেল বিজয়ী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- এটি পেনিসিলিয়াম (Penicillium) নামক ছত্রাক থেকে তৈরি এক প্রকার অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক।
- পেনিসিলিন আবিষ্কারের ঘটনাটি ছিল একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা, যেখানে একটি পেট্রি ডিশে ছত্রাক জন্মানোর ফলে আশেপাশের ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
- এটি মানব ইতিহাসের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বা ইনফেকশন সারাতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের পেপটিডোগ্লাইকেন (peptidoglycan) সংশ্লেষণ বা তৈরি হওয়া বন্ধ করে পেনিসিলিন কাজ করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- লিথাল জিন (Lethal Gene) হলো এমন এক ধরনের জিন, যা নির্দিষ্ট জেনেটিক দশায় জীবের মৃত্যু ঘটাতে পারে।
- জীবদেহে এই জিনের উপস্থিতির কারণে ভ্রূণ অবস্থায় অথবা জন্মের পর জীবের মৃত্যু হয়।
- লিথাল জিনের প্রভাবে মানুষের থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia), হিমোফিলিয়া (Hemophilia), সিকল সেল অ্যানিমিয়া ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে।
- হিমোফিলিয়া হলো এক্স-লিংকড প্রচ্ছন্ন জিনঘটিত বংশগত রোগ এবং থ্যালাসেমিয়া হলো অটোজোমাল প্রচ্ছন্ন জিনঘটিত বংশগত রক্তের রোগ।
- এই জিন সাধারণত মিউটেশনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এবং বংশগতভাবে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে সঞ্চারিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ল্যাকটেজ (Lactase) নামক এনজাইম দুগ্ধ বা দুগ্ধজাত খাদ্য পরিপাক করতে সাহায্য করে।
- দুধে ল্যাকটোজ নামক এক ধরণের ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা থাকে, যা পরিপাক করতে এই এনজাইমটি প্রয়োজন।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর থেকে ল্যাকটেজ এনজাইম নিঃসৃত হয় এবং এটি ল্যাকটোজকে ভেঙে গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ-এ পরিণত করে।
- যাদের শরীরে এই এনজাইম পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না, তাদের দুধ হজমে সমস্যা হয়, যাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়।
- অন্যদিকে, লাইপেজ ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে, সুক্রোজ চিনি পরিপাক করে এবং মল্টেজ মল্টোজ শর্করা ভেঙে ফেলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ম্যালেরিয়া জীবাণু বা Plasmodium vivax এর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয়।
- এর মধ্যে মানুষ হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর মাধ্যমিক বা গৌণ পোষক (Intermediate Host) এবং স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা হলো প্রাথমিক বা মুখ্য পোষক (Primary or Definitive Host)।
- মানবদেহে পরজীবীটির অযৌন প্রজনন ঘটে, তাই মানুষের দেহে সংঘটিত চক্রটিকে অযৌন চক্র (Asexual Cycle) বা সাইজোগনি বলা হয়।
- অন্যদিকে, স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার দেহে পরজীবীটির যৌন প্রজনন ঘটে, তাই মশকীর দেহে সংঘটিত চক্রটিকে যৌন চক্র (Sexual Cycle) বলা হয়।
- মানবদেহে এই অযৌন প্রজনন বা সাইজোগনি মূলত দুটি স্থানে ঘটে: যকৃতে বা লিভারে, যাকে হেপাটিক সাইজোগনি বলে এবং লোহিত রক্তকণিকায়, যাকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্ল্যাকয়েড আইশ মূলত তরুণাস্থিযুক্ত বা কার্টিলেজ মাছের (Cartilaginous fish) ত্বকে দেখা যায়।
- স্কোলিওডন বা Scoliodon হলো এক ধরণের হাঙর, যা তরুণাস্থিযুক্ত মাছের শ্রেণীর অন্তর্গত।
- তাই অন্য অপশনগুলোর তুলনায় Scoliodon-এর শরীরে Placoid আইশ পাওয়া যায়।
- Labeo (রুই) এবং Catla (কাতলা) হলো অস্থিযুক্ত মাছ এবং এদের শরীরে সাধারণত সাইক্লয়েড (Cycloid) আইশ থাকে।
- প্ল্যাকয়েড আইশগুলো খুব শক্ত এবং দাঁতের মতো গঠনযুক্ত হয়, যা হাঙরের ত্বককে রুক্ষ বা বালির কাগজের মতো করে তোলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Channa বা শোল-টাকি জাতীয় মাছ হলো মাংসাশী (Carnivorous) মাছ।
- এরা সাধারণত ছোট মাছ, ব্যাঙ, পোকামাকড় এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী শিকার করে খেয়ে বেঁচে থাকে।
- পক্ষান্তরে, Catla (কাতলা), Labeo (রুই) এবং Cirrhina (মৃগেল) মূলত তৃণভোজী বা সর্বভুক প্রকৃতির মাছ, যারা শ্যাওলা ও পচা জৈব পদার্থ খেয়ে থাকে।
- Channa গণের মাছগুলো সাধারণত মিষ্টি পানির জলাশয়ে পাওয়া যায় এবং এদের অতিরিক্ত শ্বসন অঙ্গ থাকায় এরা কম অক্সিজেনযুক্ত পানিতেও দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।
- বাংলাদেশের পরিচিত কিছু Channa প্রজাতির মাছ হলো শোল, টাকি, গজার ইত্যাদি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভিটামিন B6 (Vitamin B6)-এর রাসায়নিক নাম হলো পাইরিডক্সিন (Pyridoxine)।
- এটি পানিতে দ্রবণীয় বা ওয়াটার সলুবল ভিটামিন হিসেবে পরিচিত।
- পাইরিডক্সিন শরীরের বিপাক প্রক্রিয়ায়, বিশেষ করে প্রোটিন এবং গ্লুকোজ বিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই ভিটামিনের অভাবে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা, ত্বকের সমস্যা এবং স্নায়ুতন্ত্রের দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
- অন্যান্য অপশনগুলোর রাসায়নিক নাম হলো: ভিটামিন B1 এর নাম থিয়ামিন, ভিটামিন B2 এর নাম রাইবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন B12 এর নাম সায়ানোকোবালামিন।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।