সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর - (অফিস সহায়ক) - ০১.১১.২০২৫

৮০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'মনীষা' একটি তৎসম শব্দ, যার সন্ধি বিচ্ছেদ হলো মনস্ + ঈষা।
- শব্দটির অর্থ হলো প্রজ্ঞা, গভীর জ্ঞান, তীক্ষ্ণ ও স্থির বুদ্ধি।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বুদ্ধি, মনন, এবং প্রজ্ঞা হলো 'মনীষা' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দ।
- অন্যদিকে, 'অলস' শব্দের অর্থ হলো কর্মবিমুখ বা কুঁড়ে, যা 'মনীষা' শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধান অনুসারে, তৎসম শব্দে ঋ, র, এবং ষ-এর পর মূর্ধন্য 'ণ' বসে।
- এর ফলে, এই বর্ণগুলোর পরে ব্যবহৃত দন্ত্য 'ন' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ঋণ (ঋ-এর পর), কারণ (র-এর পর), ভূষণ (ষ-এর পর) ইত্যাদি শব্দে 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে।
- মনে রাখতে হবে, এই নিয়মটি শুধুমাত্র তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে, পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দের সাথে স্ত্রী প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘পাগল’ একটি পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ।
- এই শব্দের সাথে ‘ঈ’ প্রত্যয় যোগ করে সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ ‘পাগলী’ (পাগল + ঈ) গঠন করা হয়েছে।
- অন্যদিকে, খালা, মামী, জা ইত্যাদি শব্দগুলো নিত্য স্ত্রীবাচক, কারণ এগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই এবং এগুলো নির্দিষ্ট সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষায় মাসের দিন বা তারিখ বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত সংখ্যাকে তারিখ জ্ঞাপক বা তারিখবাচক সংখ্যা বলে।
- মাসের প্রথম চারটি দিন গণনার জন্য হিন্দি বা উর্দু নিয়ম অনুসারে যথাক্রমে পহেলা, দোসরা, তেসরা ও চৌঠা শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'চৌঠা' শব্দটি মাসের চতুর্থ দিনকে নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করে, তাই এটি একটি তারিখবাচক শব্দ।
- অন্যদিকে 'প্রথম' বা '৭ম' হলো ক্রমবাচক সংখ্যা এবং 'চার' একটি অঙ্কবাচক বা পরিমাণবাচক সংখ্যা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এই বিখ্যাত উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' নামক প্রবন্ধের অংশ।
- এর মূল অর্থ হলো, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মানুষকে কেবল শিক্ষিত করে তুলতে পারে, কিন্তু সুশিক্ষা অর্জনের জন্য নিজের চেষ্টা ও সাধনা অপরিহার্য।
- লেখকের মতে, শিক্ষকরা কেবল পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু বিদ্যার্থীকে নিজের চেষ্টায় ও কৌতূহলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়।
- যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগী হয়ে জ্ঞান লাভ করেন, তিনিই প্রকৃত অর্থে স্বশিক্ষিত এবং সুশিক্ষিত।
- তাই, সত্যিকারের শিক্ষিত প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজের চেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষিত হয়েছেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'বরফ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- ঐতিহাসিকভাবে ফারসি ভাষা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- সেই সূত্রেই বাংলা শব্দভাণ্ডারে বহু ফারসি শব্দ প্রবেশ করেছে, যা আজও ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন- ধর্মীয়, প্রশাসনিক এবং বিবিধ।
- 'বরফ' শব্দটি এই বিবিধ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত একটি বহুল প্রচলিত ফারসি শব্দ।
- এই শ্রেণির আরও কিছু পরিচিত ফারসি শব্দ হলো: আমদানি, জানোয়ার, চশমা, দোকান, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'তস্কর' শব্দের অর্থ হলো চোর, দস্যু বা অপহরণকারী, যে অন্যের সম্পদ হরণ করে।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'সাধু', যার অর্থ সৎ, ধার্মিক ও চরিত্রবান ব্যক্তি।
- সুতরাং, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে যে ব্যক্তি চুরি করে (তস্কর) এবং যে ব্যক্তি সৎ (সাধু), তারা পরস্পর বিপরীত।
- অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে 'তুচ্ছ' অর্থ নগণ্য, 'তথাগত' বুদ্ধের একটি উপাধি এবং 'অতএব' একটি অব্যয় পদ, যা 'তস্কর'-এর বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চার্লস উইলকিন্স ছিলেন একজন ইংরেজ প্রাচ্যবিদ এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা।
- তিনিই প্রথম বাংলা মুদ্রণের জন্য সচল বা বিচ্ছিন্ন হরফ (Movable Type) তৈরি করেন বলে তাকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়।
- তার তৈরি করা হরফ দিয়েই নাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেডের 'A Grammar of the Bengali Language' (১৭৭৮) বইটি প্রথম মুদ্রিত হয়।
- এই হরফ তৈরির কাজে তার প্রধান সহকারী ও খোদাইশিল্পী ছিলেন পঞ্চানন কর্মকার।
- যদিও পঞ্চানন কর্মকার মূল খোদাইয়ের কাজটি করেন, উইলকিন্সের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানের কারণেই তাকে এই কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ বা প্রত্যয় পাওয়া যায়, তাদের সাধিত শব্দ বলে।
- অন্যদিকে, যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেটিই মৌলিক শব্দ।
- এখানে 'হাতল' (হাত + ল), 'ফুলেল' (ফুল + এল) এবং 'পানসা' (পানি + সা) শব্দগুলো প্রত্যয়যোগে গঠিত সাধিত শব্দ।
- কিন্তু 'গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ, কারণ একে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি সাধিত শব্দ নয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে প্রধানত দুইটি অংশ পাওয়া যায়।
- প্রথম অংশটি হলো ক্রিয়ার মূল, যাকে ধাতু বলে।
- এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ক্রিয়াবিভক্তি, যা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়।
- ক্রিয়াবিভক্তি কাল (tense) ও পুরুষ (person) ভেদে পরিবর্তিত হয়।
- যেমন: 'পড়ছি' ক্রিয়াপদটিতে 'পড়্‌' হলো ধাতু এবং 'ছি' হলো ক্রিয়াবিভক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সকল শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায় কিন্তু প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, তাদের তদ্ভব শব্দ বলে।
- 'ভিটা' শব্দটি সংস্কৃত শব্দ 'গৃহ' থেকে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে।
- সুতরাং, 'ভিটা' একটি তদ্ভব শব্দ।
- বাকি বিকল্প 'অলাবু', 'নদী' এবং 'ফল' হলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যেগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "সৌম্য" শব্দটির অর্থ হলো শান্ত, স্নিগ্ধ, কোমল বা নম্র স্বভাব।
- এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো "উগ্র", যার অর্থ প্রচণ্ড, তীব্র বা কর্কশ স্বভাব।
- প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে "শান্ত" শব্দটি "সৌম্য" এর একটি সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
- অন্যদিকে, "কঠিন"-এর বিপরীত হলো কোমল এবং "উদ্ধত" (অহংকারী)-এর বিপরীত শব্দ হলো বিনীত।
- তাই, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের নিরিখে সৌম্য-এর সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হলো উগ্র।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত ঘটত বোঝানোর পাশাপাশি অপূর্ণ ইচ্ছা বা শর্ত প্রকাশ করতেও নিত্যবৃত্ত অতীত কাল ব্যবহৃত হয়।
- "তুমি যদি যেতে ভালো হত" বাক্যটি একটি অতীতের অপূর্ণ শর্ত বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছে।
- এখানে 'যেতে' ক্রিয়াপদটি "যাওয়া" কাজটি অতীতে ঘটেনি, কিন্তু ঘটলে ভালো হত এমন অর্থ প্রকাশ করে।
- এই ধরনের শর্তাধীন বা অনুক্ত অতীত বোঝাতে ক্রিয়ার যে কাল হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে, পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ঈয়ান' থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে 'ঈয়সী' হয়।
- এই নিয়ম অনুযায়ী, 'গরীয়ান' শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'গরীয়সী'।
- 'গরীয়ান' শব্দের অর্থ অত্যন্ত গৌরবযুক্ত বা মহিমান্বিত, এবং 'গরীয়সী' তার স্ত্রীবাচক রূপ।
- একই নিয়মে গঠিত আরেকটি উদাহরণ হলো মহীয়ান (পুরুষবাচক) ও মহীয়সী (স্ত্রীবাচক)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় কার-চিহ্ন মোট ১০টি।
- স্বরবর্ণ 'অ'-এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই।
- অন্য দশটি স্বরবর্ণের কার-চিহ্নগুলো হলো: া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘বিধু’ শব্দটি 'চাঁদ'-এর একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
- ‘সবিতা’ হলো ‘সূর্য’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ, চাঁদের নয়।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘নিধি’ শব্দের অর্থ ধন বা ভান্ডার এবং ‘বধূ’ অর্থ নববিবাহিতা স্ত্রী।
- 'চাঁদ'-এর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমার্থক শব্দ হলো: শশী, চন্দ্র, ইন্দু, সোম, শশধর।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'নীলিমা' শব্দটি একটি বিশেষণবাচক পদ 'নীল' থেকে গঠিত একটি ভাববাচক বিশেষ্য।
- এর প্রকৃতি (মূল শব্দ) হলো ‘নীল’ এবং প্রত্যয় হলো ‘ইমন’।
- 'ইমন' একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়, যা বিশেষণ পদের শেষে যুক্ত হয়ে ভাব বা গুণ বোঝায়।
- প্রত্যয়টি শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় এর শেষের 'ন' বর্ণটি লোপ পায় এবং 'ইম' অংশটি 'ইমা' রূপ লাভ করে।
- একই নিয়ম অনুসারে গঠিত আরও কয়েকটি শব্দ হলো: মহৎ + ইমন = মহিমা, লঘু + ইমন = লঘিমা, গুরু + ইমন = গরিমা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখ দিয়ে সরাসরি বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, তাদের নাসিক্য ধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পাঁচটি নাসিক্য বর্ণ বা ধ্বনি আছে।
- এগুলো হলো– ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
- সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'ম' হলো নাসিক্য ধ্বনি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়াপদের মূল অবিভাজ্য অংশকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়।
- একটি ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ধাতু এবং ক্রিয়া বিভক্তি।
- ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যে মূল অংশটি অবশিষ্ট থাকে, সেটিই হলো ধাতু।
- উদাহরণস্বরূপ, 'পড়ছে' ক্রিয়াপদটির ধাতু হলো 'পড়্‌' এবং এর সাথে যুক্ত 'ছে' হলো ক্রিয়া বিভক্তি।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ রয়েছে ৫০টি।
- এই বর্ণগুলোকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় – স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ।
- বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংখ্যা হলো ১১টি (অ থেকে ঔ পর্যন্ত)।
- এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো ৩৯টি (ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত)।
- সুতরাং, মোট বর্ণ সংখ্যা হলো ১১ (স্বরবর্ণ) + ৩৯ (ব্যঞ্জনবর্ণ) = ৫০।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Atmosphere শব্দের একটি অর্থ হলো কোনো স্থানের সামগ্রিক পরিবেশ, মেজাজ বা আবহ।
- Climate শব্দের অর্থ হলো জলবায়ু, যা একটি অঞ্চলের সাধারণ আবহাওয়ার পরিস্থিতিকে বোঝায়।
- যেহেতু উভয় শব্দই একটি স্থানের বা পরিস্থিতির সাধারণ অবস্থাকে নির্দেশ করে, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে, Humid (আর্দ্র), Tonic (বলবর্ধক) এবং Conducive (সহায়ক) ভিন্ন অর্থ বহন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র সঠিক বানানটি হলো 'Committee'।
- এই শব্দটিতে দুটি 'm', দুটি 't', এবং দুটি 'e' ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাকি তিনটি শব্দের সঠিক বানান হলো যথাক্রমে Diarrhea, Literature, এবং Exaggerate।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Adverb হলো সেই শব্দ যা কোনো Verb (ক্রিয়া), Adjective (বিশেষণ) বা অন্য Adverb-কে বিশেষিত করে।
- 'Quickly' শব্দটি একটি Adverb, কারণ এটি কোনো কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয় তা বর্ণনা করে।
- সাধারণত Adjective-এর সাথে '-ly' প্রত্যয় যোগ করে Adverb গঠন করা হয়; যেমন- Quick (Adjective) + ly = Quickly (Adverb)।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে 'Sly' একটি Adjective (বিশেষণ)।
- 'Quicker' এবং 'Quickest' হলো 'quick' Adjective-টির যথাক্রমে Comparative এবং Superlative রূপ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "By and large" একটি ইংরেজি বাগধারা (Idiomatic expression)।
- এর আক্ষরিক কোনো অর্থ নেই, এটি একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটির অর্থ হলো 'মোটের উপর', 'সাধারণত' বা 'বেশিরভাগ ক্ষেত্রে' (on the whole / in general)।
- এটি ব্যবহার করা হয় যখন কোনো একটি বক্তব্য সামগ্রিকভাবে সত্য, যদিও তার কিছু ছোটখাটো ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
- তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Mostly' হলো এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "আমি একে কখনো দেখিনি" বাক্যটি পুরাঘটিত বর্তমান কাল (Present Perfect Tense)-কে নির্দেশ করে, যা অতীতে কোনো কাজ হয়নি এবং তার ফল এখনও বর্তমান, এমন বোঝায়।
- এর সবচেয়ে সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো "I have never seen him", 
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এই বাক্যটিতে ট্রেনটির গতিবেগ বা স্পিড (speed) প্রকাশ করা হচ্ছে।
- কোনো কিছুর নির্দিষ্ট গতি (speed) বা হার (rate) বোঝানোর জন্য preposition হিসেবে 'at' ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, ট্রেনটি কত বেগে চলছে তা নির্দিষ্ট করে বোঝাতে এখানে সঠিক preposition হলো 'at'।
- অন্যান্য অপশনগুলো (to, for, by) গতিবেগ বোঝানোর ক্ষেত্রে এই বাক্যে অর্থগতভাবে সঠিক নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'Borne' শব্দটি হলো 'bear' verb-এর past participle রূপ।
- এর প্রধান অর্থ হলো বহন করা, ধারণ করা বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া।
- উদাহরণস্বরূপ, water-borne diseases বলতে বোঝায় পানিবাহিত রোগ, অর্থাৎ যা পানির মাধ্যমে বাহিত হয়।
- 'bear' verb-এর আরেকটি অর্থ জন্ম দেওয়া হলেও, সেই অর্থে past participle হিসেবে 'born' (e.g., I was born) শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে Noun দ্বারা স্ত্রী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝানো হয়, তাকে Common Gender বা উভয়লিঙ্গ বলে।
- এখানে 'Boy' (বালক) এবং 'Man' (পুরুষ) হলো পুংলিঙ্গ বা Masculine Gender।
- 'Girl' (বালিকা) শব্দটি হলো স্ত্রীলিঙ্গ বা Feminine Gender।
- কিন্তু 'Baby' (শিশু) শব্দটি দ্বারা ছেলে শিশু বা মেয়ে শিশু উভয়কেই বোঝানো যায়, তাই এটি Common Gender।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কোনো যন্ত্র বা উপকরণ (instrument) ব্যবহার করে কোনো কাজ করা বোঝালে, তার আগে preposition হিসেবে 'with' বসে।
- এই বাক্যে, কলম (pen) হলো লেখার একটি উপকরণ বা মাধ্যম।
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক preposition হিসেবে 'with' ব্যবহৃত হবে।
- সম্পূর্ণ বাক্যটি হবে: I have no pen to write with (আমার লেখার জন্য কোনো কলম নেই)।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'Poor' শব্দটি একটি Adjective, যার অর্থ দরিদ্র বা গরিব।
- এর Noun (বিশেষ্য) রূপ হলো Poverty, যার অর্থ দরিদ্রতা বা অভাবগ্রস্ত অবস্থা।
- 'Poorly' শব্দটি হলো একটি Adverb, যা কোনো কাজের ধরন বা অবস্থাকে বর্ণনা করে।
- 'Poorness' শব্দটিও একটি Noun, কিন্তু এটি সাধারণত কোনো কিছুর নিম্নমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- 'Poority' কোনো শুদ্ধ ইংরেজি শব্দ নয়, তাই এটি ভুল।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।