- "আত্মঘাতী বাঙালী" গ্রন্থটির রচয়িতা নীরদচন্দ্র চৌধুরী। - নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১৮৯৭-১৯৯৯) ছিলেন একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত ও লেখক। তাঁর জন্ম বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায়।
- নীরদ চৌধুরী তাঁর অটোবায়োগ্রাফি গ্রন্থটি ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্মরণে উৎসর্গ করেন। - ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে ভারতবর্ষের জনগণ প্রজার খেতাব পেলেও ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পায়নি। তাই নীরদ চৌধুরীর উপরিউক্ত গ্রন্থে ‘আমি ব্রিটিশ নাগরিক’ (Civis Britannicus sum) এই উক্তিকে প্রায় প্রত্যেক সমালোচকই চ্যালেঞ্জ করেন। - নীরদ চৌধুরী তাঁর লেখনীতে ভারতবর্ষের যা কিছু ভাল, যা এ দেশের মানুষের জীবন-পদ্ধতিকে উন্নত করেছে, জীবনধারায় গতি এনেছে বা প্রগতিকে দ্রুততর করেছে, তার সবকিছুকেই ব্রিটিশ শাসনের সুফল বলে দাবি করেন। - ব্রিটিশদের প্রতি এই অনুরাগ ও প্রশংসা তাঁকে ভারতীয়দের কাছে বিতর্কিত এবং অপ্রিয় করে তোলে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি "বাঙালি জীবনে রমণী" শিরোনামে তাঁর প্রথম বাংলা গ্রন্থ প্রকাশ করেন। - সাহিত্য ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি ডাফ কুপার মেমোরিয়াল পুরস্কার (১৯৫৬), আনন্দ পুরস্কার (১৯৮৯), বিদ্যাসাগর পুরস্কার (১৯৯৭)-সহ বহু সম্মাননা লাভ করেন। - ১৯৮৯ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। - নীরদচন্দ্র চৌধুরীর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র তাঁর সমস্ত পুস্তক ও চিত্রকর্ম ক্যালকাটা ক্লাব-কে দান করেন। পরবর্তীতে ক্লাব তাঁর প্রতি মরণোত্তর সম্মান জানিয়ে "নীরদ চৌধুরী কর্নার" স্থাপন করে।
• প্রথম বাংলায় টি. এস. এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। • টি. এস. এলিয়টের The Journey of the Magi কবিতার অনুবাদ করা হয়েছিলো। • রবীন্দ্রনাথ তার "পুনশ্চ" কাব্যে "তীর্থযাত্রী" কবিতা নামে এটি সংকলন করেছিলেন।
• তবে, বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে এলিয়েটের কবিতা অনুবাদ করেন। • বুদ্ধদেব বসুও পরবর্তীতে ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে তার কবিতা অনুবাদ করেন।
- ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি - ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার - ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার - ১ গজ = ০.৯১৪৪ মিটার - ১ মাইল = ১৬০৯ মিটার - ১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার - ১ কিলোমিটার = ০.৬২১ মাইল - ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট - ১ কাঠা = ১.৬৫ শতক - ১ লিটার =১০০০ মিলিলিটার।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- যে সমস্ত উদ্ভিদ পানিতে বা পানি যুক্ত স্থানে জন্মে তাদেরকে জলজ উদ্ভিদ বলে। - এসব জলজ উদ্ভিদ নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবা-পুকুর, হ্রদ-জলাশয় ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। - যেমন- করচ, হিজল, খুলা, ডুমুর, জলকলমি, কচুরিপানা ইত্যাদি।
- গজারি মূলত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। - এর অপর নাম শাল। - গাছ কাটার পর গোড়া থেকে চারা গজানোর কারণে এর নাম গজারি হয়েছে মনে করা হয়। - বাংলাদেশের ভাওয়াল ও মধুপুরের গাজারি বনই দেশের বৃহত্ পত্রঝরা বনাঞ্চল। - লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে।
- ইস্ট সাধারণত ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যা বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ। - এটি বিশেষ করে মধ্য শিল্পে এবং কুটি শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি অ্যালকোহল এবং অন্যান্য পণ্য উৎপাদনে সহায়তা করে। - এককোষীয় প্রোটিন ভাঙতে ইস্টের ব্যবহার হতে পারে, কারণ এটি প্রোটিনের ভাঙনে সহায়তা করে।
- তবে সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম ব্যবহৃত হয়, যা সাইট্রিক এসিডের প্রাকৃতিক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বেশি কার্যকর। - তাই সঠিক উত্তর হলো সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়াটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে। - কয়েকটি জারক পদার্থ হলো- নাইট্রিক এসিড, অক্সিজেন, ওজোন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, গাড় সালফিউরিক এসিড, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট।
অন্যদিকে, - বিজারক পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় ইলেকট্রন ত্যাগ করে। - কয়েকটি বিজারক পদার্থ কার্বন, হাইড্রোজেন, সোডিয়াম, অ্যামোনিয়া, অ্যালুমিনিয়াম।
- গামা রশ্মি (Gamma rays) জীব জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হিসেবে বিবেচিত হয়। - এর কারণ গামা রশ্মি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তীক্ষ্ণ হয়, যা জীবের কোষে প্রবেশ করতে সক্ষম এবং কোষের ডিএনএ-কে নষ্ট করতে পারে, ফলে ক্যান্সার বা অন্যান্য জেনেটিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
এখন, অন্যান্য রশ্মির তুলনায়: - আলফা রশ্মি (Alpha rays): এটি তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর, কারণ এটি বড় আণবিক আকারের এবং বায়ুতে খুব সহজেই থেমে যায় বা শোষিত হয়। - বিটা রশ্মি (Beta rays): এটি মাঝারি শক্তির রশ্মি, তবে গামা রশ্মির মতো তীক্ষ্ণ ও গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে না। - আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি (Ultraviolet rays): যদিও এটি ত্বকে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তবে গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।
- 'সুপার বাষ্প' একটি প্রযুক্তি যা সমুদ্রের গভীর থেকে তেল উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপের মাধ্যমে তেলকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত করে, যা উত্তোলন প্রক্রিয়াকে সহজতর করে। - সুপার বাষ্পের ব্যবহার তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং এটি তেল উত্তোলনের জন্য একটি কার্যকরী পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত।
- অন্যান্য অপশন যেমন তেল অপসারণ, গর্তীরতা নির্ণয়, এবং সীমানা নির্ণয়ে সুপার বাষ্পের সরাসরি ব্যবহার নেই, তাই সঠিক উত্তর হলো সমুদ্রের তেল উত্তোলনে।
- যে তাপমাত্রায় কোন কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে। - আর কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা গলনাঙ্কের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়। - কারণ প্রত্যেক বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থের একটি নির্দিষ্ট গণনাঙ্ক থাকে।
- আলোকবর্ষ (Light Year) হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক। - এটি দ্বারা পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব পরিমাপ করা হয়। - আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কি.মি. পথ অতিক্রম করে। - এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- 'রন্টজেন' (Röntgen) হলো এক ধরনের একক যা এক্স-রে এবং গামা রশ্মির তেজস্ক্রিয়তা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি জার্মান পদার্থবিদ উইলহেল্ম কনরাড রন্টজেনের নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি এক্স-রে রশ্মির আবিষ্কারক। - রন্টজেন এককের মাধ্যমে এক্স-রে বা গামা রশ্মির বিকিরণ শক্তি বা তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।
এছাড়া: - লেন্সের ক্ষমতা: এটি লেন্সের ফোকাল দৈর্ঘ্য বা অপটিক্যাল গুণগত ক্ষমতা পরিমাপের একক নয়। - তেজস্ক্রিয়তা: এটি সাধারণভাবে 'বেকেরেল' বা 'কিউরি' দিয়ে মাপা হয়। - দীপন ক্ষমতা: এটি আলো বা উজ্জ্বলতার পরিমাপের একক, যা 'ক্যান্ডেলা' দ্বারা মাপা হয়।
- লোহার ক্ষয়রোধ প্রক্রিয়াটি গ্যালভানাইজেশন (Galvanization) নামে পরিচিত। এই প্রক্রিয়ায় লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়। - দস্তা লোহার চেয়ে বেশি ক্রিয়াশীল ধাতু। - দস্তা নিজে জারিত হয়ে লোহাকে সুরক্ষা দেয়। - ধাতু বা সংকর ধাতু যদি বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সংস্পর্শে না আসে তবে ধাতু ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।এটা বিভিন্নভাবে করা যায়, যেমন- রঙ করা, ইলেকট্রোপ্লেটিং, গ্যালভানাইজিং ইত্যাদি। - গ্যালভানাইজেশন বা গ্যালভানিকরণ হলো মরিচা প্রতিরোধ করার জন্য ইস্পাত বা লোহাতে দস্তার প্রলেপ প্রয়োগ করার প্রক্রিয়া।
- হাওরের গেটওয়ে হিসেবে কিশোরগঞ্জকে উল্লেখ করা হয় কারণ এটি বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। - কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন এবং অষ্টগ্রাম উপজেলাগুলো হাওর অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এই এলাকাগুলোতে নির্মিত "অলওয়েদার সড়ক" হাওরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়েছে। - এই সড়ক কিশোরগঞ্জকে সিলেটসহ অন্যান্য হাওর অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে, যা পর্যটন, কৃষি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। - এছাড়া, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের উদ্যোগে এই অঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো কিশোরগঞ্জকে হাওরের প্রবেশদ্বার হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
- আইএসবিএন (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বুক নাম্বার) বই ও প্রকাশনার সাথে জড়িত একটি অনন্য সংখ্যায়ন পদ্ধতি। - এটি মূলত বইয়ের সঠিক পরিচিতি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে বইয়ের বাণিজ্যিক লেনদেন ও সনাক্তকরণে সহায়তা করে। - ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যে এটি প্রবর্তিত হয় এবং ১৯৭০ সালে আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (ISO) এটিকে স্বীকৃতি দেয়। - আইএসবিএন ১০ বা ১৩ ডিজিটের একটি সংখ্যা, যা বইয়ের প্রকাশক, দেশ, এবং নির্দিষ্ট বইয়ের তথ্য নির্দেশ করে। - বাংলাদেশে আইএসবিএন বরাদ্দের দায়িত্ব আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উপর ন্যস্ত।
- 'সংগ্রাম তেল' চিত্রটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা। - জয়নুল আবেদিন বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত এবং তার চিত্রকর্মগুলোতে সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। - বিশেষত, তার চিত্রকর্মগুলোতে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সংগ্রামের চিত্র ফুটে ওঠে। - 'সংগ্রাম' চিত্রটি তার অন্যতম বিখ্যাত কাজ, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
- মঙ্গল গ্রহের নতুন নাম হিসেবে "নিউ ওয়ার্ল্ড" প্রস্তাব করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। - তার মতে, মঙ্গল গ্রহে টেকসই মানববসতি গড়ে তোলা মানবজাতির ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তিনি এই নামটি ১৪৯২ সালে আমেরিকা মহাদেশকে "নিউ ওয়ার্ল্ড" নামে ডাকার ঐতিহাসিক ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রস্তাব করেছেন। - ইলন মাস্ক মনে করেন, পৃথিবীর বাইরে মানবজাতির বিকল্প আশ্রয়স্থল হিসেবে মঙ্গলকে প্রস্তুত করা হলে এটি মানব সভ্যতার জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
- বিশ্বের প্রথম গোয়েন্দা জাহাজের নাম হলো জাগরোস। - এটি ইরানের তৈরি একটি সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) জাহাজ, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উন্মোচন করা হয়। - জাহাজটি উচ্চপ্রযুক্তির বৈদ্যুতিক সেন্সর, সাইবার নজরদারি এবং ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি দ্বারা সজ্জিত, যা সাইবার হামলা প্রতিরোধ এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম। - ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার শাহরাম ইরানি এটিকে সাগর ও মহাসাগরে ইরানের "সদা জাগ্রত চোখ" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- মিশরের বর্তমান রাজধানীর নাম হলো কায়রো। - এটি আরবি শব্দ "আল-কাহিরা" থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ "বিজয়ী"। - কায়রো মিশরের বৃহত্তম শহর এবং এটি নীল নদের ব-দ্বীপের শীর্ষভাগে অবস্থিত। - শহরটি ১০ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি মিশরের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - যদিও মিশর একটি নতুন প্রশাসনিক রাজধানী নির্মাণ করছে, যা কায়রো থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত, তবে এখনো কায়রোই মিশরের আনুষ্ঠানিক রাজধানী হিসেবে বিবেচিত।
- কার্টাগোনা প্রোটোকল হলো জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি। - এর পূর্ণ নাম "Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity"। - এটি ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়। - এই প্রোটোকলের মূল উদ্দেশ্য হলো জীবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা জীবের (Living Modified Organisms - LMOs) পরিবেশগত ঝুঁকি হ্রাস করা এবং জৈববৈচিত্র্য রক্ষা করা। - এটি জীবপ্রযুক্তি ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - বাংলাদেশ এই প্রোটোকলে ২০০০ সালে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালে অনুমোদন দেয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদরদপ্তরঃ - ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিশন(ECE), - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(ILO), - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা(WMO), - বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা(WIPO), - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO), - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা(WTO), - জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন(UNHCR), - UNCTAD, - ইন্টার- পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন(IPU), - বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম(WEF), - বিশ্ব হার্ট ফাউন্ডেশন(WHF), প্রভৃতি।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।