ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (সেকশন ইঞ্জিনিয়ার) - ১৯.০৬.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি সাধারণ এয়ার কন্ডিশনিং (Air Conditioning) সিস্টেমের প্রধান চারটি অংশ থাকে: কম্প্রেসার (Compressor), কনডেনসার (Condenser), এক্সপ্যানশন ভালভ (Expansion Valve) এবং ইভাপোরেটর (Evaporator)
- কম্প্রেসার রেফ্রিজারেন্টকে সংকুচিত করে, কনডেনসার তাপ বর্জন করে এবং ইভাপোরেটর ঘরের ভেতরের তাপ শোষণ করে শীতল বাতাস প্রদান করে।
- এই সিস্টেম সাধারণত সরাসরি বৈদ্যুতিক লাইনের (AC Power) সাহায্যে পরিচালিত হয়।
- তাই ব্যাটারি (Battery) এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের কোনো অংশ বা প্রধান উপাদান নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি আদর্শ ট্রান্সফর্মার (Ideal Transformer) হলো এমন একটি তাত্ত্বিক মডেল যেখানে কোনো ধরনের শক্তি বা পাওয়ার লস (Power Loss) হয় না
- ট্রান্সফর্মারের মূল কাজ হলো ইনপুট পাওয়ার অপরিবর্তিত রেখে ভোল্টেজ বা কারেন্টের মাত্রা পরিবর্তন করা।
- আদর্শ ট্রান্সফর্মারে কোনো কপার লস বা কোর লস থাকে না, তাই এর কর্মদক্ষতা (Efficiency) ১০০% ধরা হয়।
- অর্থাৎ, ট্রান্সফর্মারটিতে যে পরিমাণ পাওয়ার ইনপুট হিসেবে দেওয়া হয়, ঠিক সেই পরিমাণ পাওয়ার আউটপুটে পাওয়া যায়। তাই এর ইনপুট ও আউটপুট পাওয়ার সমান থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অপটিক্যাল ফাইবার (Optical Fiber) বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে আলো বা লাইট সিগন্যালের (Light Signal) মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে।
- এটি মূলত পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) নীতিতে কাজ করে।
- ফাইবারের core-cladding সীমানায় আলো critical angle-এর চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়ে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় এবং ভেতরের দিকে বারবার প্রতিফলিত হয়ে অগ্রসর হয়।
- আলোর গতি অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এবং সিগন্যাল ক্ষয় (Attenuation) কম হওয়ায়, এর মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে খুব দ্রুত বিপুল পরিমাণ তথ্য পাঠানো সম্ভব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Full Wave Rectifier) এসি (AC) কারেন্টকে ডিসি (DC) কারেন্টে রূপান্তরিত করে।
- এই প্রক্রিয়ায় ইনপুট সাইকেলের পজিটিভ এবং নেগেটিভ উভয় অংশকেই ব্যবহার করা হয়।
- ফলে আউটপুটে একই সময়ের মধ্যে ইনপুটের তুলনায় দ্বিগুণ সংখ্যক পালস বা তরঙ্গ পাওয়া যায়।
- তাই ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ারের আউটপুট ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক ইনপুট ফ্রিকোয়েন্সির দ্বিগুণ হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ (50 Hz) হয়, তবে আউটপুট ফ্রিকোয়েন্সি হবে ১০০ হার্জ (100 Hz)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এটি একটি সাদৃশ্য বা অ্যানালজি (Analogy) নির্ণয়ের সমস্যা। এখানে শব্দগুলোর মধ্যকার সম্পর্কটি মূলত মাধ্যম এবং ফলাফল-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।
বই পড়ার মাধ্যমে আমরা যেমন জ্ঞান অর্জন করি, ঠিক একইভাবে জমিতে চাষ বা কৃষিকাজের মাধ্যমে আমরা শস্য পেয়ে থাকি।
কৃষিবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ রয়েছে (যেমন: মৎস্য চাষকে পিসিকালচার, রেশম চাষকে সেরিকালচার বা পাখি পালনকে এভিকালচার বলা হয়), তবে সাধারণ অর্থে যেকোনো চাষের মূল প্রাপ্তি বা উৎপাদিত ফলাফল হলো শস্য
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে প্রতিটি বর্ণকে ১ ধাপ করে এগিয়ে হিসাব করতে হবে:
C এর ১ ধাপ পরের বর্ণ = D
A এর ১ ধাপ পরের বর্ণ = B
T এর ১ ধাপ পরের বর্ণ = U
সুতরাং, 'CAT' শব্দের প্রতিটি বর্ণ ১ ধাপ এগিয়ে গেলে গঠিত নতুন শব্দটি হবে DBU
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ায় নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে।
- এই প্রক্রিয়ায় গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্রহণ করে এবং মূলের সাহায্যে মাটি থেকে পানি শোষণ করে।
- সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পাতায় থাকা ক্লোরোফিল এই উপাদানগুলোকে ব্যবহার করে শর্করা জাতীয় খাদ্য ও অক্সিজেন (O2) উৎপন্ন করে।
- সুতরাং, খাদ্য তৈরির জন্য গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) নামক এক ধরনের লৌহজাত রঞ্জক প্রোটিন থাকে। এই হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির কারণেই মানুষের রক্তের রং লাল হয়
• এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং সারা দেহের কোষে কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
• অন্যদিকে, প্লাজমা (Plasma) হলো রক্তের ঈষৎ হলুদাভ তরল অংশ এবং ক্যালসিয়াম মানবদেহের হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্যকারী একটি খনিজ উপাদান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• সূর্য মূলত একটি হলুদ বামন (Yellow Dwarf) নক্ষত্র।
• এটি সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক এবং পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস।
• এর ব্যাস ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার এবং এটি পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়
• সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ (বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন)।
• সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং গ্রহের ক্রমানুসারে পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• আদর্শ বা স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট
• যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে, তাকে ঐ তরলের স্ফুটনাংক (Boiling Point) বলা হয়।
• যতক্ষণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই তাপমাত্রা স্থির থাকে।
• পানির গলনাংক বা যে তাপমাত্রায় বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়, তা হলো ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৭৩.১৫ কেলভিন)।
• পাহাড়ের চূড়ায় বা উচ্চ স্থানে বায়ুর চাপ কম থাকায় সেখানে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কম তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সরকারি বাজেটের প্রধানত দুটি অংশ থাকে: রাজস্ব বাজেট এবং উন্নয়ন বাজেট।
রাজস্ব বাজেট অংশে সরকারের দৈনন্দিন ও পরিচালনমূলক কাজের জন্য সম্ভাব্য আয় এবং ব্যয়ের বিস্তারিত বিবরণ থাকে।
• সরকারের কর ও কর-বহির্ভূত আয় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, ও প্রশাসনিক ব্যয় মূলত এই অংশের অন্তর্ভুক্ত।
• অন্যদিকে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) হলো সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR 2008) অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পদ্ধতিতে পণ্য বা সেবা ক্রয় করে থাকে। এর মধ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (Direct Procurement Method) বা দরপত্র আহ্বান ছাড়া সরাসরি ক্রয় হলো অন্যতম একটি পদ্ধতি।
• জরুরি পরিস্থিতিতে বা বিশেষ প্রয়োজনে, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই নির্দিষ্ট সরবরাহকারীর কাছ থেকে সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয়ের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
• অন্যান্য অপশনগুলো (কোম্পানি নিবন্ধন, বার্ষিক বাজেট প্রস্তুতকরণ বা আয়কর রিটার্ন দাখিল) সরকারি ক্রয় পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হচ্ছে পিরামিড।
- পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের একটি হলো মিশরের এই পিরামিডগুলো, যা ফারাওদের সমাধি হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এসব পিরামিডের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো গিজার তিনটি পিরামিড, যার মধ্যে খুফুর পিরামিড সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন।
- এই সভ্যতাটি নীল নদের তীরে গড়ে উঠেছিল এবং পিরামিডগুলো তাদের উন্নত প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যার পরিচয় বহন করে।
- মিশরীয়রা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে বিশ্বাস করত, তাই তারা মৃতদেহ সংরক্ষণ করে মমিতে রূপান্তর করত এবং পিরামিডের ভেতরে মূল্যবান সামগ্রীসহ সমাধিস্থ করত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের একটি উইলের মর্মানুসারে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়।
- তিনি মৃত্যুর পূর্বে উইলের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করে যান, যা ১৯০১ সাল থেকে প্রদান করা শুরু হয়।
- উল্লেখযোগ্য যে, অন্যান্য নোবেল পুরস্কার সুইডেন থেকে দেওয়া হলেও, শুধুমাত্র শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নরওয়ের অসলো থেকে প্রদান করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এটি আনুমানিক ৫৯ মিলিয়ন বর্গ মাইল জুড়ে বিস্তৃত এবং পৃথিবীর মোট জলভাগের অর্ধেকেরও বেশি অংশ ধারণ করে।
- বিশ্বের মহাসাগরগুলোর মধ্যে গভীরতম অংশ মারিয়ানা ট্রেঞ্চ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর নিউইয়র্ক-কে এর প্রধান কার্যালয়ের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- সদর দপ্তরটি আন্তর্জাতিক ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ম্যানহাটন দ্বীপের পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তবে জাতিসংঘের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অফিস জেনেভা (সুইজারল্যান্ড), ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) এবং নাইরোবি (কেনিয়া)-তেও রয়েছে।
- এই সদর দপ্তরের ভবনটির নকশা তৈরিতে অস্কার নিমেয়ার এবং ল করবুসিয়ারের মতো বিখ্যাত স্থপতিরা যুক্ত ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার
- সেতুটিতে মোট ৪১টি স্প্যান এবং ৪২টি পিলার রয়েছে, যার প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- এটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তকে সরাসরি যুক্ত করেছে।
- দ্বিতল এই সেতুর ওপর দিয়ে সড়কপথ এবং নিচ দিয়ে রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর করা হয়।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন
- এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন যা হস্তলিখিত ছিল।
- বাংলাদেশের সংবিধান এখন পর্যন্ত সর্বমোট ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আমার সোনার বাংলা' গানটি রচনা করেছেন।
- এই গানটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২ বঙ্গাব্দ) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের সুস্পষ্ট প্রভাব রয়েছে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এবং দীর্ঘ নদী।
- এটি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা দিয়ে এটি প্রবেশ করেছে।
- রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে এটি যমুনার সাথে এবং চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, $\log_{x}৪ = ২$
লগারিদমের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আমরা জানি, $\log_{a}M = x$ হলে $a^x = M$ হয়।
এই সূত্র প্রয়োগ করে পাই:
$x^২ = ৪$
$\Rightarrow x^২ = ২^২$
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী, উভয় পক্ষের সূচক সমান হলে ভিত্তিও সমান হয় (যেহেতু ভিত্তি $x > ০$)।
$\Rightarrow x = ২$
অতএব, $x$ এর মান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, সংখ্যা দুটির অনুপাত = $২ : ৩$
ধরি, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে $২x$ এবং $৩x$। এখানে $x$ হলো সংখ্যা দুটির সাধারণ উৎপাদক বা গ.সা.গু.
এখন, $২x$ এবং $৩x$ এর ল.সা.গু. = $২ \times ৩ \times x = ৬x$
প্রশ্নে দেওয়া আছে, ল.সা.গু. = $২৪$
শর্তমতে,
$৬x = ২৪$
$\Rightarrow x = \frac{২৪}{৬}$
$\Rightarrow x = ৪$
যেহেতু $x$-ই হলো সংখ্যা দুটির গ.সা.গু., তাই নির্ণেয় গ.সা.গু.

শর্টকাট নিয়ম: অনুপাত দেওয়া থাকলে, গ.সা.গু. = ল.সা.গু. $\div$ (অনুপাতের রাশিগুলোর গুণফল) = $২৪ \div (২ \times ৩) = ২৪ \div ৬ =$ $৪$
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, গাছের শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোণ = $\theta$
দেওয়া আছে,
গাছের উচ্চতা (লম্ব) = $৬$ মিটার
ছায়ার দৈর্ঘ্য (ভূমি) = $৬\sqrt{৩}$ মিটার
আমরা জানি, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী $\tan \theta = \frac{\text{লম্ব}}{\text{ভূমি}}$
মান বসিয়ে পাই,
$\Rightarrow \tan \theta = \frac{৬}{৬\sqrt{৩}}$
$\Rightarrow \tan \theta = \frac{১}{\sqrt{৩}}$
$\Rightarrow \tan \theta = \tan ৩০^{\circ}$ (যেহেতু আমরা জানি, $\tan ৩০^{\circ} = \frac{১}{\sqrt{৩}}$)
$\Rightarrow \theta = ৩০^{\circ}$
অতএব, গাছের শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোণ $৩০^{\circ}$
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শুধুমাত্র একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে বর্গ আঁকা সম্ভব।
কারণ: বর্গের দুটি কর্ণ পরস্পর সমান এবং এরা পরস্পরকে সমকোণে (৯০°) সমদ্বিখণ্ডিত করে।
অঙ্কনের ধাপ:
১. প্রথমে প্রদত্ত কর্ণের সমান করে একটি রেখাংশ নিই।
২. রেখাংশটির লম্বদ্বিখণ্ডক আঁকি, যা বর্গের কেন্দ্র নির্দেশ করে।
৩. লম্বদ্বিখণ্ডক থেকে কর্ণের অর্ধেক দৈর্ঘ্যের সমান করে উভয় পাশে কেটে নিলেই বর্গের বাকি দুটি শীর্ষবিন্দু পাওয়া যায়।
৪. সবশেষে শীর্ষবিন্দুগুলো যোগ করলেই নির্দিষ্ট বর্গটি পাওয়া যাবে।
অন্যান্য চতুর্ভুজ (যেমন: রম্বস, আয়তক্ষেত্র বা সামান্তরিক) আঁকতে হলে কমপক্ষে দুটি স্বতন্ত্র উপাত্তের প্রয়োজন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এই প্রশ্নটির সঠিক গাণিতিক রাশিটি মূলত $a - [a - \{a - (a - 1)\}]$ হবে।
সরলীকরণের নিয়ম (BODMAS) অনুযায়ী, প্রথমে প্রথম বন্ধনী `()`, এরপর দ্বিতীয় বন্ধনী `{}` এবং শেষে তৃতীয় বন্ধনীর `[]` কাজ করতে হয়।
ধাপে ধাপে সমাধান:
প্রদত্ত রাশি = $a - [a - \{a - (a - 1)\}]$
= $a - [a - \{a - a + 1\}]$ (মাইনাস দিয়ে গুণ করে প্রথম বন্ধনী তুলে দেওয়া হলো)
= $a - [a - \{1\}]$ ($a$ এবং $-a$ বিয়োগ হয়ে শূন্য হলো)
= $a - [a - 1]$
= $a - a + 1$
= $১$
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।

মূল মান: ১/২ = ০.৫০

অপশনগুলোর মান দশমিকে রূপান্তর করি:
• ২/৫ = ০.৪০
• ৪/৯ = ০.৪৪৪...
• ৮/৯ = ০.৮৮৮...
• ৫/১১ = ০.৪৫৪...

উপরের মানগুলো তুলনা করলে দেখা যায়, একমাত্র ৮/৯ (০.৮৮৮...) এর মান ১/২ (০.৫০) অপেক্ষা বড়।

অতএব, সঠিক উত্তর ৮/৯
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার

ট্রেনটি ৬০ মিনিটে অতিক্রম করে = ৯২.৪ কি.মি.
ট্রেনটি ১ মিনিটে অতিক্রম করে = ৯২.৪ / ৬০ কি.মি.
ট্রেনটি ১০ মিনিটে অতিক্রম করে = (৯২.৪ × ১০) / ৬০ কি.মি.
= ৯২৪ / ৬০ কি.মি.
= ১৫.৪ কি.মি.

এখন, কিলোমিটারকে মিটারে প্রকাশ করতে ১০০০ দিয়ে গুণ করতে হবে:
= (১৫.৪ × ১০০০) মিটার
= ১৫৪০০ মিটার
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = x মিটার
তাহলে, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২x মিটার

আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

শর্তমতে,
২x × x = ৯৮
⇒ ২x² = ৯৮
⇒ x² = ৯৮ / ২
⇒ x² = ৪৯
⇒ x = ৭

সুতরাং, প্রস্থ = ৭ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = (২ × ৭) = ১৪ মিটার

আবার আমরা জানি, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
পরিসীমা = ২ × (১৪ + ৭)
= ২ × ২১
= ৪২ মিটার
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২৫% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ২৫) = ৭৫ টাকা

এখন, ঐকিক নিয়মে সমাধান করে পাই:
• বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
• বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ / ৭৫ টাকা
• বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ১৫০) / ৭৫ = ২০০ টাকা

অতএব, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ২০০ টাকা

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
• সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরষ্পর সমান ও সমান্তরাল।
• সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরষ্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে কিন্তু তারা পরষ্পর অসমান।
• অপশনগুলোর মধ্যে, ১/২ × (ভূমি × উচ্চতা) হলো ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল এবং দৈর্ঘ্য × প্রস্থ হলো আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল।

সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হলো ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0