Will Grayson, Looking for Alaska এবং Paper Towns হলো তিনটি উপন্যাস যার লেখক হলেন John Green. কিন্তু After Dark এর রচয়িতা হলেন জাপানের লেখক Haruki Murakami .
- ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণে বাংলাদেশ ৩য় অবস্থানে রয়েছে। - বর্তমানে এই তালিকার শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে নেপাল, মোট ৬,১১৪ জন সদস্য নিয়ে। - রুয়ান্ডা ৫,৯০৪ জন সদস্য নিয়ে ২য় অবস্থানে রয়েছে। - বাংলাদেশ ৫,৮৫৯ জন সদস্য নিয়ে ৩য় অবস্থানে এবং ভারত ৫,৪৬৬ জন সদস্য নিয়ে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে। - বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে আসছে এবং দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ তিনটি দেশের মধ্যে অবস্থান বজায় রেখেছে। - বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা তাদের পেশাদারিত্ব, সাহস এবং মানবিক আচরণের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। - দেশের রেমিটেন্স আয়েও শান্তিরক্ষা মিশনের অবদান উল্লেখযোগ্য, যা ২ হাজার কোটি টাকার বেশি।
EDI এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Data Interchange. EDI এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে খাতা-কলমের পরিবর্তে তড়িৎ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল হতে হয় । অর্থাৎ কেনাবেচার ক্ষেত্রে Online platform গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।
- বিশ্বব্যাংক (World Bank) তাদের ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল প্রকাশিত 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট' প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৯% নির্ধারণ করেছে। - এটি তাদের ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত পূর্বের 'গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস' প্রতিবেদনের পূর্বাভাস ৪.৬% থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। - মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মন্থরতা এই প্রবৃদ্ধি হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। - সংস্থাটি আরও পূর্বাভাস দিয়েছে যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬% হতে পারে। - অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির মধ্যে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৪.০% এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ৪.৭% জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য সর্বমোট ৬৮ জন বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন। - পরবর্তীতে ২০১০ সালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদকে (মরণোত্তর) বীর উত্তম খেতাব প্রদান করা হলে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯ জন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হওয়ায়, তিনি সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে বিবেচিত হন। - ২০০৪ সালের গেজেট অনুযায়ী, এর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন ৪২ জন। - ২০১০ সালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদের খেতাব প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বীর উত্তম খেতাবধারী সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৪২ + ১ = ৪৩ জন। - ৬ জুন ২০২১ তারিখে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দণ্ডিত ৪ জন আসামির খেতাব বাতিল করা হয়। খেতাব বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র সদস্য। - ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের 'বীর উত্তম' খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জিয়াউর রহমানও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। যদিও গেজেট প্রকাশের পরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ায় এটি বর্তমান তথ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - শরিফুল হক ডালিম এবং জিয়াউর রহমান - এই দুইজনের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কার্যকর বীর উত্তম খেতাবধারী সদস্য সংখ্যা ৪৩ - ২ = ৪১ জন। - বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর মোট বীর উত্তম খেতাবের সংখ্যা ৬৭ জন।
- ২০২৬ সালে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬' প্রদান করা হয়েছে। - মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেন। - পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ৯ এপ্রিলের পরিবর্তে ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। - পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। - এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার যা সাধারণত স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে (২৬ মার্চ) প্রদান করা হয়। - উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), হানিফ সংকেত, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) প্রমুখ। - উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
বর্তমানে সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর, আন্তঃবাহিনী সংযোগ পরিদপ্তর (ISPR) বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর, BASA, SPARRSO, ISSB, BNCC, MIST, BOF ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরসহ মোট ২৭টি বিভাগ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে ।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায় ।সেই দিন থেকেই দিবস টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে । - আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিন বাহিনী ২১ নভেম্বরকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে সম্মিলিতভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয় । এর আগে সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ, নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর ও বিমান বাহিনী ২৮ সেপ্টেম্বর আলাদাভাবে দিবস টি পালন করত ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ বর্তমান কোর্সঃ
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩) ৫১ তম বিসিএস প্রস্তুতি ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস ৪) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৫) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৬) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতির লং কোর্স (২৭৬ দিন) ৭) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ৮) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। - ১৯তম সমাজ বিজ্ঞান ও গ্রন্থগার