বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক) - ১৫.০৫.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলনদ। এর দৈর্ঘ্য ৬৬৯০ কি.মি.। নদীটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপত্তি হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে এবং এটি আফ্রিকার ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যান্য নদীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
আমাজন: পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী। এটি আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
কঙ্গো নদী: পৃথিবীর গভীরতম নদী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হোয়াংহো এশিয়া ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর অপর নাম পীত নদী (Yellow River)
- নদীটি চীনের দুঃখ নামে বেশি পরিচিত। প্রাচীন চীনে প্রায়ই এই নদীর পানি ছাপিয়ে উঠে আশপাশের সবকিছু ভাসিয়ে দিত বলে একে চীনের দুঃখ বলা হয়।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে, যার ফলে চীনের জনগণের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিলোমিটার এবং এটি পীত সাগরে পতিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (BIWTC) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি সংস্থা।
সংশ্লিষ্ট আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB)-ও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে
- স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫৯ মোতাবেক পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ইপিওয়াপদা) পানি উইং থেকে আলাদা হয়ে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- BWDB-এর সদর দপ্তর: পানি ভবন, ঢাকা
- এর মূল কাজ: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী শাসন, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং পানি সম্পদ উন্নয়ন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে মোট নদীর সংখ্যা ১৪১৫টি (তবে সাম্প্রতিক জরিপ ও সূত্রভেদে সংখ্যার ভিন্নতা রয়েছে)।
নদী বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদী: ৫৪টি (যৌথ নদী কমিশনের তথ্যমতে)।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার অভিন্ন নদী: ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও নাফ)।
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদী: ১টি (পদ্মা/গঙ্গা)।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী: ১টি (কুলিক)।
কয়েকটি নদীর মিলিত স্থান:
- পদ্মা + মেঘনা = চাঁদপুর
- পদ্মা + যমুনা = গোয়ালন্দ
- সুরমা + কুশিয়ারা = আজমিরীগঞ্জ (কালনী নাম)
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র + মেঘনা = ভৈরব বাজার
- যমুনা + বাঙ্গালী = বগুড়া
- রূপসা + ভৈরব = খুলনা
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিশরের রাজধানী কায়রো শহরটি নীলনদের তীরে অবস্থিত।
- নীলনদ হলো বিশ্বের দীর্ঘতম নদী, যা আফ্রিকার একাধিক দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- অপশনগুলোর মধ্যে সুদানের রাজধানী 'খার্তুম'ও নীলনদের তীরে অবস্থিত, তবে প্রধান শহর হিসেবে কায়রো সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- অন্যদিকে, মাদ্রিদ স্পেনের রাজধানী এবং আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের একটি বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর শহর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইউক্রেন ইউরোপ মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ
- দেশটির রাজধানী কিয়েভ
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে স্বাধীনতা লাভ করে
- এর আয়তন ৬,০৩,৬২৮ বর্গ কি.মি.।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আয়তনে বিশ্বের তথা ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ রাশিয়া
- কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যথাক্রমে বিশ্বের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম দেশ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর
- সার্কের সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিল ৭টি এবং বর্তমানে ৮টি।
- সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো – বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তান (২০০৭ সালে যোগ দেয়)
- সার্ক গঠনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী:
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম
- পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা প্রায় ৮০৪.৫০ কোটি
- জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারত
- শীর্ষ ৫ জনবহুল দেশ: ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় (ভারত ও পাকিস্তানের পর)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক উপায়ে নিশ্চিত করা হয়, তাকে সুশাসন বলে।

সুশাসনের মূলভিত্তি হলো আইনের শাসন। এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ।
• একটি দেশের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন থাকা আবশ্যক, কারণ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা ও আধিপত্য রোধ করা সম্ভব হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের ভূ-গর্ভে কয়লা, কঠিন শিলা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাওয়া গেলেও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো দেশের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।

প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানার কাঁচামাল এবং শিল্প ও কলকারখানার জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার সর্বাধিক।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় সিলেটের হরিপুরে
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং বিপুল মজুদের দিক থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসই বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মূল ভূমিকা পালন করছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় দেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। এটি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সুতিয়াখালীতে অবস্থিত এবং এর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট (২০২০ সালে এটি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়)।

তবে জেনে রাখা ভালো:
বর্তমানে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হলো 'তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট'
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে অবস্থিত।
- এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ মেগাওয়াট
- ২০২২ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে। মোট জনশক্তি রপ্তানির প্রায় ৩৬ শতাংশই সৌদি আরবে হয়।

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির শীর্ষ কয়েকটি দেশ:
- প্রথম: সৌদি আরব।
- দ্বিতীয়: সংযুক্ত আরব আমিরাত (২০২৩ সাল পর্যন্ত ২৬ লাখের বেশি মানুষ এই দেশে যায়)।
- তৃতীয়: ওমান (প্রায় ১৯ লাখ মানুষের শ্রমবাজার রয়েছে)।
- চতুর্থ: মালয়েশিয়া (এ পর্যন্ত সাড়ে ১৪ লাখেরও বেশি শ্রমিক গিয়েছে, যা মোট শ্রমবাজারের প্রায় ৯ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ, ৩ অক্টোবর ২০২৪)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হলেন সৈয়দ মঈনুল হোসেন (অপশনে মঈনুল হাসান দেওয়া হয়েছে)।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫.৭২ মিটার।
- স্মৃতিসৌধটিতে ৭টি ফলক বা স্তম্ভ রয়েছে, যা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে (১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১) নির্দেশ করে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা হলেন সুপ্রিম কোর্ট, আর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান হিসেবে প্রধান বিচারপতি এই দায়িত্ব পালন করেন। সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তন অযোগ্য এবং সুপ্রিম কোর্ট জুডিশিয়াল রিভিউর মাধ্যমে সংবিধান বিরোধী যেকোনো আইন বাতিল করতে পারে, তাই বিচার বিভাগ বা প্রধান বিচারপতিকেই সংবিধানের অভিভাবক বা রক্ষাকর্তা বলা হয়।

সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করা হয়, যার সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন এবং একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory
- এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরির একটি অংশ, যা স্থায়ী মেমোরি বা Permanent Memory হিসেবে পরিচিত।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও এই মেমোরিতে থাকা তথ্য বা ডেটা মুছে যায় না, তাই একে Non-Volatile Memory বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি বা ফার্মওয়্যার (যেমন- BIOS) সাধারণত এই রম-এ সংরক্ষিত থাকে।
- অন্যদিকে, RAM, Cache এবং Register হলো অস্থায়ী মেমোরি, কারণ বিদ্যুৎ চলে গেলে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer)-কে সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- তবে কারিগরি শ্রেণীবিভাগে বা আকৃতি ও ক্ষমতার ভিত্তিতে এটি মূলত মাইক্রো কম্পিউটার (Micro Computer)-এর অন্তর্ভুক্ত।
- মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের চেয়ে এর আকার অনেক ছোট। সাধারণত একজন ব্যবহারকারী একা ব্যক্তিগত কাজের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- RAM (Random Access Memory) কোনো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস নয়, এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা প্রাইমারি মেমোরি
- এটি মূলত CPU-এর অভ্যন্তরীণ মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে এর তথ্য মুছে যায়।
- অন্যদিকে, পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক এবং মেমোরি কার্ড হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে রাখা যায় এবং ইচ্ছেমতো মুছে ফেলা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সব যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটারের ভেতরে ডাটা প্রবেশ করানো হয় এবং কাজের নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস (Input Device) বলা হয়।
- মাউস (Mouse) একটি পয়েন্টার জাতীয় ইনপুট ডিভাইস, যার সাহায্যে কম্পিউটারে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- অন্যান্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস হলো: কিবোর্ড, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), এমআইসিআর (MICR) ইত্যাদি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রিন্টারের গতি পরিমাপের ভিত্তিতে সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রিন্টার হলো লেজার প্রিন্টার (Laser Printer) বা পেজ প্রিন্টার।
- এই প্রিন্টারগুলো একবারে সম্পূর্ণ একটি পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে সক্ষম, যা সাধারণ লাইন প্রিন্টার বা ক্যারেক্টার প্রিন্টারের চেয়ে অনেক বেশি গতির।
- প্রিন্টারের গতি মাপা হয় পিপিএম (PPM - Pages Per Minute) এককে, যেখানে লেজার বা পেজ প্রিন্টারের রেটিং সবচেয়ে বেশি থাকে।
- ডট মেট্রিক্স, ইনজেক্ট বা থার্মাল প্রিন্টারের মুদ্রণ গতি লেজার প্রিন্টারের তুলনায় বেশ ধীরগতির।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য একটি যন্ত্র হলো মডেম (Modem)
- Modem শব্দটি ModulatorDemodulator-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা প্রেরিত ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে (Modulation) এবং অ্যানালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে (Demodulation) রূপান্তর করে।
- একজন ইউজার যখন ডিজিটাল সংকেতের মাধ্যমে কোনো নির্দেশ প্রদান করে, তখন তা Modulate হয়ে সার্ভারে যায় এবং সার্ভার থেকে প্রক্রিয়াকরণের পর Demodulate হয়ে ইউজারের কাছে প্রদর্শিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে হলে প্রথমে কম্পিউটারকে কাজের তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করতে হয়, যাকে Input বলে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারকে তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাকে Input Device বলে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কী বোর্ড (Keyboard) হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
- কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হলো: Keyboard, Mouse, Scanner, Joystick, OMR, OCR, MICR, Light pen ইত্যাদি।
- অন্যদিকে মনিটর, প্রিন্টার ও স্পীকার হলো আউটপুট (Output) ডিভাইস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
UPS-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply বা Uninterruptible Power Source
- এর প্রধান কাজ হলো বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া
- ইউপিএস হলো এমন একটি ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস, যা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরেও কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে।
- এর ভেতরে একটি শক্তিশালী ব্যাটারি থাকে, যা মেইন লাইনে বিদ্যুৎ থাকাকালে চার্জ জমা করে রাখে।
- বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে এটি সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে, যা মূলত ডাটা লস (Data Loss) রোধ করতে এবং ভোল্টেজের ওঠানামা থেকে সংবেদনশীল যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
PDF-এর পূর্ণরূপ হলো Portable Document Format
- এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফাইল ফরম্যাট, যা ১৯৯০-এর দশকে অ্যাডোবি (Adobe) তৈরি করেছিল।
- এই ফরম্যাটের মাধ্যমে যেকোনো ডকুমেন্টকে তার মূল টেক্সট, ফন্ট এবং ছবিসহ অবিকৃত অবস্থায় অন্য ডিভাইসে পড়া বা প্রিন্ট করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Windows হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন কতগুলো প্রোগামের সমষ্টি, যেগুলোর সাহায্যে কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান এবং পরিচালনা করা হয়।
- পিসিতে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে আসছে ১৯৭১ সাল থেকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উইকিপিডিয়া (Wikipedia) একটি অনলাইনভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ (Free Encyclopedia), যা যেকোনো ব্যক্তি ইচ্ছেমতো সম্পাদনা করতে পারে।
- এটি ২০০১ সালে চালু হয় এবং এটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত।
- উইকিপিডিয়ায় বিশ্বের নানা ভাষায় অসংখ্য বিষয়ের ওপর নিবন্ধ রয়েছে এবং এটি গণজ্ঞানভিত্তিক একটি উন্মুক্ত জ্ঞানের ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।
- এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং এতে অবদান রাখতে বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তি অংশ নিতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) হলো একটি স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার, এটি কোনো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয়।
- এটি মূলত গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, ডেটা বিশ্লেষণ এবং চার্ট বা গ্রাফ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, MS Word, LaTeX (Latex) এবং WordStar হলো জনপ্রিয় কিছু ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারগুলো সাধারণত টেক্সট এডিটিং, ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং এবং লেখালেখির কাজে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোনো কম্পিউটার ব্যবস্থায় সকল ভৌত যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে (যেমন: কীবোর্ড, প্রিন্টার, মনিটর) অর্থাৎ মেকানিক্যাল ডিভাইসগুলোকে হার্ডওয়্যার (Hardware) বলা হয়।
- কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত:
১. সিপিইউ (CPU)
২. ইনপুট ডিভাইস
৩. আউটপুট ডিভাইস
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাউস, মনিটর, সিপিইউ (CPU) — এগুলো কম্পিউটারের ভৌত যন্ত্রাংশ বা হার্ডওয়্যার (Hardware)
- অন্যদিকে, উইন্ডোজ (Windows) হলো একটি সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম), তাই এটি হার্ডওয়্যার নয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• স্ক্যানার এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস (Input Device)।

পেরিফেরালস (Peripherals):
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত প্রদান, ফলাফল গ্রহণ ও সংরক্ষণ করা হয়।

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি।

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা ডাটা আউটপুট হিসেবে পাওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- কিছু পেরিফেরাল ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবেই কাজ করে।
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0